"বায়ান্নর দিনগুলো" কী ধরনের রচনা?
A. প্রবন্ধ
B. ছোট গল্প
C. স্মৃতি কল্প
D. রম্যরচনা
সঠিক উত্তরঃ
C.
স্মৃতি কল্প
Explanation:
'বায়ান্নোর দিনগুলো' রচনায় ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধুর জেলজীবন ও জেল থেকে মুক্তিলাভের স্মৃতি বিবৃত হয়েছে। তৎকালীন পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর তাপশাষন ও বিনা বিচারে বৎসরের পর বৎসর রাজবন্দিদের কারাগারে আটক রাখার প্রতিবাদে ১৯৫২ সালে লেখক অনশন ধর্মঘট করেন। স্মৃতিচারণে ব্যক্ত হয়েছে অনশনকালে জেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা ও আচরণ, নেতাকর্মীদের সাথে সাক্ষাৎ ও তাদের কাছে বার্তা পৌঁছানোর নানা কৌশল ইত্যাদি।
Related Questions (Any University/Year)
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে বর্ণিত ঘটনাবলীর ব্যাপ্তি কোন পর্যন্ত ?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'জুলিও কুরি' পদক পান কত সালে?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হার্টের অবস্থা খারাপের জন্য কী হয়?
- সঠিকভাবে উপমা ব্যবহার না করলে বাক্য যা হরায়-
- ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি কারাবন্দি শেখ মুজিবুর রহমান কোন জেলে বন্দি ছিলেন?
- "ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।"- কেন, ব্যাখ্যা কর।
- কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ-
- 'যদি তারে নাই চিনি গো , সে কি আমার নেবে চিনে।' কোন ধরনের বাক্য?
- কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন মেন্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। জেলখানায় বসেই তিনি বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশনকরেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি বিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন।"নেলসন মেন্ডেলার আন্দোলন ছিল বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আর 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় শেখ মুজিবুর রহমানের আন্দোলন ছিল জাতি-সত্তার পক্ষে"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- স্বাধিকার আন্দোলনের সময় এদেশের মানুষ 'জয় বাংলা','বীরবাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো' স্লোগানেশহর-বন্দর-গ্রাম আন্দোলিত করে তোলে।'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উল্লিখিত সাদৃশ্যপূর্ণস্লোগানগুলো হলো- রাজবন্দিদের মুক্তি চাই পদ্মা মেঘনা যমুনা, তোমার আমার ঠিকানাবাঙালিদের শোষণ করা চলবে নানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ কার লেখা?
- ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রতিবাদস্বরূপ মিছিল-মিটিং করে বিভিন্ন জায়গায়। ছাত্রদের মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে নূরুল হক নামে একজন। ছাত্র শহিদ হন।উদ্দীপকে পুলিশের-আচরণ 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার পুলিশের কোন আচরণকে নির্দেশ করে?
- 'আমলাতন্ত্র তাকে কোথায় নিয়ে গেল।'- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় এ উক্তিতে কার কথা বলা হয়েছে?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় কথকের সত্তায় কী লক্ষ করা যায়?
- ১৯৬১ সালে আলজেরিয়ায় যখন স্বাধীনতা সংগ্রামের ঢেউ তুঙ্গে, তখন রাজপথে • প্রতিবাদকারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ফরাসি পুলিশ- চালিয়েছিল নির্মম গণহত্যা। প্রায়ই জঙ্গলে, নদীতে, খালেবিলে পাওয়া যেত প্রতিবাদকারীদের লাশ। পনেরো বছরের কিশোরী ফাতিমা বেদার ওই সংগ্রামে জীবন দিয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ফাতিমাকে হত্যা করায় আন্দোলন আরো তীব্র হয়। দলে দলে নারী ও শিশুরা জড়ো হয় প্রতিবাদ সমাবেশে। ফাতিমা বেদারদের রক্তের বিনিময়ে আলজেরিয়া ফ্রান্সের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়।উদ্দীপকের ফাতিমা বেদার-এর সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বাঙালি তরুণদের রক্ত দেওয়ার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি তুলে ধরো।
- ভাষাসৈনিকের শহিদ হওয়ার খবর বঙ্গবন্ধু কীভাবেপেয়েছিলেন?
- নেলসন ম্যান্ডেল একজন দেশপ্রেমিক নেতা। দেশের জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের দীর্ঘ সময়, জেল খেটেছেন। কিন্তু কখনো তিন্নি কারো কাছে মাথা নত করেননি। উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাংশের কোন চরিত্রের মিল আছে?
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
- 'রুগণ' বিশেষণের বিশেষ্য রূপ-
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'। বাণীটি কার?
- কখন জনগণের মঙ্গল হওয়ার চেয়ে অমঙ্গলই বেশি হয়- শাসকরা যখন শোষক হয় স্বৈরাচার যখন জেঁকে বসে আমলাতন্ত্রের দৌরাত্ম্য যখন বেড়ে যায়নিচের কোনটি সঠিক?
- 'রেইনকোট' গল্পে সর্দার গোছের রাজাকার কে?
- আমাদের ২১শে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাদিবস হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত । ভাষাআন্দোলন আমাদের জাতিসত্তা ও ভাষাকে আন্তর্জাতিক,মর্যাদায় ভূষিত করেছে।ভাষা আন্দোলনে বাঙালির প্রেরণা ছিল- জাতীয়তাবাদআত্মমর্যাদাবোধআত্মবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- মিছিলটা তখন মেডিকেলের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের কাছাকাছি এসে গেছে। তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিলো। আর তপুর হাতে ছিলো একটা মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপর লালকালিতে লেখা ছিলো, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছুতে অকস্মাৎ আমাদের সামনের লোকগুলো চিৎকার করে পালাতে লাগলো চারপাশে। ব্যাপারটা কী বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।উদ্দীপকে গল্পকথকের জবানীতে বর্ণিত মহান একুশের ভাষাচিত্রটির সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটির কথক ও কাহিনীর ভিন্নতাও রয়েছে।- তোমার মতামতসহ মন্তব্যটি যাচাই কর।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বিরচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্প কথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল। তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছাতেই মিলিটারিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।উদ্দীপকের ঘটনার সঙ্গে 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনার কোন ঘটনার মিল রয়েছে? আলোচনা করো।