“কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
A. শেখ ফজলল করিম
B. মোজাম্মেল হক
C. মোহিতলাল মজুমদার
D. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তরঃ
A.
শেখ ফজলল করিম
Explanation: উক্ত কবিতাংশটুকু বিখ্যাত কবি শেখ ফজলল করিমের (১৮৮২ – ১৯৩৬) ‘স্বর্গ ও নরক’ কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। এই বিখ্যাত কবিকে নদীয়ার সাহিত্য সভা ‘সাহিত্যবিশারদ’ উপাধি দিয়েছিল।
Related Questions (Any University/Year)
- “নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, আসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। " কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’-উক্তিটি কার?
- ‘কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?’ – কার লেখা?
- ‘বৈরাগ্য সাধনে– সে আমার নয়।’ শূন্যস্থান পূরণ করুন।
- "কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ নরক - মানুষেতে সুরাসুর।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- "বাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কি করিয়া মিলন হল দোঁহে,কি ছিল বিধাতার মনে।” কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
- "সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপর নাই "- উক্তি টি কার
- “এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি” পংক্তির রচয়িতা কে?
- “খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে, কী ছিল বিধাতার মনে । ”-পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ কার রচিত পঙ্ক্তি?
- “হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;-তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণপরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।”এ পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
- 'মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয় , আত্মিকও' - কোন লেখকের উক্তি?
- 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন' উক্তিটি কার?
- 'প্রীতি প্রেমের পুন্য বাঁধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গ আসিয়া দঁড়ায় তখন আমাদের কুড়ে ঘরে’ । চরণ দুটির রচয়িতা-
- 'আমি কমবক্তার দলে।'– উক্তিটি করেছেন?
- 'ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি, আমার দেশের মাটি' পক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান’ -পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- 'যা তার প্রাপ্তি তা-ই তার দান।' উক্তিটি কোন লেখকের ও কোন রচনার?
- “গাহি সাম্যের গান -মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান”-পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘মধুর চেয়েও আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি’। -কবিতার এই অংশ বিশেষের রচয়িতা-
- ‘বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার, ঐ হল পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার।’ – এই উদ্ধৃাতাংশটি কোন কবির রচনা?
- ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ এই উক্তিটি কার?
- “আমি শুনে হাসি, আখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে। পক্তিটির রচয়িতা কে?
- “আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়”! পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’ চরণ দুটির রচয়িতা কে?