কাজী নজরুল ইসলাম কোন কবিতার জন্য কারাবরণ করেন?
A. বিদ্রোহী
B. আনন্দময়ী আগমনে
C. নারী
D. সাম্যবাদী
সঠিক উত্তরঃ
B.
আনন্দময়ী আগমনে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- “বিদ্রোহী” কবিতায় বিশিষ্ট মুনি দুর্বাসার মায়ের নাম কী?
- ‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্যসংকলন?
- শিউলিমালা কাজী নজরুলের-
- 'অন্যায়ের কাছে নত নয় শিরভয়ে কাঁদে কাপুরুষ, লড়ে যার বীর।' উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ফুটে ওঠা দিকটি হলো-দেশপ্রেমবীরত্বউচ্চাকাঙ্ক্ষানিচের কোনটি সঠিক?
- অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খলতার প্রকাশ 'বিদ্রোহী' কবিতার কোন চরণটি?
- কী জানি কী হলো আজি, জাগিয়া উঠিল প্রাণ-দূর হতে শুনি যেন মহাসাগরের গান।ওরে, চারি দিকে মোর এ কী কারাগার ঘোর-ভাঙ ভাঙ ভাঙ কারা, আঘাতে আঘাত করো।ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখি,এসেছে রবির কর।উদ্দীপকের আত্মজাগরণের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতায় প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের জাগরণের তুলনা করো।
- কবি নিজেকে বেদুইন বলেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহিদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে। প্রীতিলতাও বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ হন। প্রথম নারী সদস্য হিসেবে যোগ দেন সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে এরপর টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস এবং রিজার্ভ পুলিশ লাইনস দখল অভিযানে যুক্ত ছিলেন। তিনি অংশগ্রহণ করেন জালালাবাদ যুদ্ধেও। ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। 'কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ' এরূপ অবমাননামূলক কথার জন্য ক্লাবটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ ছিল ভারতীয়রা। প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে। ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাৎক্ষণিকভাবে পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন। তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরও উজ্জীবিত করে তোলে। উদ্দীপকটিতে 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করো।
- যার মনে মানবপ্রেম নেই, মসজিদে কিংবা মন্দিরে গিয়ে যতই ক্রন্দনরত অবস্থায় থাকুক, সৃষ্টিকর্তার প্রেম সে পাবে না, পেতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা সবার প্রতি করুণা করেন কিন্তু প্রেম সবার ললাটে জোটে না। যে ব্যক্তির হৃদয় অভাবী, অসহায়, নিঃস্ব এতিম ও দূর্বলকে দেখে আপ্লুত হয় না, কষ্টে চিত্ত ব্যর্থিত হয় না; তার মনে প্রেম নেই, মায়া নেই, কোনো মমতা নেই। স্রষ্টার প্রিয়পাত্র সে হতে পারে না।
- "হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখন/জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,গত আকালের মৃত্যুকে মুছে/আবার, এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।'হয় ধান নয় প্রাণ'-এ শব্দে/সারা দেশ দিশাহারা,একবার মরে ভুলে গেছে আজ/মৃত্যুর ভয় তারা।শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী/ অবাক তাকিয়ে রয়,জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার/তবু মাথা নোয়াবার নয়।"উদ্দীপকটি 'বিদ্রোহী' কবিতার মূলভাবকে পুরোপুরি ধারণ করতে পেরেছে কি? উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতার আলোকে পর্যালোচনা করো।
- আমার কণ্ঠকে কেউ কোনদিন থামাতে পারেনি, যেমন পারেনি কেউ কোনকালে ঠেকাতে অরুণোদয়, চাও বা না চাও নৈঃশব্দ্যেও যদি কান পাতো শুনবে আমারই কণ্ঠস্বর।উদ্দীপকের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যের কারণ কী? নিজের প্রতি দায়বদ্ধতাআদর্শবর্জিত দুঃসাহসিকতাআত্মবিশ্বাস-আত্মজাগরণনিচের কোনটি সঠিক?
- একদল অভিযাত্রী পাহাড়ের চূড়ায় ওঠার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যাত্রা শুরু করে। মাঝপথে শুরু হয় তীব্র ঝড়। সবাই সমস্বরে নিচে নামার জন্য চিৎকার করে। যাত্রীদের 'অধিনায়ক সবার সঙ্গে সুর না মিলিয়ে ১ বলেন, ভয় পাই না এই ঝড়কে। আরও বলেন, আমি নিজেই সাইক্লোন, এই মামুলি ঝড় আমার কী হবে? উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিদ্রোহী' কবিতার সাদৃশ্যের কারণ হলো-নিজের প্রতি দায়বদ্ধতাসাহসিকতা আত্নবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- ‘বিদ্রোহী' কবিতায় তরবারি-সদৃশ অস্ত্রবিশেষকে কী নামে অভিহিত করা হয়েছে?
- কবি নিজেকে একই সঙ্গে সৃষ্টি ও ধ্বংসের সাথে তুলনা করেছেন কেন?
- ভারতীয় পুরাণের কোপণ-স্বাভাববিশিষ্ট মুণির নাম কী?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহে ছিলেন হিমালয়ের মতো সুউচ্চ এবং জীবন্ত আগ্নেয়গিরির মতো দহন ক্ষমতাসম্পন্ন এবং প্রেমের ক্ষেত্রে ছিলেন স্রোতঃস্বিনী নদীর জোয়ারের মতো। তাঁর প্রেমের ফেনায়িত তরঙ্গ কুল ছাপিয়ে একাকার হয়ে গেছে। বিদ্রোহের পিছনেও ছিল তাঁর খরস্রোতা নদীর মতো দেশপ্রেম।"উদ্দীপক ও 'বিদ্রোহী' কবিতাটি একই সূত্রে গাঁথা।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'হল' নামক অস্ত্রের সাথে সম্পর্ক কার?
- 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- "মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য; পঙ্ক্তিতে কী বোঝানো হয়েছে?
- আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর,আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই বড়াই যে মোরে করেছে পর।যে মোরে করিল পথের বিবাগী-পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি,দীঘল রজনী তার ত???ে জাগি' ঘুম যে হরেছে মোর;আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তর ঘর।উদ্দীপকের কবির বক্তব্য বিষয়ের সাথে 'বিদ্রোহী' কবিতার বৈশাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা কর।
- 'পাশরি' শব্দের অর্থ কী?
- কবি নিজেকে মহাপ্রলয়ের নটরাজ বলেছেন কেন?
- যার মনে মানবপ্রেম নেই, মসজিদে কিংবা মন্দিরে গিয়ে যতই ক্রন্দনরত অবস্থায় থাকুক, সৃষ্টিকর্তার প্রেম সে পাবে না, পেতে পারে না। সৃষ্টিকর্তা সবার প্রতি করুণা করেন কিন্তু প্রেম সবার ললাটে জোটে না। যে ব্যক্তির হৃদয় অভাবী, অসহায়, নিঃস্ব এতিম ও দূর্বলকে দেখে আপ্লুত হয় না, কষ্টে চিত্ত ব্যর্থিত হয় না; তার মনে প্রেম নেই, মায়া নেই, কোনো মমতা নেই। স্রষ্টার প্রিয়পাত্র সে হতে পারে না।'বিদ্রোহী' কবিতায় কোন দিকটি উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে? আলোচনা কর।
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি বিশ্বকে নিঃক্ষত্রিয় করতেচান কেন?