কলিমদ্দি দফাদার ষাটোর্ধ্ব। তিনি সরকারি চাকরি করেন; পাকিস্তানি সেনাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া তাঁর ডিউটি। তাই মানুষ তাঁকে রাজাকার ভাবে। মুক্তিসংগ্রামে যেতে না পারায় তাঁর মনে দুঃখ। কিন্তু সুযোগ পেয়ে একবার একদল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ভুল। পথ দেখিয়ে বিপদে ফেলেছিলেন। এটাও তাঁর মুক্তিসংগ্রামে অংশগ্রহণ, কলিমদ্দি স্বস্তি পায় দেশের পক্ষে কাজ করতে পেরে।
"ঘটনার বৈপরীত্য থাকলেও উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের চরিত্রগুলোর মধ্যে প্রবল দেশপ্রেম উজ্জীবিত ছিল?"- সপক্ষে যুক্তি দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- চারদিন ধরে বৃষ্টি। শনিবার রাতে কি মুষলধারেই যে হলো, রোববার তো দিনভর একটানা। গতকাল সকালের পর বৃষ্টি থামলেও সারাদিন আকাশ মেঘলা ছিল। মাঝে মাঝে এক পশলা বৃষ্টি এখন সন্ধ্যার পর বৃষ্টি নেই। ঘন ঘন মেঘ ডাকছে আর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। বসার ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে ভাবছিলাম, আমার জীবনেও এতদিনে সত্যি সত্যি দুর্যোগের মেঘ ঘন হয়ে আসছে। এ 'রকম সময় করিম এসে ঢুকল ঘরে। সামনে সোফায় বসে বলল, ফুফুজান এ পাড়ার অনেকেই চলে যাচ্ছে বাড়ি ছেড়ে। আপনারা কোথাও যাবেন না? আরও একটা কথা শুনেছেন ফুফুজান? নদীতে নাকি প্রচুর লাশ ভেসে যাচ্ছে। পেছনে হাত বাঁধা, গুলিতে মরা লাশ।উদ্দীপকের প্রথমাংশের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- কোন শব্দে ভুল বানান রয়েছে ?
- 'রেইনকোট' গল্পে পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা বলতে প্রিন্সিপাল কী বুঝিয়েছেন?
- "তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা,সখিনা বিবির কপাল ভাঙলো,সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলোদানবের মতো চিৎকার করতে করতেতুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো।স্বাধীনতাকে পাওয়ার জন্য বাঙালি জনসাধারণের আত্মত্যাগই উদ্দীপকের কবিতাংশ এবং 'রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য। মন্তব্যটির যথার্থতা প্রতিপন্ন কর।
- ১৯৭১ সালে সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নান্দিনা গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্যরা আশ্রয় নেয়। তাদের নানাভাবে সাহায্য করতে থাকে ঐ গ্রামের আবুল মন্ডল। একদিন তার দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে পাকিস্তানি হাদানার বাহিনীর সদস্যরা অধ্যাপক সাজেদুল ইসলামকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। তাঁর কাছ থেকে হানাদার বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে জানতে চাইলেও তিনি তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।উদ্দীপকের আবুল মন্ডলের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি ব্যাখ্যা কর।
- 'এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা'- উক্তিটি বুঝিয়ে দাও।
- 'ক্লাক ডাউনের রাত' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতিআক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায় খানসেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুলমাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে বন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসা করছে, 'মুক্তি কিধার হ্যায় বোলা।'- এক উত্তর- ওরা জানে না।"এদিকে নাকি নৌকা করে চলে আসে স্টেনগানওয়ালা ছোকরার দল।"- 'রেইনকোট' গল্পের এ প্রসঙ্গটি উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- বিদেশি সেনার কামান বুলেটে বিদ্ধনারী শিশু আর যুবক-জোয়ান-বৃদ্ধশত্রু সেনারা হত্যার অভিযানেমুক্তিবাহিনী প্রতিরোধে উত্থানেমুক্তির পথ যুদ্ধেও রয় জেনেঘাতক ধ্বংস করেছে অস্ত্র হেনে।"উদ্দীপকটির 'মুক্তিবাহিনী'র সাথে 'রেইনকোট' গল্পে বর্ণিত মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তির বর্ণনা অনেকটা সাদৃশ্যযুক্ত হলেও বৈসাদৃশ্যও রয়েছে"- মন্তব্যটির যথার্থ নিরূপণ করো।
- ‘রেইনকোট' গল্পের রেইনকোটটি কার?
- “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করিমোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।"উদ্দীপকে 'মোরা' শব্দটি 'রেইনকোট' গল্পের কোনচরিত্রকে প্রতিনিধিত্ব করে?
- কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতিআক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায় খানসেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুলমাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে বন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসা করছে, 'মুক্তি কিধার হ্যায় বোলা।'- এক উত্তর- ওরা জানে না।"উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্প উভয়ক্ষেত্রেই গেরিলাযুদ্ধের গৌরবগাঁথা বর্ণিত হয়েছে।"- যথার্থতা যাচাই করো।
- 'তুবড়ি ' কী ?
- রাশেদ গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিতোলায় শ্রমিকনেতা জামালকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করাহয়। দারুণ অর্থকষ্টে পতিত হলেও জামাল হাল ছাড়ে না।দৃঢ় আত্মপ্রত্যায়ের সাথে শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্বারআন্দোলন গড়ে তোলে ।উদ্দীপকের জামাল চরিত্রে 'আঠারো বছর বয়স'কবিতার কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যামান?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টিকে উপস্থাপন করেছে? আলোচনা করো।
- ‘রেইনকোট’ গল্পের সঙ্গে কোনটি সবচেয়ে সংগতিপূর্ণ?
- প্রিন্সিপাল কাকে তোয়াজ করতেন?
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসে উল্লিখিত সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতের ভয়াবহতায় আতঙ্কগ্রস্ত একজন মানুষ। তাঁর যাপিত জীবন আতঙ্ক আর ভয়ের মধ্য দিয়ে কাটে। কারণ সে রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন পর্যন্ত রেহাই পায়নি। সুদীপ্ত শাহীন এর মাঝে বেঁচে আছেন এটা বিশ্বাস করতে তাঁর বিস্ময় লাগে। ২৬ মার্চের সূর্যোদয় দেখবার কথা তিনি ভাবতেও পারে না।উদ্দীপকে বর্ণিত সুদীপ্ত শাহীন 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে? বিচার করো।
- ‘ঐকতান’ শব্দের অর্থ-
- রেডিও টিভিতে বিখ্যাত ও পদস্থ ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে প্রোগ্রাম করিয়েও কর্তাদের তেমন সুবিধা হচ্ছে না বোধ হয়। তাই বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীদের ধরে ধরে তাঁদের দিয়ে খবরের কাগজে বিবৃতি দেওয়ানোর কূটকৌশল শুরু হয়েছে। আজকের কাগজে ৫৫ জন বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীর নাম দিয়ে এক বিবৃতি বেরিয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ সানন্দে এবং সাগ্রহে সই দিলেও বেশির ভাগ বুদ্ধিজীবী ও শিল্পী যে বেয়োনেটের মুখে সই দিতে বাধ্য হয়েছেন, তাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই।[তথ্যসূত্র: 'একাত্তরের দিনগুলি'- জাহানারা ইমাম]"উদ্দীপকের প্রতিফলিত দিকটি 'রেইনকোট' গল্পের সমগ্র ভাব ধারণ করে না।"- উক্তিটির সপক্ষে তোমার যুক্তি দাও।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পগ্রন্থ কোনটি ?
- "বাজারে মিলিটারি ঢোকার পর থেকেই কলিমদ্দি দফাদারের ওপর বোর্ড অফিস খোলার ভার পড়েছে। অপেক্ষাকৃত কমবয়স্ক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান মিলিটারির ভয়ে পারতপক্ষে এদিকে আসেন না। মেম্বারগণও আত্মগোপন করেছেন। কিন্তু বোর্ড অফিস নিয়মিত খোলা রাখার হুকুম জারি আছে। কলিমদ্দি এ কাজ করার জন্য বাজারে আসে। খান সেনারা ওকেই ওদের অভিযানে সঙ্গী করে নেয়। সে সরকারি লোক, নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং যা হুকুম তা পালন করে। সুতরাং সন্দেহের কারণ নেই।" তাই এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাক-ক্যাম্পের খবর মুক্তি বাহিনীর নিকট সরবরাহ করাসহ পাকিস্তানি হানাদারদের বিপথে চালিত করতে পারে কলিমদ্দি। 'রেইনকোট' গল্পে বর্ণিত কলেজের পরিস্থিতির সাথে উদ্দীপকের বোর্ড অফিসের পরিস্থিতির তুলনা করো।
- 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা মিলিটারি লাগার পর থেকে মোট কয়বার বাড়ি পাল্টেছে?
- তালেব মাস্টার অত্যন্ত ভীতু প্রকৃতির একজন মানুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের জন্য তার দাদার ফাঁসি হয়। সেই দাদার একজোড়া বুট এখনো তাদের আলমারিতে রক্ষিত আছে। মাঝে মাঝে সে বুটজোড়া পায়ে দেন মাস্টার। শরীরে সাহস সঞ্চার হয়, শরীরে আলাদা একটা উত্তেজনা অনুভব করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ব্রিজ-কালভার্ট উড়িয়ে দিয়েছে, মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগসাজশ আছে ভেবে পাকিস্তানিরা তাকে গ্রেফতার করে। তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলে। কিন্তু পায়ে থাকা দাদার বুটজোড়া তাকে সাহসী করে তোলে। দেশপ্রেম তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। তাঁর মুখ থেকে একটি শব্দও বের করতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তানি সেনারা।উদ্দীপকের তালেব মাস্টারের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে।
- ‘রেইনকোট' গল্পের প্রেক্ষাপটে নিম্নোক্ত কোনবিষয়টির প্রতি লেখক বেশি সচেষ্ট ছিলেন?