সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটক অনুসরণে ট্র্যাজেডির ধর্ম কী?
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকৃতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের কারণে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের দ্বিতীয় চরণ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের যে চরিত্রকে নির্দেশ করে তা ব্যাখ্যা করো।
- 'নট্' ধাতুর অর্থ কী?
- 'ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন'- কথাটি-বুঝিয়ে লেখ।
- 'ভীরু প্রতারকের দল চিরকালই পালায়'-সংলাপটি কার?
- জমিদার নন্দলালের মৃত্যুর পর তার একমাত্র উত্তরাধিকারী গোবিন্দলাল জমিদারি পায়। গোবিন্দলাল বয়সে তরুণ ও সরল প্রকৃতির। তার এ সুযোগ নিয়ে তার কাকা শিশির গোবিন্দলালের অমাত্যদের নিয়ে 'ঘরের শত্রু বিভীষণে' পরিণত হয়। গোবিন্দলাল বিষয়টি বুঝতে পারে এবং তার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়।গোবিন্দলালের কাকা 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- ধনকুবের উত্তম দেবনাথ তার চাচাতো ভাইয়ের ষড়যন্ত্রে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। সরল মনের মানুষ উত্তম দেবনাথ তাঁর ভাইকে বিশ্বাস করে ঠকেছেন। তিনি পুলিশের ভয়ে চোরের মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছে??। তাঁর স্ত্রী মাধবী ছোটো সন্তান নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঘোরেন। তার স্বামীর যখন এ দুরবস্থা, তখন তার কীসের অহংকার, কীসের কষ্ট।উদ্দীপকের মাধবী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লুৎফা কোন দিক দিয়ে অভিন্ন? ব্যাখ্যা করো।
- নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। জমি নিয়ে বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন। অনেক সালিশ-বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোটো ভাই নেপাল বড়ো ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামে এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আব্দুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। কোরবানির ঈদে সে নেপালের বাড়ির সামনে গোরু কোরবানি দেয়। এই ঘটনায় নেপালের মন ভেঙে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবার ভারতে চলে যায় সে।'খাল কেটে কুমির আনা।' প্রবাদটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক উভয় ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য।"- উক্তিটির সার্থকতা নিরূপণ করো।
- 'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' - বাক্যটির মর্মার্থ হলো—
- 'যার অন্তরে বয়ে যায় দেশপ্রেমকোন অসম্মান তাকে পারে না ছুঁতেশত কলঙ্ক রেখা দিলে টেনেকালের পৃষ্ঠা তাকে খাঁটি করে হেমেপ্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরেতিনি বেঁচে থাকেন অন্তরে।'উদ্দীপকের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মধ্যে বেশি স্পষ্ট? বর্ণনা করো।
- মেলান্দহ নদীর পাড় ঘেঁষে পাইনশাইল গ্রাম। গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় মিলিটারি ক্যাম্প। সবুর কমান্ডারের নেতৃত্বে ছাপ্পান্ন জন মুক্তিযোদ্ধা এক বর্ষণমুখর রাতে আক্রমণ চালায় মিলিটারি ক্যাম্পে। তিন দিন থেকে বিরতিহীন গুলি বর্ষণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনার দল। নিতান্তই আত্মরক্ষার জন্য গুলি ছোড়ে তারা। একজন রাজাকার পাকিস্তানি কমান্ডারকে বলে, 'গুলি না চালিয়ে চলো পালাই।' কমান্ডারকে নিয়ে নদীপথে পালিয়ে প্রাণে বাঁচে সে। ততক্ষণে মিলিটারি ক্যাম্প সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত।'নবাব সিরাজউদ্দৌলার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের মিলিটারি ক্যাম্প আক্রমণ একই প্রেরণা থেকে উৎসারিত।'- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
- ইংরেজদের সাথে উমিচাঁদের কত টাকার চুক্তি হয়েছিল?
- সুজন মিয়া এতিম আলীকে আদর, ভালোবাসা দিয়ে বড়ো করে তোলেন। তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন। বিশ্বাস করে হাটবাজারে পাঠান বিভিন্ন জিনিস কেনাকাটা করার জন্য। প্রতিবেশীরা সুজন মিয়াকে প্রায়ই বলেন, আলীকে এত বিশ্বাস না করতে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে সুজন মিয়া মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করলে আলী গোপনে তার সব খবর। পাকিস্তানি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেয়।, পরবর্তীকালে রাজাকার আর পাকিস্তানি সেনাদের কাছে সুজন মিয়াকে ধরিয়ে দেয়।"উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পুরোভাব প্রকাশিত না হলেও, একটি দিক মাত্র প্রকাশিত হয়েছে।"- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ঘসেটি বেগম কাকে সাপিনী বলেছেন?
- 'রজার ড্রেক প্রাণ ভয়ে কুকুরের মতো ল্যাজ গুটিয়ে পালিয়েছে'- ব্যাখ্যা করো।
- "আমার সারা অস্তিত্ব জুড়ে কেবল যেন দেয়ালের ভীড়"- উক্তিটির তাৎপর্য লেখো।
- 'এ. আর.' একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পদ প্রাপ্তির লোভ করা মানুষের সংখ্যা কম না। ফেরদৌস মিঞা নামে এক ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের সাথে গোপনে হাত মিলিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে 'এ. আর' প্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ লাভ করেন। কিন্তু একান্তে যখন থাকেন, তখন নিজের মনকে নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ করে বসেন 'আমি কি এ পদের জন্য যোগ্য।'উদ্দীপকের ফেরদৌস মিঞার মনোভাবের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মনোভাবের সাদৃশ্য পাওয়া যায় এবং তা কীভাবে? বিচার করো।
- ট্র্যাজেডি হিসেবে' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে 'স্বার্থান্ধ প্রতারকের কাপুরুষতা বীরের সংকল্প টলাতে পারেনি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কতটি দৃশ্য রয়েছে?
- কোনটি সঠিক?
- 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র দেশপ্রেমিক রাক্ষসরাজ রাবণ দেশে শত্রুবেষ্টিত ও অবরুদ্ধ। রামচন্দ্র ও তার বানর সৈন্য লঙ্কা নগরীকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। রাবণের অনুজ বিভীষণ শত্রুসেনাদের সাথে যোগ দিয়ে রাবণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। চারিদিকে অবিশ্বাস, প্রতারণা ও বিপর্যয়ের হাতছানি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বীর পুত্রদের মৃত্যুর খবর আসে তাঁর কানে । বিষন্ন ও দ্রোহক্ষুব্ধ রাবণ শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য যুদ্ধসাজ নিয়ে রণক্ষেত্রে অগ্রসর হয়। দেশের জন্য এ সংগ্রাম প্রকৃত বীরত্বের মহিমায় উজ্জ্বল।উদ্দীপকের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে তা মূল্যায়ন করো।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতীয় স্বার্থের বদলে নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেকেই পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা দেয়। এদের স্বাধীনতাকামী মানুষ ঘৃণা করে। এরা গাদ্দার বলে বিবেচিত হয়।উদ্দীকের গাদ্দার 'সিরাজউদ্দৌলা নাটকের-
- 'আমার শেষ যুদ্ধ পলাশিতেই।'- ব্যাখ্যা করো।
- অমর ও সমর অন্তরঙ্গ বন্ধু। একদা তারা এক বনের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিল। তারা প্রতিজ্ঞা করেছে পথে কোনো বিপদে কেউ কাউকে ছেড়ে যাবে না। বনের মাঝামাঝি আসতেই তারা এক হিংস্র ভালুকের আক্রমণের শিকার হলো। অমর বন্ধুর কথা না ভেবে নিজের প্রাণ বাঁচাতে একটি বৃক্ষের উপর উঠে গেল; কিন্তু সমর গাছে উঠতে পারে না। উপায় না দেখে সে মৃত মানুষের মতো মাটিতে শুয়ে পড়ল। হিংস্র ভালুকটি দৌড়ে এসে সমরের দেহটিকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে অবশেষে মৃতদেহ ভেবে চলে গেল। বিপদমুক্ত ভেবে অমর এবার বৃক্ষ থেকে নামল আর বন্ধু সমরের কাছে জানতে চাইল, ভালুক তার কাকে কানে কী বলে গেছে? সমর গম্ভীর স্বরে উত্তর দিল- 'ধূর্ত ও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীরা চিরকালই শত্রু হয়, বন্ধু হয় না, এই কথাই বলেছে।''ধূর্ত ও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গকারীরা চিরকালই শত্রু হয়, বন্ধু হয় না,' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ও উদ্দীপকের এই বক্তব্যের সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়- বিচার করো।