‘অমিত্রাক্ষর’ ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো–
A. অন্ত্যমিল আছে
B. অন্ত্যমিল নেই
C. চরণের প্রথমে মিল থাকে
D. বিশ মাত্রার পর্ব থাকে
সঠিক উত্তরঃ
B.
অন্ত্যমিল নেই
Explanation: ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ হলো অন্ত্যমিলনহীন এবং যতির বাধাধরা নিয়ম লঙ্ঘনকারী ছন্দবিশেষ। এর ইংরেজি পরিভাষা Blank verse। অমিত্রাক্ষরে ভাবের প্রবহমানতা নেই এবং ১৪ মাত্রার চরণ থাকে এবং চরণ শেষে অন্ত্যমিল থাকে না।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘নিজ গৃহপথ তাত দেখাও তস্করে? চন্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?’- কাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে?
- নিচের কোনটি সনেট?
- "নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা!" উক্তিটি কার?
- কোন কবি গান রচনা করেননি?
- অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলতে বোঝায়-
- পরশুরামের অস্ত্র কী?
- আরিফ ও সোহেলের জন্ম ও বেড়ে ওঠা মাহমুদপুর গ্রামে। পার্শ্ববর্তী কাশিপুর গ্রামের মানুষের সাথে মাহমুদপুরবাসীদের দ্বন্দ্ব চিরকালের। কাশিপুরের এক মেয়ের সঙ্গে সোহেলের হৃদয় দেওয়া-নেওয়া। ধান কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে মারামারি লাগার উপক্রম। হলে আরিফ গ্রামের সকলকে ডেকে আনা, লাঠিসোঁটা জোগাড় করা, জীবনের তোয়াক্কা না করে গ্রামের ইজ্জত রক্ষায় যখন কাশিপুরবাসীদের প্রতিহত করার পরিকল্পনা করে তখন শুধুই প্রেমের টানে পরিবার, সমাজ ও এলাকার স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে সোহেল কাশিপুরবাসীদের কাছে মাহমুদপুর গ্রামের সকল প্রস্তুতি ও কৌশলের কথা ফাঁস করে দেয়।'উদ্দীপকের আরিফের মধ্যে এলাকার জন্য যে মমত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় তা ব্যাপকতা লাভ করেছে।'- বিচার করো।
- হাজার হাজার সৈন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পুতুলের মত দাঁড়িয়ে থাকে, মোহনলাল ও মীরমর্দান প্রাণপণে যুদ্ধ করেও মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কাছে পরাজিত হয়। ব্রিটিশ সৈন্যরা অনায়াসেই বাংলা দখল করে নেয়। এভাবেই ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার স্বাধীনতার অবসান ঘটে।"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবের সাথে আংশিক সামঞ্জস্যপূর্ণ"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- 'রুষিলা বাসবত্রাস’ “বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ'' কবিতায় বাসবত্রাস' কে?
- ‘অমিত্রাক্ষর’ ছন্দ বাংলা কোন ছন্দের নবরুপায়ণ?
- 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় 'অরিন্দম' বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় কোনটি?
- 'স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে' কথাটি বুঝিয়ে দাও।
- 'সনেট' কাব্যরীতির মূল প্রবর্তক কে?
- বিভীষনের প্রতি মেঘনাথ' বাক্যাংশটি কোন ছন্দে রচিত?
- মেঘনাদ যজ্ঞাগারে বিষাদ অনুভব করেছিল কেন?
- 'উত্তরিলা কাতরে রাবণি'- কাকে রাবণি বলা হয়েছে?
- "স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থানুর ললাটে" কবিতার এই চরণ দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘তাত’ অর্থ কী?
- “বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী কবিতা” প্রচলন করেন-
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল যাদের বিশ্বাসঘাতকতায় তাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। প্রধান সেনাপতি হয়েও তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। শুধু মীরজাফরই নয় রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, জগৎশেঠও যুদ্ধে চরম অসহযোগিতা করেছে। কিন্তু মোহনলাল ও মীরমর্দান বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে নি। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন এবং জীবন দিয়েছেন। পক্ষান্তরে মীরজাফর এবং তার দোসররা বাঙালি জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বাঙালি জাতিকে প্রায় ২০০ বছর ইংরেজদের গোলামি করতে বাধ্য করেছে।উদ্দীপকে বর্ণিত বিশ্বাসঘাকতা 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার বিষয়বস্তুতে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- বাবার ব্যবসায় দুর্দিন দেখা দিলে বড় ছেলে বাবার ব্যবসায় হাত মেলায় ভবিষ্যতের আশায়। ছোট ছেলে বাবার ব্যবসায়িক দুর্দিন কাটানোর চেষ্টার অংশহিসেবে বড় ভাইকে বাবার পাশে থাকার অনুরোধ করে, কিন্তু বড় ছেলের অভিযোগ- বাবার একগুঁয়ে মনোভাব আর ভুল সিদ্ধান্তের কারণে পারিবারিক ব্যবসা ডুবতে বসেছে। তাঁর ব্যর্থতার দায়ভার আমি নেব কেন? বড় ভাইয়ের সমর্থন না পেয়ে সুদিন ফিরিয়ে আনতে একা সংগ্রাম চালিয়ে যায় ছোট ছেলে।"উদ্দীপকের বড় ছেলে এবং বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার বিভীষণের আচরণ ভিন্ন উদ্দেশ্যপ্রসূত"- মন্তব্যটি বিবেচনা করো।
- বাংলা ভাষায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?
- চতুর্দশপদী কবিতার অর্থ-
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত হিন্দু কলেজের কোন শ্রেণিতে ভর্তি হন?