"বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লিমায়ের কোল,
ঝাউশাখে সেথা বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল,
কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচাপাকা কুল খেয়ে,
অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালি মেয়ে।"
উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' 'কবিতার মূলসূর প্রতিফলিত হয়েছে কি? তোমার মতামত দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিতে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয়ে কেন?
- 'কহিল সে সুদূরে চাহিয়া' পরের চরণ কোনটি?
- 'কুহেলি উত্তরী' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।উদ্দীপকের রতনের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির মিল কোথায়? যুক্তি দাও।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে আছে তাহার জন্য। উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের মিল পাওয়া যায়?রিক্ততার হাহাকারদুঃসহ বিষণ্ণতাউদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।উদ্দীপকের জামিরের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- 'সারাদেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা।'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী'-শব্দের অর্থ কী?
- বসন্তের আগমন সত্ত্বেও কবির নীরব ভূমিকা পালনের কারণ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার কথা মনে পড়ে?
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।"প্রিয়জনের বিয়োগব্যথা আমাদের আনন্দ-আয়োজনের গতি ভিন্ন পথে ধাবিত করতে পারে।"- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা ও উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়'— এচরণটিতে ‘নীরব কেন' বলতে কবির কেমন অবস্থাবোঝায়?
- 'মাঘের সন্ন্যাসী' কোথায় চলে গিয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন ঋতুর উল্লেখ আছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- কোনটি বেগম সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থ নয়?
- সুফিয়া কামালের পৈতৃক নিবাস কোথায় ?
- ’জননী সাহসিকা’ কাকে বলা হয়-
- (i) তোমাকে যে ভালোবাসি এ কথা বাতাসেও জেনেছেএই বার্তা মুখে করে প্রভাময়ী আলো নিয়ে যায়আমাদের প্রেমের রূপে নীলবর্ণ আকাশ টাঙ্গায়দিকে দিকে জাগে ভোর, বনভূমে পাখিরা সেজেছে।(ii) তুমি চলে গেছ কত যুগ কত বছর?এইমাত্র সমুখে ছিলে, পাত্রে জল কাঁপছে এখনোযেন কোনো এক স্বপ্নঘেরা বাগানে লুকানোতোমার প্রেমের রূপ, প্রতিশ্রুতি, মিথ্যের শব্দবহর।উদ্দীপকের (ii) অংশের, সঙ্গে সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।
- চারদিকে ভীষণ কুয়াশা। অমিতের 'আজ লেখার ইচ্ছে নেই।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার' কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- রত্নার সন্তানটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন 'অটিস্টিক'। স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুর পর সে গার্মেন্টস-এ কাজ নেয়। রত্নার মা ছেলের দেখাশোনা করে। হঠাৎ একদিন রত্নার বাকশক্তিহীন ছেলেটি কোথাও চলে যায়। পাগলপ্রায় রত্না সবকিছু ছেড়ে তার হারানো ছেলেকে খুঁজে চলেছে।উদ্দীপকের সঙ্গে কবিতার ভাবগত সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মর্মবাণীকে পুরোপুরি ধারণ না করলেও আত্মত্যাগ ও অধিকার আদায়ের কথাই বলে।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।