ইতিহাস পথ নিল কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,
বারুদের জোয়ার লাগে,
পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।
আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;
যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।
বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়'- এ উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনির আলোকে কতটা সত্য? মূল্যায়ন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- 'শোনো, একদিন এই দেশটাতেদানবেরা দেয় হানাশকুনেরা মেলে ডানাপুড়ে ছারখার মাঠের শস্য'মানুষের আস্তানা।'উদ্দীপকের 'দানবেরা', 'শকুনেরা' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'ওই একটি পথেই আবার আমরা উভয়ে উভয়ের কাছাকাছি আসতে পারি।' - কে কাকে, কোন প্রসঙ্গে উক্তিটি করেছেন?
- মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক কোনটি?
- "কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ মিরমর্দান।"- কার উক্তিটি, কেন করেছিল?
- 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র দেশপ্রেমিক রাক্ষসরাজ রাবণ দেশে শত্রুবেষ্টিত ও অবরুদ্ধ। রামচন্দ্র ও তার বানর সৈন্য লঙ্কা নগরীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। রাবণের অনুজ বিভীষণ শত্রুসেনাদের সাথে যোগ দিয়ে রাবণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও বিপর্যয়ের হাতছানি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বীর পুত্রদের মৃত্যুর খবর আসে তাঁর কানে । বিষন্ন ও দ্রোহক্ষুব্ধ রাবণ শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য যুদ্ধসাজ নিয়ে রণক্ষেত্রে অগ্রসর হয়। দেশের জন্য এ সংগ্রাম প্রকৃত বীরত্বের মহিমায় উজ্জ্বল।উদ্দীপকের রাবণ চরিত্রটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজ তাঁর চারপাশে 'দেয়াল' বলেছেন কোনটিকে?
- কখন জনগণের মঙ্গল হওয়ার চেয়ে অমঙ্গলই বেশি হয়?শাসকরা যখন শোষক হয়স্বৈরাচার যখন জেঁকে বসেআমলাতন্ত্রের দৌরাত্ম্য যখন বেড়ে যায়নিচের কোনটি সঠিক?
- 'পলাশিতে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'ট্রাজেডি' নাটকের অঙ্গ বিভাজন কত প্রকার?
- রুনু ও ঝুনু দু'বোন। রুনুর দুই সন্তান। ঝুনুর কোনো সন্তান নেই। তাই ঝুনু রুনুর সন্তানদের মাতৃস্নেহে বড় করে। কিন্তু এ স্নেহ বেশিদিন স্থায়ী লাভ করে না। কারণ রুনু-ঝুনুর বাবা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি রুনুর দুই সন্তানকে উইল করে দেন। এতে ঝুনু মনঃকষ্ট নিয়ে বলে, আগে জানলে রুনুর সন্তানদের ছোটবেলায় মেরে ফেলতাম।"উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আংশিক চিত্র মাত্র"- বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- "ওর কাছে সব কিছুই যেন বড় রকেরম জুয়ো খেলা'- কার কাছে, কেন?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকষড়যন্ত্রে সপরিবার শাহাদাত বরণ করেন। কিছু বিপথগামীসেনা সদস্য এ কাজে নিয়োজিত ছিল এবং তারাই হাজারবছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মেরে ফেলল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসকরতে পারেননি যে, তাঁকে কেউ মারতে পারে।উপর্যক্ত চরিত্রের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে- নিষ্ঠুরতাকৃতজ্ঞতাবিশ্বাসঘাতকতানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম অঙ্কের প্রথম দৃশ্যের স্থান-
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিনধি কেন সিপাহসালারের সাথে দেখা করতে এসেছিলেন?
- বীথি ও সাথী দুই বোন। দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে বীথি যখন দেশে ফিরল তখন তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে বাবা তার সম্পত্তির কিছু অংশ সাথীকে দান করে যান। এই নিয়ে বীথি ভীষণ গোলযোগ সৃষ্টি করে। সে মনে করে বৃদ্ধ পিতাকে ভুলিয়ে সাথী সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে। সম্পত্তির জন্য সে ভয়ংকর হয়ে ওঠে এবং সাথীর কলেজপড়ুয়া ছেলের পেছনে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দেয়।'বীথি ও সাথীর দ্বন্দ্ব নিতান্তই পারিবারিক। পক্ষান্তরে ঘসেটি বেগম ও সিরাজের দ্বন্দ্ব অনেকটা রাজনৈতিক ।'- উক্তিটি যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- সম্রাট আকবরের সভাসদ ছিলেন আবুল ফজল। সম্রাট সাম্রাজ্য পরিচালনার সব বিষয়েই তার সভাসদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। একবার পারস্য সম্রাট আবুল ফজলকে প্রস্তাব দেন যে, 'সে'যদি ভারতবর্ষের নানা গোপনীয় তথ্য পারস্যে পাচার করে, তাহলে তাকে অনেক ধনসম্পদ দেওয়া হবে। আবুল ফজল ঘৃণাভরে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, আমি আমৃত্যু ভারত সম্রাটের হয়ে কাজ করব।উদ্দীপকের আবুল ফজলের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের অমিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- ‘নেমেসিস’ কোন জাতীয় রচনা?
- সালভাদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতাগ্রহণ করে আলেন্দ কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ সরকার দীর্ঘকাল ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে শাসনের নামে চালিয়েছে শোষণের স্টিমরোলার। এ সময় ভারতে স্বাধীনতার দাবিতে দানা বেঁধে ওঠে স্বদেশি আন্দোলন। ভারতবর্ষ জুড়ে তীব্র আন্দোলনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কেঁপে ওঠে। ফলে এ আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য সাম্রাজ্যবাদী সরকার ভারতের অগণিত তরুণ-যুবাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলায়। মৃত্যু অবধারিত জেনেও মুক্ত স্বদেশের স্বপ্নে বিভোর আন্দোলনকারীরা পিছপা হননি। স্বদেশিদের দুর্বার এ সংগ্রামে তেত্রিশ কোটি ভারতবাসীর ছিল অকুণ্ঠ সমর্থন।নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন সেনাপতির মধ্যে উদ্দীপকের চেতনা কীভাবে বিদ্যমান তা বুঝিয়ে লেখো।
- ’কেউ এক চুল নড়লে প্রাণ যাবে।’ সংলাপটি কার?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকষড়যন্ত্রে সপরিবার শাহাদাত বরণ করেন। কিছু বিপথগামীসেনা সদস্য এ কাজে নিয়োজিত ছিল এবং তারাই হাজারবছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মেরে ফেলল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসকরতে পারেননি যে, তাঁকে কেউ মারতে পারে।উদ্দীপকের বিপথগামী সেনা সদস্যদের সঙ্গে‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মিল পাওয়াযায়?