পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি!
নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা,
মুছালে পরের অশ্রু-ঘুচালে পরের ব্যথা!
আপনাকে বিলাইয়া দীন-দুঃখীদের মাঝে,
বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে।
"উদ্দীপকের মূলভাব 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূলভাবকে সামগ্রিকভাবে ফুটিয়ে তোলেনি" বক্তব্যের সপক্ষে তোমার যুক্তি উপস্থাপন করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- অনশন ধর্মঘটের ব্যাপারে আলোচনার কথা বলেবঙ্গবন্ধুকে কোন তারিখে জেলগেটে আনা হয়েছিল?
- ’ক্রিয়ার কাল’ ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
- রফিক ও শফিক দুই ভাই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তবে প্রতিবছর ইদে জাকাত দেওয়া নিয়ে দুইজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। রফিকের মতে জাকাতের টাকায় একাধিক শাড়ি, লুঙ্গি কিনে গরিবদের মাঝে বিতরণ করলে তাদের বস্ত্র চাহিদা লাঘব হবে এবং সে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলেও জনগণও তা অনুসরণ করবে। কিন্তু শফিক চায় এলাকার বস্তিতে কয়েকজন মহিলাকে সেলাই মেশিন কিনে দিলে বরং তারা কিছু আয় রোজগার করতে পারবে। আর এজন্য তিনি সব রকম সামাজিক প্রচারণার বিরোধী।উদ্দীপকের রফিকের ভাবনার মধ্য দিয়ে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য আছে তা আলোচনা করো।
- ভেলরি টেইলর, বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধুর নাম। ৭২ বছর বয়সি মহান ব্যক্তি কর্মজীবনে লাভ করেছেন নানা স্বীকৃতিসহ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি। স্বেচ্ছাসেবা এবং সম্পূর্ণ আপন প্রচেষ্টায় সিআরপি প্রতিষ্ঠা করে তিনি দুস্থ, নিঃসহায় মানুষের জন্য বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হাজার হাজার মানুষকে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরিয়ে আনতে তার গড়া সিআরপি নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করেছে।"উদ্দীপকের ভেলরি টেইলরের কর্মকান্ড এবং 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের লেখকের প্রত্যাশা যেন একই সূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- শব্দকে ভাঙলে যে ক্ষুদ্রতম অর্থবোধক একক পাওয়া যায়, তাকে কী বলে?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমানসংকটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।'সত্যের শক্তিতে বলিয়ান জাতি অন্যায়কে ধ্বংস করে জাতিকে উন্নতির শিখরে পৌছাতে পারে।'- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে।'এখানে ‘মহত্ত্ব' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ধনাঢ্য জামাল সাহেব এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষদের প্রচুর দানখয়রাত করেন। ছবি তুলে তিনি এসব দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার করেন। এলাকায় তিনি জনদরদি হিসেবে পরিচিত।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
- 'বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারো কল্যাণ করা যায় না।'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘চতুষ্কোন’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ-
- লেখক কোন কাজকে মানব-কল্যাণ বলে মনে করেন না?
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- ‘জংশন’ শব্দটির উৎস ভাষা-
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধটি লেখকের কোন গ্ৰন্থথেকে নেওয়া হয়েছে?
- ‘ডেঙ্গু' শব্দটি বাংলায় কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- 'মানব-কল্যাণ স্বয়ম্ভু, বিচ্ছিন্ন ও সম্পর্ক রহিত হতে পারে না'- উক্তিটির ব্যাখ্যা করো।
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।"কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিচ্ছবি।"- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।"পরিশ্রমই মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পূর্বশর্ত।"-উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কোন পথে মানুষের কল্যাণ করা যায়?
- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কোন শ্রেণির রচনা?
- ‘বড়দিদি’ থেকে আগত ‘বউদি’ শব্দে ঘটেছে -
- কোনটি খাঁটি বাংলা শব্দ ?
- খোদা, চশমা, ফেরেশতা শব্দগুলো কোন ভাষা থেকে আগত?