বিত্তশালী আশিক চৌধুরী তার একমাত্র সন্তান জামিল
চৌধুরী ও সম্পদের দেখাশোনার জন্য নাসির মিয়াকে
পরিবারের একজনের মতোই স্থান দেন। কিন্তু চৌধুরী
সাহেবের মৃত্যুর পরে নাসির মিয়া সম্পদের লোভে ঘুমন্ত
জামিল চৌধুরীকে হত্যা করে।
উদ্দীপকের নাসির মিয়ার সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা'
নাটকের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে-
A.
মিরজাফর
B.
উমিচাঁদ
C.
মোহাম্মদি বেগ
D.
ঘসেটি বেগম
সঠিক উত্তরঃ
C.
মোহাম্মদি বেগ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান'। পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা, সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট সাজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটির শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট সাজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'সাজাহান'।
- রোমের একচ্ছত্র অধিপতি জুলিয়াস সিজার। তাঁর সিনেটরয়া ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাসও এই হীন চক্রান্তে যোগ - দেয়। সিনেটে নৃশংসভাবে নিহত হন সিজার। মৃত্যুকালে বন্ধু ব্রুটাসের হাতেও উদ্যত ছুরি দেখে - বিস্মিত সিজার বলে ওঠেন, 'ব্রুটাস, তুমিও!'উদ্দীপকের জুলিয়াস সিজার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়? বুঝিয়ে দাও।
- ঘসেটি বেগম কাকে সাপিনী বলেছেন?
- চিকিৎসক আসগর আলীর কাছে অর্থের প্রয়োজনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রোগী দেখার আগেই পরামর্শ ফি নেন। আপন-পর কিংবা আর্তমানবতা তাঁর কাছে মূল্যহীন।এরূপ সাদৃশ্যের কারণ- রাজ অমাত্যদের অর্থলিপ্সাক্ষমতায় যাওয়ার জন্য অর্থ প্রয়োজনরাজকর্মচারীদের হীনম্মন্যতানিচের কোনটি সঠিক?
- যিশুর খুবই কাছের সহচর ছিল জুডাস। একদিন জুডাসমাত্র ৩০. রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে যিশুকে রোমান সৈন্যদের হাতে ধরিয়ে দিতে সহায়তা করে। উদ্দীপকের জুডাসের কর্মকান্ডটি সিরাজউদ্দোলা চরিত্র??র সাথে অত্যধিক মিল আছে?
- ‘আপনাকে আমরা মায়ের মতো ভালোবাসি।’ -ঘসেটি বেগমকে উদ্দেশ্য করে এ কথাটি বলেছিল-
- 'নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই।"- ক্লাইভের এ কথার অর্থ কী?
- 'নবাব মসনদের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। ইনি কিনবাব না ফকির।'— এ কথার মধ্য দিয়ে মিরজাফরচরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়েছে?
- 'ভিক্টরি অর ডেথ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- মহাকবি বাল্মীকির "রামায়ণ' এক অর্থে আর্য ও অনার্য সংস্কৃতির ভাষিক রূপ। রামায়ণের কাহিনিকে নব আঙ্গিকে ঢেলে সাজিয়েছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। রাবণ চরিত্র তাঁর অনন্য সৃষ্টি। রাবণ দেশপ্রেমিক ও অসাধারণ এক বীর। সহোদর বিভীষণ বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী। বহিঃশক্তি রাম-লক্ষ্মণ তার দোসর। তার দেখানো পথেই লক্ষ্মণ রাবণপুত্র নিরস্ত্র মেঘনাদকে হত্যা করে বিভীষণের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধে রাবণকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় এবং বিজয় সূচিত হয় বহিঃশক্তির।'বিশ্বাসঘাতকতাই রাবণ ও সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মূল কারণ।'-'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতার নাম পরিবর্তন করে কী নাম রাখলেন?
- রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী?
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- নবাবের কোনো ক্ষমতা নেই।'- ক্লাইভের এ কথার অর্থ কী?
- রক্ত ঝরেঅগ্নির মতো বাঁশের কেল্লা বেদির পরেরক্ত ঝরাই ফাঁসির মঞ্চে দীপান্তরেঝরেছে সকল রক্ত। এখন কখানা হাড়েঝকঝক করে তীব্র তীক্ষ্ণ বর্শা-ফলানতুন দস্যু আসে যদি, দেশ দেবো না তারেইস্পাত হাড়ে গড়েছি বজ্র বহ্নি-জ্বালা।উদ্দীপকের 'বাঁশের কেল্লা' আর পলাশীর আম্রকানন কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ?
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'বিষয়বস্তুর দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- সন্তানতুল্য ছাগশিশুকে কালী দেবীর মন্দিরে বলি দেওয়ায় শোকার্ত অপর্ণা রাজার কাছে বিচারপ্রার্থী হয়। সন্তানহারা ভিখারিণীর দুঃখ রাজাকে মর্মাহত করে। তিনি রাজ্যে পশুবলি বন্ধ করে দেন। কিন্তু রাজার এ আদেশ মেনে নিতে পারে না রাজপুরোহিত রঘুপতি। পৌরহিত্যের দাম্ভিকতা নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তিনি। রাজার অনুজ নক্ষত্ররায়কে রাজ্যলোভে বশ করে রাজাকে হত্যা করতে রাজি করান। রাজা হবার স্বপ্নে বিভোর নক্ষত্ররায়ও রক্তসম্পর্ক ভ্রাতৃপ্রেম ভুলে গিয়ে রাজাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে।উদ্দীপকের রঘুপতির সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ইংরেজদের সাদৃশ্য দেখাও।
- ধনকুবের উত্তম দেবনাথ তার চাচাতো ভাইয়ের ষড়যন্ত্রে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। সরল মনের মানুষ উত্তম দেবনাথ তাঁর ভাইকে বিশ্বাস করে ঠকেছেন। তিনি পুলিশের ভয়ে চোরের মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁর স্ত্রী মাধবী ছোটো সন্তান নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঘোরেন। তার স্বামীর যখন এ দুরবস্থা, তখন তার কীসের অহংকার, কীসের কষ্ট।উদ্দীপকের মাধবী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লুৎফা কোন দিক দিয়ে অভিন্ন? ব্যাখ্যা করো।বিশ্লেষণ করো।
- 'শুধুই অপমান নেই আমার'- এ উক্তির মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে সিরাজউদ্দৌলার-
- রহিম গাজীর খুব কাছের লোক ছিল শিহাব উদ্দীন। সে তাকে বিশ্বাস করে তার জমিজমা দেখাশোনার ভার দেয়। কিন্তু একদিন রহিম গাজী দেখে তার সম্পত্তি শিহাব উদ্দীনের নামে হয়ে আছে। সে ভাবল এত দিন সে ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছে। বিশ্বাস করা ভালো, কিন্তু অন্ধবিশ্বাস কখনো কখনো মানুষকে সর্বনাশ করে ফেলে।উদ্দীপকের শিহাব উদ্দীন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? যুক্তিসহ বুঝিয়ে লেখো।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ও দেশের কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ পাকহানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তাদের একজন সোবহান মুন্সী। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলার সাক্ষী দবির বলেন, এই সোবহান মুন্সীই পাকহানাদার বাহিনীকে তাদের গ্রামে আনে এবং সে তার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে।"উদ্দীপকের সোবহান মুন্সী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মীরজাফর চরিত্র যেন একই সূত্রে গাঁথা।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।উদ্দীপকের রাজাকার ও কমান্ডার 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ- বিশ্লেষণ করো।
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।