গ্রামের মানুষের চিকিৎসাহীনতার কথা বিবেচনা করে প্রবাসী
বিত্তবান তরুণ স্বপন একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য সকলের
সাথে যোগাযোগ শুরু করলে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার আর
কবিরাজ কটকৌশলে স্বপনকে নানাভাবে হেনস্থা করে।
উদ্দীপকে প্রকাশিত হয়েছে 'লালসালু' উপন্যাসের-
A.
প্রাচুর্য
B.
কুসংস্কার
C.
স্বার্থান্ধতা
D.
নগরায়ণ
সঠিক উত্তরঃ
C.
স্বার্থান্ধতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- মহব্বতনগরের নতুন পীরের, আগমনকে তুলনা করা হয়েছে-
- তোমার দাড়ি কই মিঞা?__কাকে বলা হয়েছে?
- রহিমার পেটে কয়টি প্যাঁচ?
- 'লালসালু' উপন্যাসে শিকারির একাগ্রতা কার চোখে?
- মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম নারী সমাজ অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তো তারা পেতই না বরং চার দেয়ালে বন্দি জীবন কাটাতে হতো। ধর্মের নামে অধর্মের বেসাতি চালানো হতো তাদের ওপর। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সর্বদাই নারীরা ছিল অবহেলার পাত্র। নিতান্তই হুকুম পালন ও ঘরকন্ন্যা ছাড়া তাদের আর কোন অধিকার ছিল না।"উদ্দীপকের বর্ণিত বিষয়গুলো রহিমার মধ্যে বিদ্যমান"- মন্তব্যটির পক্ষে ও বিপক্ষে মতামত দাও।
- কোন প্রকাশনা সংস্থা ‘লালসালু' উপন্যাসটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশ করে?
- পীর সাহেব নারীদের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পর্দার আড়ালে নানা কথা বলেন। মুরিদের সুন্দরী বউকে তালাক দিতে বাধ্য করে তার মনোবাসনা পূরণ করেন।উদ্দীপকের পীর সাহেবের সঙ্গে মজিদের সাদৃশ্যের কারণ-
- ওয়াজ করিবার সময় পির সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়ে গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন।..... তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখমুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেব 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? আলোচনা করো।
- খেয়াঘাটের ইজারাদারদের প্রবল ষড়যন্ত্রের মুখে গ্রামেপ্রভাবশালীদের পরামর্শে নদীতে সাঁকো তৈরির উদ্যোগথামিয়ে দিতে বাধ্য হয় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সৌরভ!উদ্দীপকের গ্রামের প্রভাবশালীরা 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন চরিত্রকে মনে করিয়ে দেয়?
- সমৃদ্ধ মহব্বতনগর গ্রামে কী নেই?
- জাহিদ শহর থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরেআসে এবং গ্রামের মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা দেখেব্যাথিত হয়। সে গ্রামে শিক্ষার আলো জ্বালাতে একটিনৈশ বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত ???েয়।অনুচ্ছেদের জাহিদের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন চরিত্র সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাসে হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসিমুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা, সবার অজান্তে অবৈধ ব্যাবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।"স্বার্থরক্ষায় উদ্দীপকের হোসেন মিয়া এবং 'লালসালু' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র একই পথের পথিক"-তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- আগে এক গ্রাম্য মাতব্বরের শাসন ও শোষণে অতিষ্ঠ ছিল স্বরপুর গ্রামের মানুষ। এখন সেখানে এসে জুটেছে এক ভন্ড চিকিৎসক। অলৌকিক তার চিকিৎসা পদ্ধতি। সে নিজেকে 'জিনের বাদশা' পরিচয় দেয়। বন্ধ্যত্ব, পঙ্গুত্ব, ক্যান্সার প্রভৃতি রোগ নিয়ে লোকেরা তার কাছে আসে। মানুষের অসহায়ত্ব ও সরলতার সুযোগ নিয়ে সে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। মাতব্বরের কাছে নালিশ করেও কোনো প্রতিকার মেলে না। কারণ, চোরে চোরে মাসতুত ভাই।"উপায় ভিন্ন হলেও জিনের বাদশা ও উপন্যাসের মজিদের উদ্দেশ্য অভিন্ন"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- এনায়েত রসুলপুর মসজিদের ইমাম। সর্বদা এবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকে সে। মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ায় সবাই তাকে মান্য করে। সুন্দর নূরানী চেহারা হওয়ায় এলাকার সবাই তাকে পীর সাহেব হিসাবে গণ্য করে। সে হঠাৎ ফতোয়া জারি করে সকল দান খয়রাত এলাকার মানুষ যেন মসজিদ মাদ্রাসায় দেয়। একথা শুনে এলাকার আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু এলাকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ মেহেরার কথায় সায় দেয় না বরং বিরোধিতা করে। তাদের ধারণা বাংলা, ইংরেজি পড়া স্কুল কলেজে পড়লে মানুষ শয়তানের দোসর হয়। পরকাল শেষ হয়ে যায়। তাই সকল দান খয়রাত, পড়াশুনা মসজিদ মাদ্রাসাভিত্তিক হওয়া দরকার।উদ্দীপকে বর্ণিত মসজিদের ইমাম এনায়েতের ফতোয়ার বিরোধিতা করে আধুনিক শিক্ষিত যুবক মেহেরা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে- আলোচনা কর।
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?' উক্তিটি কার?
- বাহে মুলুক কোথায়?
- মহববতনগর গ্রামের পার্শ্ববর্তী গ্রামের নাম কি?
- হোসেন মিয়া এক রহস্যময় চরিত্র। প্রথম জীবনে চাল-চুলোহীন অবস্থায় কেতুপুর গ্রামের জহর মাঝির বাড়িতে আশ্রয় নিলেও পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকার বিশেষ একজন হয়ে ওঠেন। সকলকেই তিনি মিয়া বলে সম্বোধন করেন, কথা বলেন হাসি মুখে, এগিয়ে আসেন সবার বিপদে-আপদে। কিন্তু কিন্তু মনে তার অন্য চিন্তা । সবার অজান্তে অবৈধ ব্যবসা করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিশাল প্রতিপত্তি।উদ্দীপকের হোসেন মিয়া ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের মধ্যে সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মজিদের মহব্বত নগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?
- বাড়িতে দুই বউ থাকার পরও বজলু চৌকিদার গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে বজলু কারো সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে বউকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে ছোট বউকে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম বউ খুব কষ্ট পায়। সারা রাত সে ঘুমায় না, আবার কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নেবে এমন সাহসও পায় না।উদ্দীপকের বজলু চৌকিদারের মানসিকতা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার মতামত আলোচনা করো।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- সুমনের সাথে রোমানার বিয়ে হয়েছে দশ বছর। দুজনের সুখের সংসার। সুমনের ধান-চালের ব্যাবসা। জমিজমা অর্থবিত্তও কম নয়। কিন্তু এতদিনেও তারা একজন সন্তানের মুখও দেখল না। সুমন বিদেশে নিয়ে গিয়ে স্ত্রীকে উন্নত চিকিৎসার কথা বললে রোমানা রাজি হয় না। তার ধারণা আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছাতে যেকোনো সময়ই সে মা হতে পারবে। আল্লাহর প্রতি তার অগাধ বিশ্বাস।উদ্দীপকটির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের তুলনীয় দিক আলোচনা করো।
- 'লালসালু' কী ধরনের উপন্যাস?
- "গ্রামের মানুষ যেন রহিমারই অন্য সংস্করণ"- ব্যাখ্যা কর।
- ঝালরওয়ালা সালু দ্বারা আবৃত কবরটি দেখতে কীসের মতো?