বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগে অধ্যয়ন করেন?
A. দর্শন
B. আইন
C. রসায়ন
D. ইংরেজি
সঠিক উত্তরঃ
B.
আইন
Explanation:
আইন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। যদিও তিনি তার একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করতে পারেন নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার জন্য তাকে বহিস্কার করা হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা জীবনের অধিকাংশ সময়ই কারাবন্দি ছিলেন। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে দীর্ঘ সাতাশ বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন। সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। জেলখানায় বসেই তিনি। বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং অনশন করেছেন। বন্দি অবস্থাতেও তিনি রিভিন্ন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের জোর সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। একসময় তার আদর্শের জয় হয়। অবসান ঘটে বর্ণবাদের, জয় হয় মানবতার।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? নিরূপণ কর।
- মালিক পক্ষের নিপীড়ন আর শোষণ-বঞ্চনা বন্ধের দাবিতে'হাওলাদার কটন মিল'-এর শ্রমিকগণ আমরণ অনশন-ধর্মঘট শুরু করে। তাদের কথা— অত্যাচার ও শোষণেরঅবসান না হলে আমৃত্যু অনশন চালিয়ে যাবে ।উদ্দীপকের মূলভাব 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোনবাক্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেল জীবনের ওপর রচিত বইয়ের নাম কি?
- আমাদের ২১শে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাদিবস হিসেবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত । ভাষাআন্দোলন আমাদের জাতিসত্তা ও ভাষাকে আন্তর্জাতিক,মর্যাদায় ভূষিত করেছে।ভাষা আন্দোলনে বাঙালির প্রেরণা ছিল- জাতীয়তাবাদআত্মমর্যাদাবোধআত্মবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- ‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন?
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী বিপ্লবী নেতা। তিনি সে দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি ১৯৪৩ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে যোগ দেন। পরে তিনি সশস্ত্র সংগঠনের নেতা হিসেবে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার তাঁকে গ্রেফতার করেন এবং অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর কারাবাস করেন। তিনি সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন লড়াই করেছেন।"উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবেশ্বর সার্বিক চিত্র ফুটে উঠেছে।"- মন্তব্যটির সত্যতা পরীক্ষা কর।
- নেলসন ম্যান্ডেল একজন দেশপ্রেমিক নেতা। দেশের জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। জীবনের দীর্ঘ সময়, জেল খেটেছেন। কিন্তু কখনো তিন্নি কারো কাছে মাথা নত করেননি। উদ্দীপকের নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাংশের কোন চরিত্রের মিল আছে?
- চট্টগ্রামের জেলের ভিতর থেকেই সজল খবর পেলেন ঢাকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রাম শহরেও ছাত্রছাত্রীরা মিছিল করছে। 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতন এবার হবেই ভেবে সজল মনে মনে বলে, এ ভুলের কারণেই শাসকচক্র ক্ষমতাচ্যুত হবে।'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'- কথাটি উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী দেশের মানুষের জন্যআন্দোলন করেন। আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্বে তিনিছিলেন পুরোধা, নিবেদিতপ্রাণ। তিনি কখনো কারো কাছেমাথা নত করেননি।উদ্দীপকের আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর সাথেতোমার পঠিত 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাংশের কোনচরিত্রের মিল দেখা যায়?
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বিরচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্প কথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল। তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছাতেই মিলিটারিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার লেখকের ব্যক্তিজীবনের ঘটনাগুলোর প্রতিচ্ছবি নেই"- মন্তব্যটি যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পুরিসিসে ভুগছিলেন কে?
- ফরিদপুর জেল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক'খানা চিঠি লিখেছিলেন?
- বঙ্গবন্ধুকে ডাবের পানি খাইয়ে দিয়ে অনশন ভাঙান কে?
- 'লোকটি গরিব কিন্তু সৎ'- এটি কোন ধরনের বাক্য?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'বায়ান্নর দিনগুলো তাঁর কোন গ্রন্থ থেকে সংকলন
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্???ন্থে কত সাল পর্যন্তঘটনাবলি স্থান পেয়েছেন?
- বায়ান্নর দিনগুলো' রচনা অনুসারে শেখ মুজিবুর রহমান যখন জেলে যান তখন শেখ কামালের বয়স কত ছিল?
- ফরিদপুরে ‘সারাদিন শোভাযাত্রা চলেছিল' কততারিখে?
- "সেইদিন আজো জ্বলজ্বলে স্মৃতি, যেদিন মহানবিজয়ী বীর দূর দেশে থেকে স্বদেশে এলেন ফিরে।শুনেছি সেদিন জয়ঢাক আর জন-উল্লাস;পথে-প্রান্তরে তাঁরই কীর্তন, তিনিই মুক্তিদূত।নিহত এ্যাগামেমনন, কবরে শায়িত আজ।"উদ্দীপকের 'বিজয়ী বীরের' স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সাথে বঙ্গবন্ধুর জেলমুক্তির সম্পর্কে আলোচনা করো।
- 'যদি এই পথে মৃত্যু এসে থাকে তবে তাই হবে'- কোন রচনার উদ্ধৃতি?
- ৭ মার্চ, দিনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করেছে এক রক্তস্নাত দিন হিসেবে। ১৯৬৫ সালের ৭ মার্চ ছিল রবিবার। বর্ণবাদের বিষবাষ্পে উত্তাল সারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর অহিংস আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ জনতা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে সেলমা থেকে এগিয়ে চলেছে প্রাদেশিক রাজধানী মন্টোগোমারির দিকে। এমনই সময় প্রতিপক্ষ শ্বেতাঙ্গ আর পুলিশ বর্বরোচিত হামলা চালায় ওই মিছিলের উপর। রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। আর ৭ মার্চ ১৯৬৫ দিনটি পরিচিতি পায় 'ব্ল্যাডি সানডে' বা রক্তস্নাত রবিবার হিসেবে। তিনি শ্বেতাজাদের বৈষম্যমূলক আচরণ আর কৃষ্ণাজাদের উপর নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা বলতেন। তিনি বলতেন 'আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এই জাতি' জাগ্রত হবে এবং মানুষের এই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে, সকল মানুষ জন্মসূত্রে সমান।' 'প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও চেতনাগত ঐক্যই মার্টিন লুথার কিং ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একসূত্রে গেঁথেছে- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'কারাগারে রোজনামচা' বইটির রচয়িতা কে?
- ১৯৫২ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির জন্যকয়টি অর্ডার এসেছিল?
- "বাবার কালের জীবনটা যেন রাস্তায় না যায় "- বুঝিয়ে লেখো।