ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
ডায়াচৌম্বক পদার্থ: উদাহরণ ও ব্যাখ্যা 🔬
ডায়াচৌম্বক পদার্থ হলো সেইসব পদার্থ যা চৌম্বক ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে ক্ষীণভাবে আকৃষ্ট হয়। অর্থাৎ, এদেরকে চুম্বক দ্বারা সামান্য বিকর্ষণ করা হয়। এদের চৌম্বকীয় ভেদ্যতা (permeability) ১ এর চেয়ে সামান্য কম।
ডায়াচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্যসমূহ 🔍:
- চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা সামান্য বিকর্ষিত হয়।
- কোনো স্থায়ী চৌম্বক মোমেন্ট 🚫 থাকে না।
- চুম্বক সরিয়ে নিলে এদের চৌম্বকত্ব 💨 দূর হয়ে যায়।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে এদের চৌম্বক ধর্মের তেমন কোনো পরিবর্তন হয় না।
উদাহরণ 💧 Cu Sb :
পানি (H₂O), তামা (Cu), অ্যান্টিমনি (Sb) - এই তিনটি পদার্থই ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ। এছাড়াও আরও অনেক পদার্থ রয়েছে। নিচে একটি টেবিলে কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:
| পদার্থের নাম | রাসায়নিক সংকেত |
|---|---|
| পানি | H₂O |
| তামা | Cu |
| অ্যান্টিমনি | Sb |
| সোনা | Au |
| রূপা | Ag |
| মার্কারি | Hg |
| নাইট্রোজেন গ্যাস | N₂ |
ডায়াচৌম্বকত্বের কারণ ⚛️:
ডায়াচৌম্বকত্বের মূল কারণ হলো পরমাণুর মধ্যে ইলেকট্রনের গতির কারণে সৃষ্ট আণবিক চৌম্বক মোমেন্টের অনুপস্থিতি। যখন একটি বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করা হয়, তখন ইলেকট্রনগুলো এমনভাবে নিজেদেরকে সজ্জিত করে যাতে তারা ঐ চৌম্বক ক্ষেত্রের বিরোধিতা করে।
ব্যবহার ক্ষেত্র ⚙️:
- সুপারকন্ডাক্টর তৈরিতে।
- MRI (Magnetic Resonance Imaging) তে ব্যবহার করা হয়।
- কিছু বিশেষ ধরনের সেন্সর তৈরিতে।
আশা করি, ডায়াচৌম্বক পদার্থ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 👍
```