'বরং সত্য কথা বলতে গেলে সাধরণ লোকের মন স্বভাবতই যেখানে আছে, তারই চারপাশে ঘুরে বেড়াতে চায়, উড়তেও চায় না, ডুবতেও চায় না'- কথাটি কোন রচনার অন্তর্গত?
A. হৈমন্তী
B. সাহিত্যে খেলা
C. বিলাসী
D. য??বনের গান
সঠিক উত্তরঃ
B.
সাহিত্যে খেলা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসটি কার রচনা?
- ‘সামাজিক ধনবৃদ্ধি ব্যতীত সমাজের উন্নতি নাই।' উক্তিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
- হৈরব আর ভৈরব দুই ভাই। চিন্তা-চেতনায় স্বার্থে পরার্থেযোজন দূরের বাসিন্দা তারা; কিন্তু তাদের মা দুরারোগ্যব্যধিতে আক্রান্ত হলে বিভেদ ভুলে হৈরব ভৈরবকে মায়েরচিকিৎসায় তার পাশে থাকার অনুরোধ জানায়। ভৈরব স্বার্থচিন্তা ত্যাগ করে বিনা দ্বিধায় বড় ভাইয়ের পাশে দাঁড়ায়।উদ্দীপকের ভৈরব ও মিরজাফর চরিত্রে যুগপৎপ্রতিফলিত—
- ”তুলসী পাতার রসের প্রয়োজন হয় নাই তার।” -কার প্রয়োজন হয় নি?
- জগৎ জুড়িয়া আছে এক জাতিসে জাতির নাম মানুষ জাতি।উদ্দীপকের সাথে ‘সাম্যবাদী' কবিতার সাদৃশ্য কোথায়?
- 'ত্যজিল রাজ্য মানবের মহা বেদনার ডাক শুনি'- ব্যাখ্যা করো।
- কবির চেতনার মণি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে কেন?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের যে গান শোনায়-
- 'মার্টিনো পড়িয়া রহিল।' বাক্যটি কোন গল্পের?
- শিক্ষকতার দীর্ঘ জীবনে রহিম সাহেবের কাছে শিক্ষার্থীদের ধর্মীয়, সামাজিক কিংবা অর্থনৈতিক পরিচয় কখনো বড়ো হয়ে ওঠেনি। জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি আশপাশের মানুষদের মানবতাবাদে দীক্ষিত করা ছিল তাঁর জীবনব্রত। এখন তাঁর অবসর কাটে সামাজিক আর ব্যক্তি মানুষের কল্যাণকর্মে। ধর্মীয় গোঁড়ামি কিংবা অন্ধ সংস্কারের কারণে সমাজে যখন অনাচার দেখা দেয় তখন রহিম সাহেব সর্বশক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তিনি তাঁর শিক্ষার্থীদের প্রায়ই চন্ডীদাসের সেই অমর উচ্চারণ মনে করিয়ে দিতেন, "সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।""উদ্দীপকটি ভাবগত দিক থেকে 'সাম্যবাদী' কবিতাকে ধারণ করেছে।"- মন্তব্যটি বিচার করো।
- 'অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে'- কার গান?
- গৌরী শংকর কে?
- 'হৈমন্তী’ গল্পে অপু হৈমন্তীর জন্য কী কিনে এনেছিল?
- ’না প্রেমিক না বিপ্লবী’ কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
- 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতায় সন্ধ্যার বাতাসে কী ওড়ে?
- ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- ‘সুবচন নির্বাসনে’ নাটকটির রচয়িতা কে?
- জীবন-বন্দনা ' কোন কাব্যের কবিতা ?
- ‘পথের পাঁচালী' উপন্যাসের চলচ্চিত্র-রূপ কে দিয়েছিলেন?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।'বৃক্ষের মতো জাদুঘরও আমাদেরকে সার্থকতার গান শোনায়।'- তোমার মতামত ব্যাখ্যা কর।
- “দুর্দিনের দিনলিপি” স্মৃতিগ্রন্থটি কার লেখা?
- '__সভ্যতা বিস্তারে সঙ্গে সঙ্গে দেশি শিল্পসমূহ ক্রমশ বিলুপ্ত হইয়াছে।'- "কীভাবে? বুঝিয়ে দাও।
- মুমূর্ষু অবস্থা থেকে কৃষকদের মুক্তির জন্য রোকেয়া গ্রামে কী প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন?
- বিড়ালের সুবিচারিক কথা শুনে কমলাকান্তের কেমন বাণী মনে পড়ল?
- 'সে জন্মেছে নীল বাংলার ঘাস আর ধানের ভিতর।'—কে জন্মেছে?