মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

প্রিয়ন্স কি?

A. RNA
B. DNA
C. প্রোটিন
D. ভাইরাস
E. রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটিন
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসের অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ E. রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটিন
Explanation:

Another Explanation (5):

প্রিয়ন্স: রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটিন 🧬

প্রিয়ন্স হলো প্রোটিন দ্বারা গঠিত রোগ সৃষ্টিকারী উপাদান। এটি ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া নয়। এটি মূলত মিসফোল্ডেড (misfolded) প্রোটিন।

প্রিয়ন্স কিভাবে কাজ করে? 🤔

  • সাধারণ প্রোটিনকে (PrPC) অস্বাভাবিক রূপে (PrPSc) পরিবর্তন করে।
  • রূপান্তরিত প্রোটিনগুলো মস্তিষ্কে জমা হয়ে নিউরনের ক্ষতি করে। 🧠
  • এর ফলে মস্তিষ্কে ছিদ্র হয়ে যায় এবং স্পঞ্জ এর মতো আকার ধারণ করে।

প্রিয়ন্স রোগের লক্ষণ ⚠️

  1. স্মৃতিভ্রংশ 😓
  2. শারীরিক ভারসাম্যহীনতা 🚶‍♀️➡️🤸
  3. মেজাজ পরিবর্তন 😠➡️😢
  4. ঘুমের সমস্যা 😴➡️🤯

কিছু উল্লেখযোগ্য প্রিয়ন্স রোগ 🤒

রোগের নাম কারণ প্রভাব
ক্রুটজফেল্ড-জ্যাকব রোগ (CJD) sporadic, বংশগত, দূষিত খাদ্য গ্রহণ 🍔 দ্রুত স্মৃতিভ্রংশ, মাংসপেশীর খিঁচুনি
ভেরিয়েন্ট ক্রুটজফেল্ড-জ্যাকব রোগ (vCJD) দূষিত গরুর মাংস খাওয়া 🥩 CJD এর মতই, তবে কম বয়সে শুরু হয়
কুরু নরমাংস ভক্ষণ 🍖 (fore tribe of Papua New Guinea) শারীরিক ভারসাম্যহীনতা, হাঁটাচলায় সমস্যা
গের্স্টম্যান-স্ট্রাউসলার-শিনকার সিনড্রোম (GSS) বংশগত 🧬 গতিশীল সমস্যা, ডিমেনশিয়া
ফেটাল ফ্যামিলিয়াল ইনসমনিয়া (FFI) বংশগত 🧬 ঘুমের অভাব, ডিমেনশিয়া

সংক্রমণের পদ্ধতি 🦠➡️🧠

  • দূষিত খাদ্য গ্রহণ 🍔
  • দূষিত সার্জিক্যাল সরঞ্জাম ব্যবহার 🔪
  • অঙ্গ প্রতিস্থাপন 🫀
  • বংশগতভাবে 🧬

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা 🛡️

বর্তমানে প্রিয়ন্স রোগের কোনো কার্যকরী চিকিৎসা নেই। সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং দূষিত খাদ্য পরিহার করা উচিত। ❤️

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ✨

  • প্রিয়ন্স অত্যন্ত প্রতিরোধী। 🌡️🔥
  • সাধারণ জীবাণুনাশক দিয়ে এদের ধ্বংস করা যায় না। ☠️
  • অটোক্লেভিং এবং শক্তিশালী রাসায়নিক দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।

এটি রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটিন হওয়ায়, এটি নিয়ে গবেষণা🔬 ভবিষ্যতে কার্যকর চিকিৎসা🩺 পদ্ধতি খুঁজে বের করতে সহায়ক হতে পারে।

Option A Explanation:
  • RNA (রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড): ভিরয়েডের গাঠনিক উপাদান হলো RNA। এটি এক ধরনের ক্ষুদ্র, সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড নিউক্লিক অ্যাসিড যা ডিএনএ’র তুলনায় খুবই ছোট।
  • প্রোটিনের অভাব: ভিরয়েডের মধ্যে কোনও প্রোটিনের উপস্থিতি দেখা যায় না। তারা কেবলমাত্র RNA দ্বারা গঠিত।
  • গঠন: ভিরয়েডের RNA সাধারণত সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড এবং বাঁকানো বা ক্রস-সেকশনাল গঠন ধারণ করে, যা তাদের স্থিতিশীলতা ও কার্যকলাপে সহায়তা করে।
Option B Explanation:
  • DNA (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লেইক অ্যাসিড): DNA হলো একটি জৈবিক অণু যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে। এটি ডাবল হেলিক্যাল আকারে গঠিত এবং জীবের বৃদ্ধি, বিকাশ, পুনরুত্পাদন ও প্রজননের জন্য অপরিহার্য।
  • গঠন: DNA এর মূল উপাদান হলো নিউক্লিওটাইড, যা নিউক্লোটাইডের সংমিশ্রণে গঠিত। প্রতিটি নিউক্লিওটাইডে থাকে একটি ফসফেট গ্রুপ, একটি শর্করা (ডিঅক্সিরাইবো), এবং একটি নাইট্রোজেন বেস।
  • কার্যপ্রণালী: DNA এর মাধ্যমে জীবের জেনেটিক তথ্য প্রেরিত হয় এবং এটি প্রোটিন সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • প্রকার: বিভিন্ন ধরনের DNA রয়েছে, যেমন চROMOSোমের মধ্যে থাকা ডি.এন.এ., মাইটোকন্ড্রিয়াল ডি.এন.এ, ইত্যাদি।
Option C Explanation:
  • প্রোটিন: ইন্টারকাইনেসিসের সময় সাধারণত প্রোটিন সংশ্লেষিত হয় না।
  • এটি একটি কোষের বিভাজনের সময় যে সময়ে DNA, RNA এবং অন্যান্য উপাদানগুলি সংশ্লেষিত হয়, তবে প্রোটিনের সংশ্লেষণ ঘটে মূলত গ্লাইকোলাইসিস বা অন্যান্য সময়ে।
  • অর্থাৎ, ইন্টারকাইনেসিসের সময় প্রোটিনের সংশ্লেষণ কম বা হয় না, তবে এটি মূলত অন্য সময়ে ঘটে থাকে।
Option D Explanation:
  • প্রধান কারণ: ভাইরাস
  • বর্ণনা: হেপাটাইটিস রোগের জন্য ভাইরাসই মূল কারন। এই ভাইরাসগুলো হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি, এবং ই ধরনের হতে পারে।
  • প্রভাব: ভাইরাসগুলো লিভারকোষের মধ্যে প্রবেশ করে সংক্রমণ সৃষ্টি করে, ফলে লিভার ফাংশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, শারীরিক নিঃসরণ, বা সঠিক স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ছড়ায়।
Option E Explanation:
  • রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটিন হলো প্রোটিন যা শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটিয়ে রোগ সৃষ্টি করে।
  • এগুলি বিভিন্ন ভাইরাসের ভিতরে থাকে এবং ভাইরাসের সংক্রমণ দ্বারা মানবদেহে রোগের সৃষ্টি করে।
  • উদাহরণস্বরূপ, কিছু ভাইরাসের প্রোটিন শরীরের কোষে প্রবেশ করে এবং সেগুলি ক্ষতিগ্রস্ত করে রোগের লক্ষণ দেখায়।
  • এছাড়াও, এই প্রোটিনগুলি রোগের লক্ষণ আরো তীব্র বা দুর্বল করতে পারে।