আফিমের ঘোরে কমলাকান্ত বিড়ালকে কী মনে করেছিল?
A. ডিউক
B. প্রসন্ন
C. নেপোলিয়ন
D. মঙ্গলা
সঠিক উত্তরঃ
A.
ডিউক
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- লোক-লোকান্তর' কবিতায় কবি তাঁর কাব্যচেতনাকে মূর্ত করেছেন কোন অলঙ্কারের মধ্যে দিয়ে?
- বিড়াল' রচনায় অত্যন্ত কৃপণও কখন ঘুমায় না?
- কবর কবিতায় পরির সঙ্গে যার তুলনা করা হয়েছ সে হলো-
- জ্ঞানের দীনতা এই আপনার মনে/পূরণ করিয়া লই যত পারি _______।'- শূন্যস্থানে বসবে-
- পাশ্চাত্যদেশে ‘জাদুঘরতত্ত্ব’ বলতে নিচের কোনটিকে বোঝায়?
- নিচের কোনটি আল মাহমুদের উপন্যাস?
- মুসোলিনি' নামটি কোন প্রবন্ধে ব্যবহৃত হয়েছে?
- হাতি আড় হলে ................ লাথি মারে।
- নিচের কোনটি সঠিক?
- দেশে-বিদেশে' বইটিতে কোন শহরের কাহিনী প্রাধান্য পেয়েছে?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (১-৫) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর: কোনো এক জন আনাড়ি কারিগরের তোলা ছবি। মা ছিল না, সুতরাং কেহ তাহার চুল টানিয়া বাঁধিয়া খোঁপায় জরি জড়াইয়া, সাহা বা মল্লিক কোম্পানির জবড়জঙ জ্যাকেট পরাইয়া বরপক্ষের চোখ ভুলাইবার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা করে নাই। ভারি একখানি সাদাসিধা মুখ, সাদাসিধা দুটি চোখ এবং সাদাসিধা একটি শাড়ি। কিন্তু সমস্তটি লইয়া কী যে মহিমা সে আমি বলিতে পারি না। যেমন তেমন একখানি চৌকিতে বসিয়া, পিছনে একখানা ডোরা দাগ কাটা শতরঞ্জক ঝোলানো, পাশে একটা টিপাইয়ের উপরে ফুলদানিতে ফুলের তোড়া। আর, গালিচার উপরে শাড়ির বাঁকা পাড়াটির নিচে দুখানি খালি পা।অনুচ্ছেদটির মূল প্রসঙ্গ কী?
- ‘ঐকতান’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ’সাম্যবাদী’ কবিতায় কোন স্থানের উল্লেখ নেই?
- “গাছ যদি হয় বীজের জোরে, ফল তো ধরেনা” কোন কবিতার অংশবিশেষ?
- ‘ঐকতান’ কবিতায় কবি মনের ক্ষোভে কোন ধরনের গ্রন্থ পড়েন?
- অনুচ্ছেদটির শূণ্যস্থান পূরণ করঃ
- ‘বিড়াল’ প্রবন্ধে বঙ্কিমচন্দ্র কাকে অন্ধকার হতে আলোতে এনেছেন?
- পূর্ণেন্দু দস্তিদার মৃত্যুবরণ করেন-
- চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধে লেখিকার প্রত্যাশা কি?
- সনেটের স্বটক এর বিভাজনকে কী বলে?
- ঐকতান সংগীত সভা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- অনুচ্ছেদটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর (1-5) যথার্থ উত্তরটি চিহ্নিত কর; আমি বক্তাও নহি। আমি কমবক্তার দলে। বক্তৃতায় যাঁহারা দিগ্বিজয়ী, বক্তিয়ার খিলজি, তাঁহাদের বাক্যের সৈন্য-সামন্ত অত দ্রুতবেগে কোথা হইতে কেমন করিয়া আসে বলিতে পারি না। তাহা দেখিয়া লক্ষণ সেন অপেক্ষাও আমরা বেশি অভিভূত হইয়া পড়ি। তাঁহাদের বাণী আসে বৃষ্টিধারার মতো অবিরল ধারায়। আমাদের কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝর্ণাধার মতো। ছন্দের দুকূল প্রাণপণে আঁকড়িয়া ধরিয়া সে সঙ্গীত গুঞ্জন করিতে করিতে বহিয়া যায়। পদ্মা ভাগীরথীর মতো খরস্রোতা যাঁহাদের বাণী, আমি তাঁহাদের বহু পশ্চাতে। আমার একমাত্র সম্বল- আপনাদের তরুণদের প্রতি আমার অপরিসীম ভালোবাসা, প্রাণের টান।কবিদের বাণী কেন ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো বয়ে যায়?
- সাগরকন্যা'কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?
- কোন প্রবন্ধটি রচনার কারণে মীর মশাররফ হোসেন স্বসমাজ হতে নিগৃহীত হন?
- আজি হতে শত বর্ষ পরে এর পরের পঙক্তিটি হলো-