'ইংরেজদের হয়ে যুদ্ধ করছি কোম্পানির টাকার জন্য।
তা বলে বাঙালি কাপুরুষ নয়।'- ওয়ালি খানের এই
উক্তিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
A.
দেশপ্রেম
B.
কৃতজ্ঞতা
C.
জাতীয়তাবোধ
D.
সাহস
সঠিক উত্তরঃ
C.
জাতীয়তাবোধ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। একটা সময় তিতুমীর পরাজিত হন এবং তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ইংরেজরা হত্যা করে। তিতুমীরের এ লড়াই ব্যর্থ মনে হলেও ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে সুদূরপ্রসারী অবদান রেখেছে। তাই তিতুমীর আমাদের কাছে অমর, অক্ষয়, মাতৃভূমির অতন্দ্র প্রহরী।উদ্দীপকের তিতুমীর চরিত্রকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাউদ্দৌলা চরিত্রের সঙ্গে তুলনা কর।
- 'ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন? - সিরাজউদ্দৌলার এই উক্তি কার প্রতি।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রনির্ভর নাটক রচনা করেন কে?
- ‘ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়' এটি কার সংলাপ?
- কখন জনগণের মঙ্গল হওয়ার চেয়ে অমঙ্গলই বেশি হয়?শাসকরা যখন শোষক হয়স্বৈরাচার যখন জেঁকে বসেআমলাতন্ত্রের দৌরাত্ম্য যখন বেড়ে যায়নিচের কোনটি সঠিক?
- মোদাচ্ছের পীরের মাজারকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- দিল্লির সুলতান ইলতুৎমিশ তাঁর কন্যা রাজিয়া সুলতানাকে প্রাণাধিক ভালোবাসতেন। কোনো প্রয়োজনে যখন সুলতান ইলতুৎমিশকে রাজধানী ছাড়তে হতো, তিনি তখন তার কন্যা দক্ষ সেনাপতি ও প্রশাসক রাজিয়াকে শাসনভার বুঝিয়ে দিয়ে যেতেন। পুত্র বর্তমান থাকা সত্ত্বেও সুলতান তার কন্যা রাজিয়াকে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করেন। এতে রাজিয়ার ভাইয়েরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বহিরাগত শত্রুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজিয়াকে হত্যা করে।'সুলতানা রাজিয়া ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরিণাম একসূত্রে গাঁথা।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণপূর্বক তোমার মতামত দাও।
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'- এই উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য।'- কথাটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- মনসুর, অপু, তাহেরসহ মোট বারোজন মিলে নিজেদেরউন্নতির জন্য একটি সমিতি গঠনে করে। সবাই প্রতি মাসেপাঁচশ টাকা করে তাহেরের কাছে জমা রাখে। কিছুদিন পরতাহের সব টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয়দৃশ্যের ঘটনাগুলো সংঘটনের স্থান কোনটি?
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো ?'কে কাকে এ কথা বলেছেন ?
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই 'পালায়'-ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে।'- এ উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- 'কত বড়ো শক্তি, তবু কত তুচ্ছ।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'এতক্ষণে-অরিন্দম কহিলা বিষাদে-'জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিলরক্ষঃপুরে। হায়, তাত, উচিত কি তবএ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভকুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী।নিজ গৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?'উদ্দীপকের তস্কর 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- জামালপুর জেলায় মেলান্দহ উপজেলার একটি নদী কাটাখালী। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা এলাকার ধানী জমিগুলোতে ইটভাটা বসিয়ে কৃষি- উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানার কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন করে যাচ্ছে। এলাকায় পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়কর ও ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের কাছে এসবের প্রতিকার চায়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই এলাকায় মানবিক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।উদ্দীপকের পরিবেশবাদীদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের আদর্শিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
- 'নবাব আলীবর্দী ইন্তেকাল করার আগের দিন থেকেই পোশাকটা তৈরি।'- জগৎশঠের এমন মন্তব্যের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে।'- উক্তিটি কার?
- জমিদার কান্ত রায়ের মৃত্যুর পর একমাত্র পুত্র হীরক রায়জমিদারি লাভ করেন। হীরক রায় বয়সে তরুণ ও সরলপ্রকৃতির মানুষ। সরলতার সুযোগ নিয়ে কাকা তপন রায়অমাত্যদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। টের পেয়েহীরক রায় কঠোর হস্তে সে ষড়যন্ত্র দমন করেন।হীরক রায়ের অমাত্যদের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে?
- মোহনলাল কে?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার আত্মীয়স্বজন, পর্যন্ত তার বিরুদ্ধাচরণ করে। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এই ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করতে পেরেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পারেননি। পলাশির যুদ্ধে তিনি যেমন প্রতারিত হয়েছিলেন তেমনি ভাগ্য তার বিরুদ্ধে ছিল।উদ্দীপকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার যে সফলতার ইঙ্গিত রয়েছে তা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যের সাথে। মিলিয়ে ব্যাখ্যা করো।
- মহাকবি বাল্মীকির 'রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির প্রতিভূ। রামায়ন্ত্রে কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজান মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মেঘনাদ' চরিত্রটি তাঁর এক অসাধারণ সৃষ্টি। সীমাহীন দেশপ্রেম ও অসাধারণ বীরত্ব সত্ত্বেও গৃহশত্রু বিভীষণের কারণে তাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। মেঘনাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে রাম-রাবণ যুদ্ধে বিজয় সূচিত হয় আর্যশক্তির।"উদ্দীপকের মেঘনাদ এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজ চরিত্র দেশপ্রেমের এক অনুপম প্রতীক।"- বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যস্থান কোনটি?
- আসল চিঠি গায়েব করেছে কে?