মানুষের রক্তে গ্যামিটোসাইট সর্বোচ্চ কতদিন বাঁচে?
A. ১৪ দিন
B. ১২ দিন
C. ১০ দিন
D. ৭ দিন
সঠিক উত্তরঃ
D.
৭ দিন
Explanation: [আবুল হাসান স্যার: সংস্করণ-২০২২, পৃষ্ঠা-১৮২]
Related Questions (Any University/Year)
- X' ও 'Y' উভয়ই জ্বরে আক্রান্ত হলেও প্রকাশিত লক্ষণ ভিন্ন। 'X' এর প্রচণ্ড মাথা ব্যথাসহ অস্থি সন্ধিতে ব্যথা এবং চামড়ায় লাল র্যাশ দেখা যাচ্ছে। 'Y' এর কাঁপুনিসহ জ্বর, বমি বমি ভাব ও রক্তস্বল্পতা দেখা দিয়েছে।'X' যে জ্বরে আক্রান্ত সেই জীবাণুটিকে জীব ও জড়ের যোগসূত্র বলা হয় বিশ্লেষণ করো।
- নিচের কোনটি হেপাটিক সাইজোগনির জন্য সত্য?
- লোহিত রক্তকণিকায় ম্যালেরিয়া জীবাণুর অযৌন চক্রের সর্বশেষ ধাপ-
- ম্যালেরিয়া কি?
- মানুষের রক্তে গ্যামিটোসাইট সর্বোচ্চ কতদিন বাঁচে?
- ম্যালেরিয়া রোগের জন্য দায়ী-
- এনোফিলিস মশা কামড়ের সময় ম্যালেরিয়া পরজীবী যে ধাপটি মানুষের শরীরে ঢুকায়-
- কোন পরজীবী দ্বারা ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়া হয়?
- প্লাসমোডিয়াম এর কোন পর্যায় মানুষকে সংক্রমিত করে?
- ম্যালেরিয়া পরজীবির জীবন চক্রের প্রথম কোন ধাপে হিমোজয়েন নামক বর্জ্য পদার্থ জমা হয়?
- তীর দ্বারা চিহ্নিত বিন্দুটি কী?
- মেরোজাইগোট বলতে কী বোঝায়?
- A- ভাইরাস B- ব্যাকটেরিয়াC- ম্যালেরিয়ার জীবাণুউদ্দীপকের তৃতীয় অণুজীবটির জনুক্রম ব্যাখ্যা করো।
- What is the incubation period of P.falciparum?
- প্লাজমোডিয়ামের জীবনে এক্সফ্ল্যাজেলেশন ঘটে--
- ম্যালেরিয়া জীবাণুর ডিপ্লয়েড দশা -ট্রফোজয়েটউওকিনেটউওসাইটনিচের কোনটি সঠিক?
- মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়ার জীবাণুর প্রথম দশাটির নাম কী?
- নিচের কোন দশাটি মশকীয় লালাগ্রন্থি থেকে মানবদেহে প্রবেশ করে?
- উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি বেশি মাত্রায় সংঘটিত হলেপাইরিজেন ক্ষরিত হয় RBC বৃদ্ধি পায়যকৃত কোষ মারা যায়নিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটির আক্রমণে ম্যালেরিয়া হয়?
- শিক্ষক ক্লাসে একটা অনুজীব নিয়ে কথা বলেন, যার জীবন চক্র সম্পন্ন করতে একটি মেরুদণ্ডী ও একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণীর প্রয়োজন। পরজীবিটির আক্রমনে মেরুদণ্ডী প্রাণীর কাঁপুনি সহ জ্বর আসে। উদ্দীপকের উল্লিখিত অনুজীব টির আক্রমনে মেরুদণ্ডী প্রাণীর শরীরে কাঁপুনি সহ জ্বর আসে যে দশায় সেই দশাটি চিত্র সহ বর্ণনা করো।
- মানুষের কোন অংশে ম্যালেরিয়া পরজীবীর (P. Vivax) সাইজোগনি প্রজনন ঘটে?
- জীববিজ্ঞানের ক্লাসে মোমেন স্যার ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের চিত্র অংকন করলেন। তিনি বললেন, জীবনচক্রের একটি দশায় হিমোজয়েন তৈরি হয়।উদ্দীপকে উল্লিখিত জীবনচক্রে পোষকের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।
- সম্প্রতি সারা বিশ্ব এক ভয়াবহ মহামারীর সম্মুখীন হয়েছিল। অতি ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র জৈবিক সত্ত্বা এই শ্বসনতন্ত্রজনিত রোগের কারণ। তবে পৃথিবীতে এমন মহামারী বহুবার হয়েছে। ১৮১৭ সালে আদিকোষী এক অণুজীবের সংক্রমণে এক মহামারী হয়েছিল, সেই রোগের লক্ষণগুলো অনেকটা ডায়রিয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ছিল। উদ্দীপকের শেষ অণুজীব প্রজাতিটির তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
- প্রোটোজোয়া পর্বের একটি অণুজীব মানুষের দেহের রক্ত ও যকৃতে অযৌন এবং মশকীর দেহে যৌন প্রজনন সম্পন্ন করে। মানবদেহে অযৌন প্রজননের ফলে জীবাণুর যে সংখ্যাধিক্য ঘটে তা এক ধরনের জ্বর রোগের জন্য দায়ী। এক্ষেত্রে গৌন এবং মুখ্য উভয় পোষক উক্ত অণুজীবের প্রজনন ও বংশবিস্তারের জন্য আবশ্যক।উদ্দীপকের গৌন পোষকের রক্তে যে প্রজনন ঘটে তা শুধুমাত্র চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধর।