আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
A.
পথের বাধা ভাঙ্গতে চায় বলে
B.
বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে বলে
C.
প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণার কারণে
D.
স্পর্ধায় মাথা তুলবার ঝুঁকির কারণে
সঠিক উত্তরঃ
D.
স্পর্ধায় মাথা তুলবার ঝুঁকির কারণে
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- আমরা চলি সম্মুখপানেকে আমাদের বাঁধবে?রইল যারা পিছুর টানেকাঁদবে তারা কাঁদবে।ছিঁড়ব বাধা রক্ত পায়ে,চলব ছুটে রৌদ্রে ছায়েজড়িয়ে ওরা আপন গায়েকেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।উদ্দীপকের বক্তব্য ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যে ভাবগত মিল রয়েছে, তা কোন অর্থে ইতিবাচক?
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ, ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচারক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করেপুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা।আয় দুরন্ত, আয়রে আমার কাঁচা।'আঠারো বছর বয়স" কবিতায় এবং উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে- এ বিষয়ে তোমার যৌক্তিক মতামত দাও।
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- "আঠারো বছর বয়স" কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- দুরন্ত পথিক দুর্বার তারুণ্যের প্রতীক। সে বিপ্লবের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত মুক্তি সৈনিক। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সে দুর্গম পথে এগিয়ে চলে। তার শক্তি অবিনশ্বর। পথ চলতে সে কখনো থেমে যায় না। তার চেতনা দুর্বারকে জয় করে।উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার চেতনা সর্বজন কর্তৃক অনুকরণীয়- বিশ্লেষণ কর।
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস-
- 'বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী'- ব্যাখ্যা করো।
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।"উদ্দীপকের প্রাণধর্ম ও যৌবন-ধর্ম 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় পরিলক্ষিত হয়"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- ব্যাখ্যা কর।
- স্টিমারের প্রসঙ্গ এসেছে কোন কবিতায়?
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি।'- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- মচমইল বাজারে প্রকাশ্যে তিনজন সন্ত্রাসী আক্রমণ করে তালেব মাস্টারকে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মোটরসাইকেলযোগে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এমন সময় ঘটনাস্থলে এসে পড়ে সাহসী এক তরুণ ফিরোজ। সে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে এবং একজনকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। ফিরে এসে দেখে মাস্টার তখনও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসছে না, পুলিশি ঝামেলার ভয়ে। ফিরোজ কোনো কিছু না ভেবেই মাস্টার মশাইকে নিয়ে যায় মেডিকেলে।উদ্দীপকের মূলভাব 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাবের দ্যোতক- আলোচনা করো।
- ‘আমাদের তরুণরাই দেশ ও জাতির চালিকাশক্তিহয়ে দাঁড়াক।'- এ প্রত্যাশার প্রতিফলন 'আঠারোবছর বয়স' কবিতার কোন চরণটিতে ঘটেছে?
- 'আকাল' সুকান্ত ভট্টাচার্যের কী ধরনের রচনা?
- আঠারো বছর বয়স পদঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরায় ঘটে যাওয়া রক্তাক্ত বিভীষিকা আজও আমায় স্তম্ভিত করে দেয়। বিপন্ন মানবতার আর্তচিৎকারে ভারি হয়ে ওঠে আকাশ-বাতাস। ফারাজ আইয়াজ হোসেন, এক প্রাণবন্ত যুবক। বিপদের মুখে বন্ধুদের ছেড়ে আসতে রাজি না হওয়ায় দুষ্কৃতকারীদের হাতে প্রাণ হারায়। সে প্রকৃত বন্ধুত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, বন্ধুত্বের জন্য জীবন উৎসর্গ করে। দৃঢ়তার সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ভালোবাসা ও সহানুভূতির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গোষ্ঠী, ধর্ম ও জাতীয়তার মানুষের মানবিকতাকে একসূত্রে গ্রথিত করেছে। ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে উঠে তার 'এই অসাধারণ চারিত্রিক দৃঢ়তা প্রদর্শন বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।উদ্দীপকের আলোকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- উক্তিটির সাদৃশ্য তুলো ধরো।
- বাংলাদেশের সড়ক পথে হতাহতের ঘটনা কেন্দ্র করে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল নয় দিনের একটি আন্দোলন 'নিরাপদ সড়ক চাই।' এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। আন্দোলনের রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা দেশে।"উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব একই সূত্রে গ্রোথিত'- বিশ্লেষণ করো।"
- "এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে"- পংক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- 'বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাটযাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহারসাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে’– তারুণ্যের এবৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে—
- ঋতু প্রিয়জনের মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন। জীবন-জগতের কোনো সৌন্দর্য তাকে আকৃষ্ট করে না। যে চাঁদের আলো দেখে একসময় তার মনে আনন্দে ভরে উঠত, সেই আলো এখন তার কাছে আঁধারের অধিক।ঋতুর মন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন প্রতীককে ধারণ করেছে?
- আঠারো বছর বয়স কী জানে?
- ‘সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে'— 'আঠারো বছরবয়স' কবিতার চরণটিতে কী প্রকাশিত?