‘জীমূতেন্দ্র' কীসের গর্জন?
A.
বাতাসের
B.
মেঘের
C.
কামানের
D.
সাগরের
সঠিক উত্তরঃ
B.
মেঘের
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সনেটের প্রবর্তক কে?
- মহাকবি হোমারের হেক্টরকে আমরা সত্যিকারেরদেশপ্রেমিক হিসেবে দেখি। 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'কবিতায় উক্ত চরিত্রটি কার প্রতিনিধিত্ব করে?
- নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে মেঘনাদ কোন দেবতার উদ্দেশ্যে পূজা নিবেদন করেছিলেন?
- লক্ষ্মণের মায়ের নাম কী?
- পরশুরামের অস্ত্র কী?
- বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় সৌমিত্রি কে?
- হাজার হাজার সৈন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পুতুলের মত দাঁড়িয়ে থাকে, মোহনলাল ও মীরমর্দান প্রাণপণে যুদ্ধ করেও মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কাছে পরাজিত হয়। ব্রিটিশ সৈন্যরা অনায়াসেই বাংলা দখল করে নেয়। এভাবেই ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার স্বাধীনতার অবসান ঘটে।"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবের সাথে আংশিক সামঞ্জস্যপূর্ণ"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'সনেট' কাব্যরীতির মূল প্রবর্তক কে?
- নিচের কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- 'গুণবান যদি পরজন, গুণহীন স্বজন, তথাপি নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ' উক্তিটি কার?
- বাংলা ভাষায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?
- ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ গ্রন্হটির রচয়িতা কে?
- কোনটি মহাকাব্য?
- নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে মেঘনাদ কোন দেবতার উদ্দেশে পূজা নিবেদন করেছিলেন ?
- কোনটি সনেট ?
- মধুসূদন দত্ত কোন ছন্দ-প্রথা ভেঙে নতুন ভাবে ছন্দ পড়লেন?
- সাদ্দাম হোসেন ইরাকের লৌহমানব ছিলেন। ইরাককে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন। তিনি ন্যাটো বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে দ্বিধা করেননি। যদিও যুদ্ধে হেরেছেন। তারপরও সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। তাঁর যুদ্ধ নিয়ে মতভেদ থাকলেও তিনি পৃথিবীর মানুষকে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছেন মাতৃভূমি রক্ষার জন্য শত্রুর সঙ্গে কোনো আপোস নয়।উদ্দীপকের 'সাদ্দাম' হোসেনের সাথে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় মেঘনাদের চরিত্রটি প্রতিফলিত হয়েছে- স্বীকার কর কী? আলোচনা কর।
- চতুর্দশপদী কবিতাবলীর রচয়িতা কে?
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম পত্রকাব্য রচয়িতা কে?
- কোনটি মধুসূদন দত্তের রচনা নয়?
- কোন বিশেষ ছন্দরীতিকে ভেঙ্গে মধুসূদন অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেন?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' অংশে প্রতি চরণে মাত্রাবিন্যাস কত?
- কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়?
- একসময় ঈশা খাঁর সঙ্গে মানসিংহের যুদ্ধ হয়। রণনিপুণ ঈশা খাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মানসিংহ অসহায় হয়ে পড়েন। ঈশা খাঁ চাইলে এই অবস্থায় মানসিংহকে হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু, বীরযোদ্ধা ঈশা খাঁ তা না করে নিজের কোষ থেকে একখানি ভালো, তলোয়ার বের করে মানসিংহকে উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহবান জানালেন। মানসিংহ ঈশা খাঁর এই মহানুভবতা, ঔদার্য ও বীরধর্মের আদর্শ দেখে মুগ্ধ হলেন এবং যুদ্ধের পরিবর্তে সন্ধি স্থাপনে এগিয়ে এলেন।'উদ্দীপক ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবনা এক নয়।'- মন্তব্যটি বিচার করো।
- কোন কবিতায় ভাবের প্রবাহমানতা আছে কিন্তু চরনান্তের মিল নেই?