এতিম ফারুককে রাস্তা থেকে শিশু অবস্থায় কুড়িয়ে এনে
বড় করেছে গণেশের বাবা। অথচ ফুটবল খেলতে গিয়ে
সামান্য কথা কাটাকাটির জের ধরে গণেশকে কুপিয়ে
হত্যা করে ফারুক ।
উদ্দীপকের মুসলিম চরিত্রটি নাটকের কোন চরিত্রের
প্রতিনিধিত্ব করে?
A.
মিরজাফর
B.
মিরন
C.
মোহাম্মদি বেগ
D.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা
সঠিক উত্তরঃ
C.
মোহাম্মদি বেগ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- পলাশীর যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী জনগণেরওপর ব্যাপক নির্যাতন চালায়। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়, মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি করে এবং ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়।উদ্দীপকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দিকটিকে ধারণ করে?
- সিরাজের কোন সেনাপতি যুদ্ধে প্রথম মৃত্যুবরণ করে?
- 'শুভ কাজে অথবা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়'- উক্তিটি
- "চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র।"- উক্তিটি কার?
- 'ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজা সজ্জন ব্যক্তি, কেমন?'- উক্তিটিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ওই দেখো, ওই যেন চিত্রিত প্রাচীরওই তব সৈন্যগণদাঁড়াইয়া অকারণ,গণিতেছে লহরী কি রণ-পয়োধির?দেখিছ না সর্বনাশ সম্মুখে তোমার?যায় বঙ্গ-সিংহাসনযায় স্বাধীনতা-ধনযেতেছে ভাসিয়া সব, কি দেখিছ আর।'নিজ সেনাদের নির্লিপ্ততাই নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের অন্যতম কারণ।' উদ্দীপক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ‘আমার এতদিনের ভুল সংশোধন করার এই শেষ সুযোগ আমাকে নিতে হবে।' -সিরাজ কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
- কবর' নাটকটির রচয়িতা-
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কি ছিল?
- শহিদ ক্যাপ্টেন বাশার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে ক্যাপ্টেন বাশার সেনানিবাস পরিত্যাগ করে হালি শহরে অবস্থান নেন এবং পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পাকিস্তানি বাহিনী এদেশীয় দালাল মারফত তাঁর অবস্থান শনাক্ত করলে তিনি ধৃত হন। তাঁকে ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয় এবং অমানুষিক নির্যাতন করে তথ্য আদায়ে ব্যর্থ হয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ রকম নির্যাতনেও দমে যায়নি মুক্তিপাগল বাংলার মানুষ। মুক্তিকামী জনতার সম্মিলিত সংগ্রামের ফলে এদেশ স্বাধীন হয়েছে।উদ্দীপকের এদেশীয় দালাল 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?
- 'আমরা এমন কিছু করলাম যা ইতিহাস হবে'—উক্তিটি কার?
- সিরাজ তাঁর চারপাশে 'দেয়াল' বলেছেন কোনটিকে?
- মোহাম্মদী বেগ কত টাকার বিনিময়ে সিরাজউদ্দৌল্লাকে হত্যা করে?
- বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা মহাকালের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে বাঙালিরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং বাংলার স্বপ্নের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনেন। রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধু সুখী-সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আজীবন কাজ করে গেছেন। অথচ এই দেশেরই মানুষরূপী নরপশু-হায়েনার দল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করে।"উদ্দীপকের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের পরিণতি একই সূত্রে গাঁথা"- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।
- আত্মদ্বন্দ্ব পরাভূত মানবাত্মার সকরুণ বেদনা ও সুকঠোর পীড়নের চিত্র যে নাটকে উদ্ঘাটিত হয় তাকে ট্র্যাজেডি বলে। ট্র্যাজেডি নাটকে নায়কের নিঃসীয় দুঃখ ভোগ ও নিদারুণ বেদনা প্রাণকে বিমথিত করে তোলে। ট্র্যাজেডিতে মৃত্যু অনিবার্য নয়। নায়কের পরাজিত জীবন মৃত্যুর চেয়েও অধিকতর সকরুণ। প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই করতে করতে শেষ পর্যন্ত নায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিঃশেষ হয়ে পড়ে তার অনমনীয় শক্তি।উদ্দীপকের প্রতিকূল অবস্থার সাথে লড়াই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সাদৃশ্য বহন করে? আলোচনা করো।
- আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে। এই উক্তির তাৎপর্য কী?
- প্রাচীন গ্রিস প্রজাতন্ত্রী নগররাষ্ট্র ছিল। 'জুলিয়াস সিজার একজন সফল সেনাপ্রধান ছিলেন। কালক্রমে জুলিয়াস সিজার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন। তাঁর এ নীতির সমর্থন দেন তাঁর স্নেহভাজন ব্রুটাস। পরবর্তীতে সিনেটররা রাষ্ট্রের কল্যাণার্থে সিজারকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেন। ব্রুটাস তখন ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগ দেন। নিরস্ত্র সিজারকে সিনেটররা একের পর এক ছুরিকাঘাত করতে থাকে। যখন তাঁর প্রিয় ব্রুটাস তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন তখন সিজার হতবাক হয়ে বলে, Et tu, Brue অর্থ: ও ব্রুটাস তুমিও?'যুগে যুগে কালে কালে ব্রুটাসরা আছেন, থাকবেন'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে মন্তব্যটি যাচাই করো।
- "কাপুরুষ, বেইমান। জ্বলন্ত আগুনের মুখে বন্ধুদের ফেলে পালিয়ে যায়।" উক্তিটি কার?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য অনুসারে রাম-রাবণের যুদ্ধে বিভীষণ স্বপক্ষ-ত্যাগী বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী, অকৃতজ্ঞ ও স্বজনবিমুখ হিসেবে চিহ্নিত। অপরদিকে বীরবাহু, কুম্ভকর্ণ ও মেঘনাদ দেশপ্রেমিক। নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁরা জীবন উৎসর্গকারী। যদিও বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মেঘনাদ যুদ্ধ করার সুযোগ পায়নি। আজও বাঙালি সমাজে প্রবাদ হয়ে আছে-'ঘরের শত্রু বিভীষণ'।উদ্দীপকের বিভীষণের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা করো।
- 'সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।'উদ্দীপকের পিনোচেট 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- দেশের স্বার্থের জন্য নিজেদের স্বার্থ তুচ্ছ করে আমরা নবাবের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকব।'- এ উক্তিটি কে করেছিল?
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালনকরেন। শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবেরবিরোধ বাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।উদ্দীপকের হাবিবের মধ্যে সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেরকোন চরিত্রের সাদৃশ্য মেলে?
- রফিক স্পষ্টভাবেই তার চাওয়াটা সকলকে জানিয়ে দিয়ে গেছে। সে সহ-সভাপতির পদ চায়। এও বলেছে যে, যদি সোহেলদের দল জিতবে নিশ্চয়তা থাকে তাহলেই কেবল রফিক তাদের দলে আসবে, পরাজয়ের আশঙ্কা থাকলে সে তার বর্তমান দল ত্যাগ করবে না। উদ্দীপকের রফিক চরিত্রটি 'সিরাজউদ্???ৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিরূপ?