জনাব নুরুল ইসলাম একজন শিল্পপতি। দীর্ঘকাল পর তিনি নিজ গ্রামে এসে দেখেন, এখানকার মানুষ এখনও দুঃখদুর্দশা আর অভাব-অনটনে জর্জরিত। তাই তিনি মনিস্থর করেন যে, গ্রামে একটি ফ্যাক্টরি স্থাপন করবেন। এতে মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু গ্রামের চেয়ারম্যান তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, বেকার লোকেরা কর্মজীবী হয়ে গেলে তাদেরকে আর মিটিং-মিছিলে ব্যবহার করা যাবে না।
উদ্দীপকের শিল্পপতির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?। ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মতিয়ার হঠাৎ ধার্মিক হয়ে উঠেছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সে মসজিদে জামাতের সঙ্গে পড়ে। পোশাকের পরিবর্তন হয়েছে। সে এখন পাজামা পাঞ্জাবী পরে। মুখ ভর্তি দাড়ি রেখেছে। মসজিদের ইমাম সাহেবের ফতোয়া মোতাবেক একদিন হঠাৎ বাড়ী ফিরে তার দামি টেলিভিশনটি ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেলে। স্ত্রী সন্তানরা বাধা দিতে এলে সে ক্ষোভের সংগে উত্তর দেয়, "এগুলো শরিয়ত বিরোধী কাজ। দুনিয়ার জীবন কোনো জীবনই নয়। পরকালের জন্য নিজেকে তৈরি কর।"উদ্দীপকের মতিয়ার 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর অন্য সংস্করণ- পক্ষে-বিপক্ষে তোমার মতামত দাও।
- আরিফার বাবা মারা যাওয়ার পরে মায়ের স্নেহে চরম দারিদ্র্য সে লালিত-পালিত হয়। মা নিতান্তই বাধ্য হয়ে মধ্য বয়সি একজন লোকের সাথে আরিফার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়িতে আরিফা গিয়ে দেখে তার স্বামী মহশিনের আরেকজন স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। আরিফাকে কেন্দ্র করে সংসারে নতুন অশান্তি তৈরি হয়। বড়ো বউ কথায় কথায় আরিফার গায়ে হাত তোলে এবং সংসারের যাবতীয় কাজ তাকে দ্বারা করিয়ে নেয়। উপরন্তু বড়ো বউ আরিফার বিষয়ে স্বামীর কান ভারী করে। ফলে তার উপরে নেমে আসে অমানসিক নির্যাতন। আবার আরিফার স্বামী মহশিন চোরা কারবারির সাথে যুক্ত আছে, যে বিষয়টি আরিফা পুলিশকে জানিয়ে দেয়।"উদ্দীপকে বর্ণিত আরিফা এবং 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত জমিলার জীবনচিত্র যেন একই সুতোয় গাঁথা।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'নিরাক পড়া' অর্থে কী বোঝানো হয়েছে?
- বেলতলী গ্রামে বেলায়েতের বাস। গ্রামের মানুষ কুসংস্কার আচ্ছন্ন। গ্রামবাসী বিশ্বাস করে 'কাক ডাকলে দুঃখ আসে' পিছন থেকে ডাকলে বিপদ আসে। 'শিয়াল দেখলে অমঙ্গল হয়' ইত্যাদি। বেলায়েত দেখেছে গ্রামের সহজ-সরল মানুষের এই সংস্কার কাজে লাগিয়ে এক পির ব্যবসা করে যাচ্ছে। পিরের কবল থেকে গ্রামের মানুষকে উদ্ধারের জন্য, বিজ্ঞানমনস্ক করার তাগিদে একটি আধুনিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর হয়ে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।উদ্দীপকের চরিত্রের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রাসঙ্গিক চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- মজিদের আবিষ্কৃত পিরের নাম কী?
- বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক কে?
- লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম কী?
- 'লালসালু' উপন্যাসে সাত ছেলের বাপের নাম কী?
- খালেক ব্যাপারির প্রথম পক্ষের স্ত্রীর নাম কী?
- আওয়ালপুরের পীর সাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
- শনির হাওরের পারে গোটা কয়েক বাড়ি নিয়ে গিয়াসের গ্রাম। ঘর হতে দু'পা ফেলতেই হাওরের শুরু, শেষটা চোখে আন্দাজ করা যায় না। ধান আর মাছ নিয়ে তাদের জীবন। বানের পানিতে ধান তলিয়ে গেলে তারা চোখে অন্ধকার দেখে। অসুখ-বিসুখে ওপাড়ার পিরের পানি আর তেল পড়াই তাদের ভরসা। গত বছর গিয়াস তার নিঃসন্তান স্ত্রীকে নিয়ে শহরে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিল। বেপর্দাভাবে স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ায় পিরের বাড়িতে ডাক পড়ল গিয়াসের। তখন আতরের সুবাস আর আগরের ধোঁয়ায় পির সাহেবের মুখ দেখাই যাচ্ছিল না। যেনো অদৃশ্য কণ্ঠের ঘোষণা হলো গিয়াসকে গ্রাম ছাড়তে হবে। পিরের ঘোষণাপত্র তার সাগরেদরা তা বাস্তবায়ন করল।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে?
- কারুবাসনা উপন্যাসের লেখক কে?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
- বাড়িতে দুইজন স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও রহিম গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্ক স্ত্রীকে রহিম কারও সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে স্ত্রীকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে শীতের রাতে তাকে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম স্ত্রী খুব কষ্ট পায়। সাহস করে কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নিয়ে আসে।উদ্দীপকের রহিমের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের কোন দিক থেকে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
- করিমন বাতের ব্যথায় জর্জরিত । ছোটো ছেলে কাদেরকেপাশের গ্রামের পিরের কাছে পাঠায় পানিপড়া আনতে ।লোক-বিশ্বাস কার্মেল পিরের পানি পড়ায় সর্বরোগেরঅবসান ঘটে.উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি ফুটেউঠেছে?কুসংস্কার অন্ধবিশ্বাস পিরভক্তি নিচের কোনটি সঠিক?
- 'অমন করে হাঁটতে নেই বিবি, মাটি-এ গোস্বা করে।'- উদ্ধৃতাংশের মর্মার্থ ব্যাখ্যা করো।
- 'নাফরমানি করিও না, খোদার উপর তোয়াক্কল রাখো।' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- আমেনা বিবিকে কিরূপ শাস্তি দিয়েছিল মজিদ?
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- 'লালসালু' কী ধরনের উপন্যাস?
- শিক্ষিত মানুষের সংস্কৃতিই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই সংস্কৃতি। তাই অশিক্ষিত দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। এই সংগঠনের নেতাগণ সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। তেমনি একজন নেতা শাহ্ কদম আলী। নিজের পানি পড়ায় বিশ্বাস নেই তার। তাই চিকিৎসার জন্য ভক্তদের টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুর যান। তবে গ্রামবাসীর মহৌষধ হলো শাহ্ কদম আলীর পড়া পানি।উদ্দীপকের শাহ্ কদম আলী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ও কতটুকু ব্যাখ্যা কর।
- 'কোটরাগত নিমীলিত সে চোখে একটুও কম্পন নেই'- 'লালসালু' উপন্যাসের উক্ত বাক্যে প্রকাশ পেয়েছে-
- জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদ হরনাথ বসু মানুষের অতীত, বর্তমান ওভবিষ্যৎ দ্রষ্টা বলেই সোনাপুর গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করে।বিপদে-আপদে রোগে-শোকে সোনাপুর গ্রামবাসী অনেকটাকা খরচ করে ভাগ্য গণনা করিয়ে হরনাথ বসুর নিকটহতে রত্ন পাথর গ্রহণ করে। গ্রামের রাজীব কিন্তুহরনাথের এই অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে না। উদ্দীপকের রাজীবের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসেরসাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র—
- “ও যখন হাঁটে তখন মজিদ চেয়ে চেয়ে দেখে।” এখানে 'ও' কে?
- "লালসালু" উপন্যাসে ‘দেশটা কেমন মরার দেশ।’ কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?