'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'আঠারো বছর বয়স' বিপদের মুখে কী?
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে।পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচাআয় দূরন্ত আয় রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় মূলত তারুণ্যের জয়গান গাওয়া হয়েছে।" মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- "আঠারো বছর বয়স" কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে' – এ পঙক্তি দ্বারা কীবোঝানো হয়েছে?
- 'রক্তদানের পুণ্য' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্???ের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন দৈনিক পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন?
- আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- আঠারো বছর বয়সীদের তাজা প্রাণে কেমন যন্ত্রণারসৃষ্টি হয়?
- উড়ছে, উড়ছে অবিরামআমাদের হৃদয়ের রৌদ্র ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠেআমাদের চৈতন্যের মোর্চায়।…………….…………….…………….……………আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।'আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা'- উদ্দীপকের এই চরণটির আলোকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি বিশ্লেষণ করো।
- করোনা মহামারিতে মানুষ যখন খুব ভীত ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন যাপন করছিল বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তিশা তখন ভয়ভীতি ত্যাগ করে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনা আক্রান্ত মানুষের বাড়িতে ওষুধ ও খাবার নিয়ে গেছে দিন রাত। তিশাকে অনেকেই এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিলেও তিশার কাছে মনে হয়েছে তারুণ্যই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উপযুক্ত সময়। আর এ জন্যই সে সমস্ত সমালোচনা অগ্রাহ্য করে মানবতার সেবায় অংশগ্রহণ করেছে সানন্দে।উদ্দীপকের তিশার সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'আঠারাে বছর বয়স' কবিতার মূলসুর-
- 'আঠারো বছর বয়স 'কবিতায় পদবিন্যাস কেমন?
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।"এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে' উক্তিটির সার্থকতা উদ্দীপকে বর্ণিত 'মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্যর সাথে সম্পর্কিত।”- বিষয়টি আলোচনা করো।
- আঠারো বছর বয়সকে কবি 'দুঃসহ' বলেছেন কেন?
- প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের আর নিছক কৌতূহলের বশে 'ব্লু হোয়েল' নামক অনলাইন গেমের মরণজালে জড়িয়ে সোনালি তার জীবন বিপন্ন করে তোলে। অথচ শমী হাসান মায়ের মৃত্যুর পর শোককে শক্তিতে পরিণত করে দরিদ্র হরিজন পল্লিতে সেবামূলক কাজ শুরু করে। পানিবাহিত রোগের কারণে যেন কারো মৃত্যু না ঘটে সেই বিষয়ে কাজ করে শমী আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা গ্লোবাল সিটিজেনের নিরাপদ পানি, সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক তরুণ মুখপাত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে শমী হাসানের কার্যক্রমকে মূল্যায়ন করো।
- বিপদের মুখে 'আঠারো বছর বয়স' কেমন?
- 'আঠারো বছর বয়স'- কবির এই চরণটি যাদের জন্য প্রযোজ্য- জমিলা-ঢেঙাবুড়ো আক্কাস-জমিলা কালু-মতিনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘রক্তদানের পুণ্য' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- আঠারো বছর বয়সে কবি কী শুনতে পেয়েছেন?
- কবি কেন যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন?
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- এ কথা দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- ব্যাখ্যা কর।