আঠারো বছর বয়সে কি উঁকি দেয়?
A. যৌবন
B. প্রেম
C. দুঃসাহসেরা
D. তারুণ্য
সঠিক উত্তরঃ
C.
দুঃসাহসেরা
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- কত বছর বয়সে কবি সুকান্তের মৃত্যু হয়েছিল?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটির রচয়িতা কে?
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ, ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচারক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করেপুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা।আয় দুরন্ত, আয়রে আমার কাঁচা।'আঠারো বছর বয়স" কবিতায় এবং উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে- এ বিষয়ে তোমার যৌক্তিক মতামত দাও।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন দৈনিক পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন?
- আমি গাই তারি গান-
- আঠারো বছর বয়সীদের তাজা প্রাণে কেমন যন্ত্রণারসৃষ্টি হয়?
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।'উদ্দীপকটির বক্তব্য 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বক্তব্যের সাথে কি সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পিতার নাম কী?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই, যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা,মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।উদ্দীপকের উক্ত দিকটি কি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।"উদ্দীপকের তিশার কাজ ও মনোভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব কে বহন করে মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর কেন?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন সংঘের পক্ষে 'আকাল' কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন?
- 'আঠারো বছর বয়স'- কবির এই চরণটি যাদের জন্য প্রযোজ্য- জমিলা-ঢেঙাবুড়ো আক্কাস-জমিলা কালু-মতিনিচের কোনটি সঠিক?
- পূর্ণিমার চাঁদ কে ঝলসানাে রুটির সঙ্গে তুলনা করেছেন কে?
- নিচের কোনটিতে আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচকদিকের প্রতিফলন ঘটেছে?
- আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল ।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের সঙ্গে অধিকতর সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো-ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদাবিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকিনিচের কোনটি সঠিক?
- ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর? প্রলয় নতুন সৃজন বেদন।আসছে নবীন জীবন হারা অসুন্দরে করতে ছেদন।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত আঠারো বছরবয়সের কোন বৈশিষ্ট্যটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় 'সঁপে আত্মাকে শপথেরকোলাহলে।'— বলতে কী বোঝায়?
- 'কিশোর সভা' সুকান্ত ভট্টচার্য সম্পাদিত কোন পত্রিকার অংশ ছিল?
- 'আঠারো বছর বয়স মাথা নোয়াবার নয়'- কেন?
- আঠারো বছর বয়স' কবিতায় আঠারো বছর বয়স শব্দবন্ধটি কতবার ব্যবহৃত হয়েছে?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করে বলেছেন, 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং হুড়াইতে ছড়াইতে আহার অন্ত'। কারণ, তাঁর কাছে যৌবন হলো অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক। যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে। সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ওম ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে। 'সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে' উদ্দীপকের এই উক্তির আলোকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?