চোখে তার তেমনি শিকারির সূচাগ্র একাগ্রতা'- বুঝিয়ে লেখো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- "এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড় গাড়া বৃক্ষ।"- ব্যাখ্যা কর।
- তানু বিবির ভাইয়ের নাম কী?
- ছোটোবেলায় নাকে নোলক পরে হলদে শাড়িপেঁচিয়ে ছোটাছুটি করত কে?
- ‘উত্তম পুরুষ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- পীর সাহেবের আগমনে মজিদ চিন্তিত হয়ে পড়ে কেন?
- ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক-শিক্ষকের নাম-
- 'সময়ে-অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়।'- কে মিথ্যা কথা বলে এবং কেন?
- 'যেন বিশাল সূর্যোদয় হয়েছে, আর সে আলোয় প্রদীপের আলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।'- ব্যাখ্যা কর।
- মহববতনগর গ্রামের পার্শ্ববর্তী গ্রামের নাম কি?
- "ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।"- বুঝিয়ে দাও।
- দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর তাজু গ্রামে ফিরে বড় রাস্তারতেঁতুল গাছটির নিচে আস্তানা গড়ে তোলে। তার মাথায় জটলাল লাল চোখ। সে নিজেকে অলৌ???িক পুরুষ বলে পরিচয়দেয়। গ্রামের সরল বিশ্বাসী মূর্খ লোকেরা তার কাছে চিকিৎসা নেয়।অল্পদিনের মধ্যে সম্পদে আর প্রভাবে তাজু ফুলে-ফেঁপেওঠে। তার কাজে সহায়ক হয় প্রভাবশালী গ্রাম্য তরুণ জুলফিকার।তার ভয়ে তাজুর ভণ্ডামির প্রতিবাদ কেউ করে না। 'লালসালু'র মজিদ চরিত্রের যে দিকটি তাজু চরিত্রেস্পষ্ট নয়, তাহলো-
- ‘তানি বুঝি দুলার বাপ।’- 'লালসালু' উপন্যাসে জমিলার এই উক্তি কার প্রসঙ্গে।
- মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।"উদ্দীপকের প্রতিফলিত ইতিবাচক জীবন চেতনা 'লালসালু' উপন্যাসে অনুপস্থিত।"- উক্তিটি পরীক্ষা করো।
- 'তুমি কি হরফ কইরা বলতে পারো তোমার দিলেময়লা নাই?' এ প্রশ্ন কে করেছে?
- 'সে বলে পীর সাহেব সূর্যকে ধরে রাখার ক্ষমতা রাখে।'- উক্তিটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- "সজ্ঞানে না জানলেও তারা একাট্টা, পথ তাদের এক।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'যোগসূত্র হচ্ছে রহিমা'-ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
- "চাঁদের অমাবস্যা' রচিয়তা কে?
- সুমনের সাথে রোমানার বিয়ে হয়েছে দশ বছর। দুজনের সুখের সংসার। সুমনের ধান-চালের ব্যাবসা। জমিজমা অর্থবিত্তও কম নয়। কিন্তু এতদিনেও তারা একজন সন্তানের মুখও দেখল না। সুমন বিদেশে নিয়ে গিয়ে স্ত্রীকে উন্নত চিকিৎসার কথা বললে রোমানা রাজি হয় না। তার ধারণা আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছাতে যেকোনো সময়ই সে মা হতে পারবে। আল্লাহর প্রতি তার অগাধ বিশ্বাস।'উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তুকে ধারণ করেনি।"- উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- 'ধান দিয়া কি হইব, মানুষের জান যদি না থাকে'- এ উক্তি দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে?
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা । সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- আটোয়ারী থানার 'বার আউলিয়া' নামক স্থানে বারোটি মাজার আছে। সেখানে বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ব্যবসা বাণিজ্য। নানারকম ব্যবসার মাঝে কিছু অসাধু ব্যক্তি ধর্মকে আশ্রয় করে মানুষ ঠকানোর কাজ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে নেয়।উদ্দীপকের 'অসাধু ব্যক্তি' লালসালুর কোন চরিত্রটিকে ইঙ্গিত করে, বর্ণনা করো।