কাজীপুর গ্রাম থেকে শহর অনেকটা দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি উদার হাতে এ অঞ্চলের মানুষকে শস্যে ও সম্পদে সুখী রেখেছে। এ অঞ্চলের মানুষের দিন কাটে ফসলের ক্ষেতে, গৃহস্থালি কাজে, হাসি-উৎসবে ও প্রচলিত বিশ্বাসে। এ গ্রামের মাতব্বর ফরমান আলীর বাড়িতে এক পড়ন্ত বিকেলে মতলব মিয়া নামে অচেনা এক দরবেশের আগমন। দুর্গম পথ পার হয়ে আসা মতলব মিয়ার চোখে-মুখে-আশঙ্কা, উদ্বেগ ও স্বপ্নের বিচিত্র আভাস। সবার সামনে সে নিজেকে পীর হিসেবে পরিচয় দিয়ে নানা রকম অলৌকিক কর্মকান্ডের গল্প বলতে শুরু করে।
উদ্দীপকের মতলব মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ আত্মপরিচয়দানে ও আত্মপ্রকাশে কতটা অভিন্ন? মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- গারো পাহাড় মধুপুরগড় থেকে কতদিনের পথ?
- 'কী মিঞা তোমার দিলে কি ময়লা আছে?'- 'লালসালু' উপন্যাসে উক্তিটি কার ?
- "শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি"- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- খালেক ব্যাপারীর প্রথম স্ত্রীর নাম কী?
- জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
- ত্রিপুরা রাজ মন্দিরের পুরোহিত রঘুপতি মিথ্যা ধর্মবোধ ও অন্ধসংস্কারের ধারক। মন্দিরে বলিদান প্রথার বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদের বাণী ধ্বনিত হয় অপর্ণার মধ্যে। তার ছাগ-শিশু বলির বিচার দাবি 'বিসর্জন' নাটকের বিরোধের বীজ। এ বীজ প্রথম বপিত হয় রাজার হৃদয়ে। আর এ বপিত বীজের কারণে রাজার বিরুদ্ধে বিরোধ, জয়সিংহের আত্মবিসর্জন, রঘুপতির প্রতিমা বিসর্জন এবং পরিণতিতে মাতৃরূপে অপর্ণার নিকট রঘুপতির দর্প চূর্ণ হয়।'প্রচলিত প্রথা ও কুসংস্কার কখনো ব্যক্তি ও সমাজের জন্য সহায়ক নয় বরং অন্তরায়' উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা। সময়ে অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়- এ কথার মধ্যে মজিদ চরিত্রের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে তা হলো-অনুশোচনাবোধঅস্তিত্ব রক্ষার প্রয়াসআত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টানিচের কোনটি সঠিক?
- দোগাছা গ্রামের সুশিক্ষিত ও স্বশিক্ষিত রিপন ঢাকা থেকে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেছে। সে নিরক্ষর মানুষকে সাক্ষর করতে গ্রামে একটি নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। এ কল্যাণমূলক কাজে সমাজপতি জব্বার বাধা দেয়। গ্রামের মৌলবি, সমাজপতি ও মূর্খ গ্রামবাসীর কাছ রিপণের মহৎ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।"উদ্দীপকের মৌলবি; সমাজপতি ও মূর্খ গ্রামবাসী 'লালসালু' উপন্যাসেও বিদ্যমান।"- মূল্যায়ন করো।
- আক্কেলপুর গ্রামের শিক্ষিত ছেলে জুবায়ের সবেমাত্র মাস্টার্স পাশ করে গ্রামে ফিরেছে। আক্কেলপুর গ্রামে কোনো স্কুল নাই। তাই সে গ্রামের শিশুদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য ক্যাম্পেইন চালায়। এই প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে গ্রাম্য মাতব্বর মতলব মিয়া স্কুলের পরিবর্তে একটা মক্তব প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রামবাসীকে জানায়। জুবায়ের এর তীব্র প্রতিবাদ করলে ধর্মদ্রোহী তকমা দিয়ে তাকে এলাকাছাড়া করে দেয়।উদ্দীপকের জুবায়েরের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাসের যে সাদৃশ্য রয়েছে তা বুঝিয়ে লেখো।
- মজিদ কাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল?
- খালেক ব্যাপারির প্রথম পক্ষের স্ত্রীর নাম কী?
- বাড়িতে দুইজন স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও রহিম গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্ক স্ত্রীকে রহিম কারও সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে স্ত্রীকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে শীতের রাতে তাকে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম স্ত্রী খুব কষ্ট পায়। সাহস করে কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নিয়ে আসে।উদ্দীপকের রহিমের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের কোন দিক থেকে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করে সুজন গ্রামে এসে সাধারণ মানুষের সেবাদানের উদ্যোগ গ্রহণ করে। গ্রামে একটি হাসপাতাল তৈরি তার ??োটোবেলার স্বপ্ন। যখন সুজন তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তখনই গ্রামের অশিক্ষিত মানুষগুলো এর প্রতিবাদ জানায়। গ্রামবাসী মনে করে হাসপাতাল তৈরি হলে কাটাছেঁড়া করতে গিয়ে ডাক্তাররা মানুষ মেরে ফেলবে। তাদের কাছে ডাক্তার মানেই কসাই। তার চেয়ে গ্রামের কবিরাজ, ফকির, বৈদ্য, ঝাড়ফুঁকেই তাদের জন্য মঙ্গল। কসাই ডাক্তারখানার দরকার নেই।উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের সাদৃশ্য দেখাও।
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই, তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।উদ্দীপকের টুনির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের উপজীব্য কী?
- মহাসড়কের পাশে পোড়াবাড়ি গ্রামে ফসিপাগলের মাজার। মঙ্গল লাভের আশায় টাকা- পয়সা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল মানত করা হয় এই মাজারে। চলমান বাসের চালক, যাত্রাপথের পথিক ভক্তিভরে পর্যাপ্ত দান করে। মাজারের খাদেম এখন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক। এলাকায় তার প্রভাব-প্রতিপত্তিও কম নয়। কে এই ফসিপাগল? কী তার পরিচয়? এসব প্রশ্নের কোনো প্রকার সদুত্তর মেলে না তার কাছে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করো।
- অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্য বাবার বয়সি বজলু মিয়ার সাথে বিয়ে হয় আয়েশার। বিয়ের পরদাম্পত্য জীবনে খুব একটা সুখী নয় সে কারণ জোরে হাসা যাবে না, সাজগোজ করা যাবে না এমনকি পাড়া-প্রতিবেশীর বাড়িতেও যাওয়া বারণ। তাই স্বামীর বাড়িতে আয়েশার নিজেকে খাঁচায় বন্দি পাখি মনে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে আয়েশা এটাও বুঝতে পারে যে বজলু মিয়া গ্রামের মসজিদের ইমাম হলেও মিথ্যা কথা বলে গ্রামবাসীকে নানা রকম দোয়া, তাবিজ, ঔষধ দিয়ে বাড়তি পয়সা উপার্জন করে। এক সময় আয়েশা এসব সহ্য করতে না পেরে গ্রামবাসীর কাছে সব ফাঁস করে দেয়। তখন বজলু মিয়া সকলের কাছে মাফ চেয়ে বলে একটা বাড়তি আয়ের আশায় তিনি এ কাজ করেছেন।উদ্দীপকের আয়েশা চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে।'-এখানে ‘খেলোয়াড়' কে?
- মজিদের মন অন্ধকার হয়ে আসে কেন?
- করিমন বাতের ব্যথায় জর্জরিত । ছোটো ছেলে কাদেরকেপাশের গ্রামের পিরের কাছে পাঠায় পানিপড়া আনতে ।লোক-বিশ্বাস কার্মেল পিরের পানি পড়ায় সর্বরোগেরঅবসান ঘটে.উদ্দীপকের করিমন 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- "পাথর এবার হঠাৎ নড়ে ।" ’লালসালু' উপন্যাসে এই ‘পাথর’ দ্বারা কাকে বুঝানো হয়েছে?
- মজিদের মুখে কে থু থু দিয়েছিল? কেন?
- রহিম উদ্দীন মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অনেক টাকা উপার্জন করেন। এলাকায় তাঁর দানে রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু তাঁর মনে সুখ নেই। তিনি নিঃসন্তান। অনেকেই তাঁকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি।উদ্দীপকে প্রতিফলিত ইতিবাচক জীব-চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- ভণ্ড-প্রতারক হলেও মজিদ- আত্মপ্রতিষ্ঠায় আত্মপ্রত্যয়ীশিকড়সন্ধানী অস্তিত্ববাদী জীবন-সিদ্ধান্তে সাহসী নিচের কোনটি সঠিক?
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে?'- কথাটি ব্যাখ্যা করো।