সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।
"উদ্দীপকের সীমা এবং 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।"- বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'মাসি-পিসি' গল্পে উল্লিখিত বাবুর নাম কী?
- 'প্রাগৈতিহাসিক' গল্পটির রচয়িতা কে?
- মাসি-পিসি গল্পে ‘বজ্জাত হোক, খুনে হোক, জামাইতো-বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- ‘প্রধানমন্ত্রী’ শব্দের ‘প্রধান ও মন্ত্রী’ অংশ যুক্ত হয় -
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।'- কেন? বুঝিয়ে দাও।
- 'বুড়ো রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।' ব্যাখ্যা করো।
- “দারোগাবাবু এসে বসে আছেন বাবুর সাথে।”"মাসি-পিসি" গল্পের এ বাক্যে প্রকাশ পায়-বাবুর সাথে দারোগাবাবুর সুসম্পর্ক রয়েছেদারোগাবাবুর হুকুম পালন করতে হবেদারোগাবাবু মাসিপিসির বিচার করতে এসেছেননিচের কোনটি সঠিক?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে শকুন কীসের প্রতীক?
- আহ্লাদি স্বামীর বাড়ি যেতে চায় না কেন?
- সাদৃশ্য বিবেচনায় কোনটি সঠিক নয়?
- 'মাসি-পিসি' গল্পটি নিচের কোন গ্রন্থে সংকলিতহয়েছে?
- 'মুক্তিযোদ্ধা মেজর শামসুল আলম স্কুল ও কলেজ'-এর নবমশ্রেণির ছাত্রী লায়লা এলাকার কিছু দুষ্ট লোকের অত্যাচারেস্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। তার সহপাঠীরা এই সংবাদপেয়ে তার বাড়িতে আসে। তারা লায়লাকে সঙ্গে করে স্কুলেনিয়ে যায়। তাদের প্রত্যেকের হাতে থাকে বাঁশের লাঠি।কেউ আর এখন তার দিকে চোখ তুলে তাকায় না ।উদ্দীপকের মূলভাবটি 'মাসি-পিসি' গল্পের কোনদিকটিকে প্রতিফলিত করে?
- 'সালতি' কী?
- বজ্জাত হোক খুনে হোক জামাই তো'। 'মাসি-পিসি' গল্পে এ বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে-
- সাধিত শব্দ কতভাগে ভাগ করা যায় ?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?
- আমি, তুমি ও সে - আমরা ---- এটি কোন সমাসের উদাহরণ?
- সালতি কী কাঠের তৈরি?
- 'দুর ছাই সয়ে আর কুড়িয়ে পেতে খেয়ে।' এর মানে-
- এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত, ঠোঁটে।উদ্দীপকে বুজির সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির অবস্থান তুলনা করো।
- এইখানে তোর বুজির কবর, পরীর মতন মেয়ে, বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।এত আদরের বুজিরে তাহারা ভালোবাসিত না মোটে,হাতেতে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত, ঠোঁটে।উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের মূলভাব কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতামত দাও।
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষ???ড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা করো।
- শৈশবে বাবা-মাকে হারিয়ে এক চাচার আশ্রয়ে থাকা আসমার জীবনে ঘটে যায় বাল্যবিবাহ। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার সহযোগিতা না পেলেও দমে যায়নি সে। টিউশন করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় লাভ করে ভালো ফল। আসমা এখন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করো।
- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা :
- বহুত্ববাচক শব্দ