মাহাবুব সাহেব মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রাস্তা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে অর অকাতর দান রয়েছে। নিঃসন্তান মাহাবুবের পিতৃ-হৃদয়ের আস্বাদ পূরণে অনেকেই অকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী শামিমাও তাকে এ প্রস্তাব দেন। মাহাবুব তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে প্রতিপালন করে স্ত্রী শামিমার মাতৃ-হৃদয়ের অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।
উদ্দীপকের মাহাবুবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের খালেক ব্যাপারীর চরিত্রের তুলনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- 'মরা মানুষ জিন্দা হয় কেমনে'- উক্তিটি কার?
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ্' বলিত। সেই 'ফানাফিল্লাহ্'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন তাই জব্বার সময় একখণ্ড কালো মখমলের কাপড় দিয়া পীর সাহেবের চোখে মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে তা নির্ণয় কর।
- পলাশপুর একটি অজপাড়া গাঁ। পাড়ার বেশিরভাগ লোকই অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে অনীক শহরের কলেজে পড়ে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করে তুলতে সে গ্রামে একটা স্কুল করতে চায়। গ্রামে সভা বসলে মাতব্বর জলিল মণ্ডল ও ভন্ডপীর ছাবেদ আলী গ্রামে কোরান শিক্ষার জন্য মক্তব গড়তে চায়। অনীক এর প্রতিবাদ করলে তাকে গ্রাম ছাড়া করা হয়।"উদ্দীপকের অনীক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস উভয়ের উদ্দেশ্য মহৎ হলেও অন্ধ ধর্ম বিশ্বাসের কাছে তারা মাথা নত করেছে।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- মজিদের ভাষায় স্ত্রীলোকদের সন্তানাদি হয় না কেন?
- বাংলাদেশের টেকনাফ অঞ্চলের এক গ্রামের গরিব অসহায় পরিবারকে সমাজচ্যুত করা হয়েছে। কারণ, ওই বাড়ির ছেলের বিয়েতে গ্রামের মাতব্বর পরিবারকে দাওয়াত করা হয়নি। একারণেই খেপে যায় মাতব্বর ও তার লোকজন। সভা করে একঘরে করে দেয় সেই গরিব পরিবারটিকে। পরিবারের লোকদের বাইরে যাওয়ার রাস্তাটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।উদ্দীপকের টেকনাফ অঞ্চলের ঘটনাটির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? কেন?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ যে নামে প্রকাশিত হয় তা হলো-
- 'রহিমা ভাবে, আমেনা বিবির হৃদয়ের সঙ্গে তার 'হৃদয়ের কোথায় যেন সমতা।'- এই সমতার কারণ তারা উভয়ই-
- খোদার এলেমে বুক ভরে না কেন?
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।'উদ্দীপকের হনুফা আর 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা একে অপরের পরিপূরক।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- নিঃস্ব সালেহার একটিমাত্র পুত্র ছাড়া আপন বলতে কেউ নেই। আর আছে যৎসামান্য অর্থ। পুত্রের মৃত্যুতে সে দিশেহারা হয়ে তান্ত্রিকের কাছে ছুটে যায় সহায়-সম্বল নিয়ে।উদ্দীপকের ঘটনার সাথে উপন্যাসের কোন বাক্যটির সাদৃশ্যপূর্ণ??
- 'ধান দিয়া কী হইব মানুষের জান যদি না থাকে?' আপনে ওরে নিয়া আসেন ভিতরে।'- উক্তিটিতে বস্তার মনোভাব ব্যাখ্যা কর।
- জব্বার আলি একদিন স্বপ্নে খুঁজে পায় এক কামেল পিরের মাজার। বন-জঙ্গল ঘেরা 'বাঘের মাঠ' খ্যাত সাঞ্চাভাঙা গ্রাম। এই গ্রামেই শায়িত আছেন এক কামেল পির। স্বপ্ন ছড়িয়ে পড়ে গ্রামের ভেতর। স্থানীয় জনগণ খুঁজে পায় এক প্রাচীন পরিত্যক্ত মাজার। জঙ্গল পরিষ্কার করে রাতারাতি সেখানে টিনের ছাউনি ওঠে। চাঁদা তোলা হয় গ্রামবাসীর কাছ থেকে। পরিপাটি ও সুসজ্জিত হয় মাজার। এখানে বিভিন্ন লোক রোগ-শোকের জন্য মানত করতে আসে। এমন কি কখ্যা নারীরাও ছুটে আসে সন্তান লাভের আশায়। এখানে প্রতি বছর এখন মেলা বসে। বর্তমানে মাজারের খাদেম জব্বার আলি।উদ্দীপকের সাঞ্চাভাঙা গ্রামের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগরের সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা'- কথাটি কখন এবং কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে?
- জিকিরের দিন কখন শিরনি চড়ানো হবে?
- "সজ্ঞানে না জানলেও তারা একাট্টা, পথ তাদের এক।"-ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসের ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নাম কী?
- অজ পাড়াগাঁয়ের মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল কালাম নিজের মুদি দোকানের সামান্য উপার্জনে কোনোভাবে সংসার খরচ নির্বাহ করেন। অজ্ঞ গ্রামবাসী অসুখ-বিসুখে প্রায়শই তার কাছে আসে টাকাপয়সার বিনিময়ে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ নেওয়ার জন্য। কিন্তু মাওলানা সাহেব তা না করে রোগীদের শহরের ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন। তিনি গ্রামবাসীকে শিক্ষা দেন- ধর্ম ব্যাবসার বিষয় নয়, মানুষকে প্রতারণা বা নিপীড়নের জন্য নয়।উদ্দীপকের মূলভাব 'লালসালু' উপন্যাসের রচয়িতার মানসচিন্তাকে ধারণ করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করো।
- আশেকনগর গ্রামের এনায়েতউল্লাহ উত্তরাধিকারসূত্রে একজন পির। অঢেল তার ধনসম্পদ। কিন্তু ঘরে তার কোনো পুত্রসন্তান না থাকায় মনে তার শূন্যতা। তাই বার্ষিক জলসা শেষ হওয়ার পরপরই এনায়েত দ্বিতীয় বিবাহ সেরে ফেলে। নতুন বউ অল্পবয়সী, দেখতে অতি নিরীহ গোছের-একেবারে এনায়েতের মনের মতো। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই সে বেরিয়ে আসে ঘোমটা থেকে, কথা বলে অনবরত এবং হাসতে থাকে খলখল শব্দে। পীর স্বামী তাকে মাজারের ভয় দেখায়, শরিয়ত-মারফত শেখায় এবং পাক মাজারের সঙ্গে ঠিকভাবে আচরণের জন্য শাসায়। কিন্তু নতুন বউ সারার মনে প্রবল বিদ্রোহ। সে তার বাবার বয়সী স্বামীকে কোনোমতেই সহ্য করতে পারে না। এনায়েত বিচলিত হয়।উদ্দীপকের সারার সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'ভাং-গাঁজা খাওয??া রসকসশূন্যহাড়গিলে চেহারা'— কার?
- ঝালরওয়ালা সালু দ্বারা আবৃত কবরটি দেখতে কীসের মতো?
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের মানুষেরা নিত্য অভাব-অনটন নিয়ে বসবাস করে। দিনের পর দিন আসে, কিন্তু হতভাগা এ অঞ্চলের মানুষদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন আসে না। বৎসরান্তে তিস্তার অপ্রতিরোধ্য ভাঙ্গন মানুষকে আরও বেশি অসহায়, নিঃস্ব করে ফেলে। শস্যহীন মানুষগুলো ক্ষুধা-তৃষ্ণা, রোগ-শোক, শিশুর আর্তচিৎকার, সব মিলিয়ে আনন্দহীন এক মানবেতর জীবন অতিবাহিত করে। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তারা কখনো কখনো মানত করে। এতেও তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসে না। ভাগ্যের অন্বেষণে তখন তারা বহির্মুখী হয়ে ওঠে।উদ্দীপকের দুরবস্থাগ্রস্ত মানুষদের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন অঞ্চলের মানুষদের, কী ধরনের মিল পাওয়া যায়?- আলোচনা কর।
- ‘তোমার জন্য আমার মায়া হয়’। - লালসালু উপন্যাসে এই উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে?