'নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিনাশী বর্ণমালা' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় শহরের পথে কী ফুটেছিলো?
- তোমার রাইফেল থেকে বেরিয়ে আসছে-জীবন তুমি দাও থরোথরো দীপ্ত প্রাণ বেয়নেটে নিহত লাশকে তোমার আগমনে প্রাণ পায় মরা গাছ পোড়া প্রজাপতি তোমার পায়ের শব্দে বাংলাদেশে ঘনায় ফাল্গুন ৫৬,০০০ বর্গমাইলের এই বিধ্বস্ত বাগানে এক সুরে গান গেয়ে ওঠে সাত কোটি বিপন্ন কোকিল। [মুক্তিবাহিনীর জন্য- হুমায়ুন আজাদ] 'বাঙালির সংগ্রাম ছিল ধ্বংসের বিরুদ্ধে মানবতার লড়াই।' মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় আবার সালাম নামেরাজপথে’- কেন?
- কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনার রং, কারণ এতে রয়েছে-
- কবিভক্ত কবির কাছে কী শুনতে চেয়েছেন?
- তোমার রাইফেল থেকে বেরিয়ে আসছে-জীবন তুমি দাও থরোথরো দীপ্ত প্রাণ বেয়নেটে নিহত লাশকে তোমার আগমনে প্রাণ পায় মরা গাছ পোড়া প্রজাপতি তোমার পায়ের শব্দে বাংলাদেশে ঘনায় ফাল্গুন ৫৬,০০০ বর্গমাইলের এই বিধ্বস্ত বাগানে এক সুরে গান গেয়ে ওঠে সাত কোটি বিপন্ন কোকিল। [মুক্তিবাহিনীর জন্য- হুমায়ুন আজাদ] 'সারা দেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় লক্ষণীয় বিষয়— বাঙালির সংগ্রামী মানসিকতাবাঙালির স্বাধিকার বোধসংগ্রাম বাঙালির ঐতিহ্যনিচের কোনটি সঠিক?
- ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে কোন চেতনা কাজ করেছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় 'আবার সালাম নামেরাজপথে’– কেন?
- বাঙালি চেতনার বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের পরবর্তী সকল আন্দোলন এ চেতনা থেকে প্রেরণা পেয়েছে।উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষা আন্দোলন 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন আন্দোলনকে প্রেরণাজুগিয়েছিল?
- 'একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং'- এ চরণটি কোন কবিতাভুক্ত?
- "মাগো ওরা বলেসবার কথা কেড়ে নেবেতোমার কোলে শুয়েগল্প শুনতে দেবে না। ”উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাবেপ্রকাশিত হয়েছে—স্বদেশপ্রেমমাতৃভাষা প্রীতিজীবন প্রীতিনিচের কোনটি সঠিক?
- 'কমলবন' কীসের প্রতীক?
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন- শস্য করেছি চাষ;একই হাসিমুখে বাজিয়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস;"উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য।"- বিশ্লেষণ কর।
- কবি শামসুর রাহমান 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় গণ অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী বীর জনতাকে কোন ভাষা শহিদের প্রতীকে তাৎপর্যমণ্ডিত করেছেন?
- ‘একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রং।' এইচরণটির আগের চরণ হল-
- ভাষাশহিদদের 'রক্তের বুদ্বুদ' কোনটি?
- 'তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল' কার কবিতার পঙক্তি?
- 'এ-রঙের বিপরীতে আছে অন্য রং।' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- একটি পতাকার জন্য কত রক্ত চাই।একটি মানচিত্রের জন্য কত অশ্রু চাই।রক্তের বুদ্বুদ ওঠে বিষণ্ণ বাতাসেচির সবুজের দেশে আপ্লুত আমুদে।জলপাই রঙের ট্যাংক বেড়ায় দাপিয়ে,শহরে কী বন্দরে সময়-অসময়।গর্জে উঠেছে সন্তান ভয়হীন সপ্রাণ,বাহুতে কলিজা বেঁধে করেছে সংগ্রাম।"উদ্দীপকের কবি ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবি একই মন্ত্রে দীক্ষিত।" মন্তব্যটির সত্যতা বিচার করো।
- খোকারা সব জেগে ওঠে আঁতকে ওঠে মা লড়াই লড়াই লড়াই শুরু-শহর পাড়া গাঁ বীরের মত রুখে দাঁড়ায় বিজলি হয়ে ছোটে মারের চোটে বর্গিরা সব ধুলো কাদায় লোটে উদ্দীপকের বর্গিরা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোনটির সাথে সংগতিপূর্ণ?
- "এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট,"- কোন রঙে, কেন? ব্যাখ্যা কর।
- থরে থরে কৃষ্ণচূড়া কোথায় ফুটেছে?
- কোনটি শামসুর রাহমানের রচনা নয়?