'কী' বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কোন বাক্যে?
A. এই যে আসুন, তারপর কী খবর?
B. খবর কী, কেমন আছেন?
C. নিজেই চমকে উঠি, কী নিস্পৃহ , কেমন শীতল
D. কী সহজে বলা হয়ে গেল
সঠিক উত্তরঃ
C.
নিজেই চমকে উঠি, কী নিস্পৃহ , কেমন শীতল
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মুন্না বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। হঠাৎ তার শিশুপুত্র সড়ক দুর্ঘটনায়নিহত হয়। পুত্রশোকে সে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে।এমনকি ঈদের নামাজ পড়তেও যেতে পারেনি।উদ্দীপকের মুন্না' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন চরিত্রকে মনে করিয়ে দেয়?
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।উদ্দীপকের বিষয়ভাবনা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাববস্তুর সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
- চারদিকে উৎসবের রঙ। নতুন বছরকে বরণ করার প্রাণান্তপ্রয়াস। সপ্তাহ দুয়েক আগে মাকে হারানো মেয়েটিকে শোকভোলাতেই নিয়ে এসেছে বান্ধবীরা। মায়ের স্মৃতি বুকে নিয়েওধীরে ধীরে মেয়েটি সহজ হয়ে উঠছে; উপভোগ করছে বর্ষবরণ।উদ্দীপকে মেয়েটির সহজ হয়ে ওঠা আর 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতায় কবির আচরণে প্রকাশ পেয়েছে—বৈপরীত্যস্মৃতিমুগ্ধতামানব মনের রহস্যময়তানিচের কোনটি সঠিক?
- ভেতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা ঝাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাকভেতরে আমার ভেঙে পড়ে শধু পাড়।"কবিতাংশটুকুর কবির দহন যেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অন্তর্দহন।"-মূল্যায়ন করো।
- কোন্ কবিতায় বিষাদময় রিক্ততার অনুরণন ঘটেছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির নীরবতার কারণ কী?
- জীবনের সব ক্ষেত্রে সফল আকাশ কিন্তু তার সাফল্য তারমাকে আলোড়িত করে না। মায়ের সমস্ত অন্তরজুড়েঅকালে হারিয়ে যাওয়া আবির।উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা উভয় ক্ষেত্রেইপ্রকাশিত—প্রিয়জন হারানোর বেদনাব্যক্তিজীবনের রিক্ততাসাফল্যের প্রতি উদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- নববর্ষ পয়লা বৈশাখকে ঘিরে চারদিকে উৎসবের আমেজ। কিছুদিন আগে মাকে হারানো ফারিয়াকে কিছুই স্পর্শ করে না। মায়ের স্মৃতিতেই সে আচ্ছন্ন।উদ্দীপকের 'নববর্ষ' 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন বিষয়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি-এ মোর মিনতি।'_____ চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- সংলাপনির্ভর রচনা-
- 'নয়ন তোমার পায়না দেখিতে রয়েছো নয়নে নয়নে হৃদয় তোমায় পায় না জানিতে রয়েছো হৃদয় গোপনে 'নিচের কোন চরণটিতে উদ্দীপকের ভাবের প্রতিফলন লক্ষণীয়
- “এখনো দেখিনি তুমি ?” কহিলাম,“কেন কবি আজ এমন উন্মনা তুমি?কোথা তব নব পুষ্পসাজ ?” চরণ দুটি কোন কবিতার?
- 'আমি কবি— বনের পাখির মতো স্বভাব আমার গানকরা'— একথার প্রতিধ্বনি আছে কোন কবিতায়?
- কবি সুফিয়া কামালের প্রথম স্বামীর নাম কী?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- সে বসন্ত একদিন করেছিল শত কোলাহল- সে আজ নিঃশব্দে আসে আমার নির্জনে' - এই সাদৃশ্যের কারণ-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- 'ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই রাখিনি সন্ধান।'এখানে 'সে' কে?
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতায়- কোথা তব নব পুষ্পসাজ- উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে?
- 'অর্ঘ্য' শব্দের অর্থ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির মন বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন।যে কারণে—
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।' উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তু ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।' বুঝিয়ে লেখো।
- মনে পড়ে বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি,লাখো বাঙালির কাতর চিত্তে করুণ আহাজারি,একুশ তুমি বাংলার মানুষের হৃদয়ভরা আশা,তোমার কারণে পেয়েছি আজ কাঙ্ক্ষিত মাতৃভাষা,রক্ত ঝরাল, সালাম, বরকত, রফিক, শফিক জব্বার,বায়ান্নর সেই করুণ কাহিনি মনে পড়ে বরাবর,স্মৃতির পাতায় ভেসে ওঠে সে বিষণ্ণ দিনের কথা,যত ভাবি ততই যেন মনে পাই বড়ো ব্যথা।"উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মর্মবাণীকে পুরোপুরি ধারণ না করলেও আত্মত্যাগ ও অধিকার আদায়ের কথাই বলে।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- দরিদ্র রিকশাচালক রাশেদুলের মেয়ে রেবেকা এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী। সে মেধাবী ছাত্রী। রাশেদুলের স্বপ্ন রেবেকা বড় ডাক্তার হবে। মেয়ের পড়াশুনার খরচ চালানোর জন্য সে দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করে। রেবেকাও স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে দিনরাত এক করে নিজেকে প্রস্তুত করছে। কিন্তু হঠাৎ আসা কালবৈশাখী ঝড়ের মতো বাবার মৃত্যু রেবেকার জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। রেবেকা তার লক্ষ্য থেকে ছিটতে পড়ে। বাবার মৃত্যুশোক তাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। অতঃপর ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে নিয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ইট-পাথরের যান্ত্রিক জীবনের পথে।উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।