“সিরাজউদ্দৌলা" নাটকটি কতটি অঙ্কে রচিত?
A. সাত
B. ছয়
C. পাঁচ
D. চার
সঠিক উত্তরঃ
D.
চার
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- শেক্সপিয়রের নাটক 'ম্যাকবেথে' রাজা ডানকানকে সেনাপতি ম্যাকবেথ নিমন্ত্রণ করেন। ভোজশেষে রাজা ঘুমাতে গেলে লেডি ম্যাকবেথের প্ররোচনায় নিজে রাজা হওয়ার আশায় ডানকানকে হত্যা করেন ম্যাকবেথ।"অর্থ, ক্ষমতা ও স্বার্থ'-এ তিনই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ষড়যন্ত্র, হত্যা ও হঠকারিতার জনক।"- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক অবলম্বনে এই উক্তির যথার্থতা বিচার করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অঙ্ক সংখ্যা কত?
- পুরানগড়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মাতামুহুরী নদী। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে, তারা এলাকার ধানি জমিগুলোকে ইটভাটা বানিয়ে কৃষি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানোর কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন যজ্ঞে লিপ্ত হয়েছে। এলাকার পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যাবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়মূলক ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের নিকট এর প্রতিকার চায়। কিন্তু, ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই মানবিক বিপর্যয়ও ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র এক ও অভিন্ন।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- 'আমি চিরকালই ইংরেজদের বন্ধু।'- উক্তিটি কার?
- পাকিস্তানি মিলিটারিরা একটি স্কুল ঘরে ক্যাম্প করেছিল। তাদের সাথে কিছু রাজাকারও ছিল। মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার জাভেদের যুদ্ধের নৈপুণ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে থাকা রাজাকারদের পরামর্শে তারা আত্মসমর্পণ করে প্রাণ রক্ষা করল।উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজাকারদের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ওয়ালি খানের তুলনা করো।
- পাকিস্তানি শাসকবর্গ দীর্ঘ চব্বিশ বছর বাঙালিদের উপর শাসন, শোষণ, অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে ও দেশ স্বাধীন করেছে। দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধু বহুবার জেল খেটেছেন। ১৯৭৫ সালে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে দেশপ্রেমিক এ মহান নেতাকে হত্যা করে।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর দেশপ্রেমের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে অধিকতর সঙ্গতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
- “কেউ এক চুল নড়লে প্রাণ যা???ে” উক্তিটি কার ?
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকৃতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের কারণে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের দ্বিতীয় চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে চরিত্রকে নির্দেশ করে তা ব্যাখ্যা করো।
- অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে দেশের জনমানুষ সুসংহত হতে থাকে। সকলে পরাশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার শপথ নেয়। এ সময় কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী ব্যক্তিবর্গ প্রতিপক্ষের সাথে শলাপরামর্শ করে স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। অথচ দেশবিরোধীরা ধর্মগ্রন্থ নিয়ে শপথ করে যে তারা দেশের স্বার্থে ও নেতার পক্ষে কাজ করবে। তাদের মধ্যে আবার কেউ বলে, বাইবেলের কসম আমার জীবন দেশের কল্যাণে উৎসর্গকৃত।'দেশের স্বার্থ তারা জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চায়'- মন্তব্যটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড় লজ্জার কথা।'-উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- ক্লেটন কাদেরকে প্রাণপণে যুদ্ধ করতে বলেন?
- হলওয়েল কে? 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে তার পরিচয় দাও।
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীআমাদের দেশে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। অসংখ্য মানুষেরবাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। মা-বোনদের সম্মানহানি করে এবংব্যাপক গণহত্যা চালায়। হানাদার বাহিনীর অত্যাচার 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ?
- সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে কালী দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ায় শোকার্ত অপর্ণা রাজার কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারিণীর দুঃখ রাজাকে মর্মাহত করে। তিনি রাজ্যে পশুবলি বন্ধ করে দেন। কিন্তু রাজার এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজপুরোহিত রঘুপতি। পৌরহিত্যের দাম্ভিকতা নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তিনি। রাজার অনুজ নক্ষত্ররায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান। রাজা হবার স্বপ্নে বিভোর নক্ষত্ররায়ও রক্তসম্পর্ক ভ্রাতৃপ্রেম ভুলে গিয়ে রাজাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে।"উদ্দীপকের নক্ষত্ররায়ের মতো 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘসেটি বেগমও ক্ষমতালোভী।"- বিশ্লেষণ কর।
- হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তার চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী, মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তার এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া রাস্তায় নেমে আসেন।"সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?" বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- "আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে"- এ উক্তির তাৎপর্য কী?
- কার নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়?
- পলাশি যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে কত হাজার সৈন্য ছিল?
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কী চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়?ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের দ্বিতীয় পঙক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রকে ইঙ্গিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপকের অসাধু ব্যবসায়ী আর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজ বেনিয়াদের চরিত্র অভিন্ন"- এই বিষয়ে তোমার অভিমত আলোচনা করো।
- 'আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই'- উক্তিটি কে, কখন এবং কাকে করেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- সিরাজের কোন সেনাপতি যুদ্ধে প্রথম মৃত্যুবরণ করে?