নিচের কোন জন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন?
A. দৌলত উজির বাহরাম খাঁ
B. সাবিরিদ খাঁ
C. সৈয়দ সুলতান
D. সৈয়দ নূরুদ্দীন
সঠিক উত্তরঃ
D.
সৈয়দ নূরুদ্দীন
Explanation: সৈয়দ নূরুদ্দীন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন। তিনি মধ্যযুগীয় ধর্ম সাহিত্যের কবি। তার কাব্যগুলো হলো দাকায়েফুল হেকায়েক, কেয়ামতনামা ইত্যাদি।
Related Questions (Any University/Year)
- গোপন ও নীরব সাধনা কার মধ্যে অভিব্যক্ত?
- বাংলাদেশের কোন গবেষক গবেষণনা ও সাহিত্য রচনায় ভারত সরকারের 'পদ্মভূষণ' উপাধি পেয়ছেন?
- ‘রাইফেল রোটি আওরাত' গ্রন্থটি কে রচনা করেন?
- নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক বলেছেন কে?
- আব্দুল করিম আমলাগাছী গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক। দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে সে মাঠে ফসল ফলায়। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল ফলালেও সংসার ঠিকমতো চালাতে পারে না সে। পরিবারের সকলের চাহিদা মেটানো তার পক্ষে সম্ভব হয় না। এত পরিশ্রম করেও নুন আনতে পানতা ফুরানোর মতো অবস্থা তার।উদ্দীপকের সাথে 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ছোটদের বড়দের সকলের, গরীবের নিঃস্বের ফকিরেরআমার দেশ সব মানুষের, সব মানুষের।নেই ভেদাভেদ হেথা চাষা আর চামারে,নেই ভেদাভেদ হেথা কুলি আর কামারে।।হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, দেশমাতা এক সকলের।উদ্দীপকটি 'সাম্যবাদী' কবিতার কোন দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- শ্রম-কিণাঙ্ক-কঠিন, ধন্য-শ্বাপদ-সঙ্কুল’- এই সমাসবদ্ধ শব্দ দুটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- 'মুগ্ধ মরণ বাঁকে বাঁকে'- বুঝিয়ে লেখো।
- রবীন্দ্রনাথ ঐকতান বলতে বুঝিয়েছেন-
- নদী কভু পান নাহি, করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায়, নিজ নিজ ফল।গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে, পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজ রূপে, অপরে শোভিতবংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মইয়া নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য্য শুধু পরহিত তরে।উদ্দীপকের মর্মার্থ 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ করো।
- 'রক্তে আমার অনাদি অস্থি' কবিতার মূল প্রতিপাদ্যবিষয় কী?
- 'মহাজাগতিক কিউরেটর' প্রবন্ধে বর্ণিত কাদের দেহেরতাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত নয়?
- 'ঐকতান 'কবিতায় 'জীবনে জীবন যোগ করা' বলতে কোন বিষয়টি বুঝাতে চেয়েছেন কবি?
- 'মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ' কোন গ্রন্থের উক্তি?
- মতলবপুর গ্রামে সুসজ্জিত স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, খেলার মাঠ, সোনাফলা ফসলি জমি-সবই আছে কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসা বা স্কুল-কলেজের শিক্ষা গ্রহণের জন্য যে আর্থিক সামর্থ্যের প্রয়োজন তা গ্রামের অধিকাংশ মানুষেরই নেই। ফসলি জমির ফসল ওঠে কয়েকটি ভূ-স্বামী পরিবারের গোলায়। তাই অর্ধাহারে, অশিক্ষায় আর চিকিৎসাহীনতায় মানবেতর জীবনযাপন করে মতলবপুর গ্রামের আশি ভাগ মানুষ। বাইরে থেকে দেখলে যে গ্রামকে আদর্শ মনে হয় নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভেসে ওঠে সে গ্রামের বঞ্চিত গ্রামবাসীর অসহায় মুখচ্ছবি।"উদ্দীপকে 'বিড়াল' প্রবন্ধের আংশিক বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে।"- বাক্যটির তাৎপর্য লেখ।
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মতে সভ্যতার সঙ্গেদারিদ্র্য বৃদ্ধির কারণ কী?
- "মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিক"- ব্যাখ্যা করো।
- কবির জন্মভূমির মতো এত সুন্দর ভূমি খুঁজে পাওয়া যাবে না কেন?
- সৈয়দ মুজতবা আলীর 'বই কেনা' রচনাটি?
- শিশির চরিত্রটির প্রকৃত নাম কী?
- নিদাঘ শব্দের অর্থ কী?
- 'চেয়ে দেখি' সমুদ্রগভীর জনতা ধীরে ধীরে চলতে শুরু করেছে। ' -- বাক্যটির রচয়িতা
- ‘জীবন-বন্দনা’ নজরুলের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতা?
- ‘মায়াবী প্রহর’ নাটকটি কার রচনা?
- পৃথিবীর প্রথম জাদুঘর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?