সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাস কত সালে প্রকাশিত হয়?
A. 1946
B. 1948
C. 1949
D. 1947
সঠিক উত্তরঃ
B.
1948
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'সব লোকে কয় কী জাত সংসারে' এ গানে লালন ফকির মানুষের। জাত পরিচয় নিয়ে প্রশ্নউত্থাপন করেছেন। নিজে কোন ধর্মের বা জাতের, লালন সম্পর্কে এমন প্রশ্ন আগেও ছিল, এখনো আছে। জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। জন্ম-মৃত্যুর সময় সব মানুষ তো একইভাবে আসে কিংবা যায়। তাই মানুষ জাত ও ধর্ম ভেদে যে। ডিন্নতার কথা বলে, লালন তা বিশ্বাস করেন না। লালনের মতে, ধর্মই তথ্য তথা মনুষত্ববে সুবোধই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। সেজন্য জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।উদ্দীপকের জাত পরিচয়ের বিষয়টি 'বিলাসী' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি শরৎচন্দ্রের উপন্যাস নয়?
- "ফিরিবার সময় মেয়েটি আরেকটি প্রদীপ নইয়া আমার আগে আগে ভাঙ্গা প্রাচীরের শেষ পর্যন্ত আসিল "- বাক্য টি নিচের কোন গল্প থেকে নেয়া হয়েছে ?
- নূরুলদীন কোন অঞ্চলের কৃষকনেতা ছিলেন?
- “তাহার মাথায় গেরুয়া পাগড়ি, বড় বড় দাড়ি-চুল, গলায় রুদ্রাক্ষ ও পুঁতির মালা।' এখানে কার মাথার কথা বলা হয়েছে?
- ন্যাড়া কোন বঙ্গের অনেক পল্লীতে অনেকদিন ঘুরে গৌরব করবার মতো অনেক বড় বড় ব্যাপার প্রত্যক্ষ করেছে?
- ’শেষ প্রশ্ন’ উপন্যাসটি কার লেখা?
- বিলাসী' গল্পে 'মহত্ত্বের কাহিনি' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'ওরে বাপরে আমি আর একলা থাকতে পারব না'- উক্তিটির ভাবার্থ লেখো।
- বলিলাম, 'পৌঁছে দিতে হবে না, শুধু আলোটা'দাও।'- উক্তিটিতে ন্যাড়ার যে মনোভাব প্রকাশপেয়েছে—
- বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ 'সাহিত্য সম্রাট' উপাধিতে ভূষিত হন কে?
- সৌদামিনী মালোর পালিত পুত্র হরিদাসকে নিয়ে মনোরঞ্জন মালো গ্রামময় প্রচার করে দিলো। যে সৌদামিনী ভয়ানক শাস্ত্রবিরুদ্ধ পাপ কর্ম করেছে। ব্রাহ্মণের জাত মেরেছে সে। সৌদামিনী মালোর সাথে মনোরঞ্জন মালোর শত্রুতা আগে ছিল ব্যক্তিগত এখন তা সমাজগত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু একা মনোরঞ্জন মালো নয় সমস্ত গ্রাম সৌদামিনী মালোর বিরুদ্ধে জুলুম শুরু করল।উদ্দীপকের সৌদামিনী মালোর, সাথে 'বিলাসী' গল্পের বিলাসী চরিত্রের কী মিল খুঁজে পাওয়া যায়? আলোচনা করো।
- কোন গল্প রচনার মাধ্যমে ছোটোগল্প লেখক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মপ্রকাশ ঘটে?
- উপরের আদালতের হুকুমে' বোঝানো হয়েছে? বলতে কোনটিকে
- মুখে দেয় জল, সুধায় কুশল, শিরে দেয় মোর হাত,দাঁড়ায়ে নিঝুম, চোখে নাই ঘুম, মুখে নাই তার ভাত।বলে বার বার, 'কর্তা, তোমার কোনো ভয় নাই, শুন-যাবে দেশে ফিরে, মা ঠাকুরাণীরে দেখিতে পাইবে পুন।'লভিয়া আরাম আমি উঠিলাম, তাহারে ধরিল জ্বরে,নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ'পরে।উদ্দীপকের ভূত্যের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? বুঝিয়ে লেখো।
- ‘চার ক্রোশ পথ ভেঙে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়।’-- এক ক্রোশে কত মাইল?
- ন্যাড়া ও তার সহপাঠীরা দুই ক্রোশ পথ হেঁটে স্কুলে যাওয়ার কারণ কী?
- নিচের কোনটি “কপালকুন্ডলা” উপন্যাসের চরিত্র ?
- 'কাগজ তো ইঁদুরেও আনতে পারে।' বিলাসী গল্পে এ উক্তি কার?
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যয় 'বিলাসী' গল্পে যে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে- কুসাংস্কারাচ্ছন্ন সমাজব্যবস্থা নারী নির্যাতনের চিত্রগ্রামীণ বিচার-ব্যবস্থানিচের কোনটি সঠিক?
- ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম দৃশ্যের স্থান কোথায় ছিল?
- অনিলা দেবীর সাথে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্ক কি?
- 'ওরে বাপরে! আমি একলা থাকতে পারব না।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- মৃত্যুঞ্জয় বিলাসীর হাতে কি খেইয়ে ঘোরতর অপরাধ করেছে ?
- পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।