উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার আলোকে উদ্দীপকের রেখাচিত্রের যৌক্তিকতা নিরূপণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' -কবিতায় কার মুখকে ''তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলার'' সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
- 'এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ঘাতকের থাবার সম্মুখেবুক পাতে কে?
- সুন্দর সকাল। কূজনে মুখরিত চারপাশ। আকাশটা যেন আজ ধুপছায়া শাড়িতে নিজেকে জড়িয়েছে। এমনি মনোরম নৈসর্গিক নান্দনিকতা ভেদ করে চিৎকার করে উঠল ভিনদেশি যন্ত্রদানব। ছুটল গুলি! ঝরল রক্ত! বিনিময়ে বায়ান্নতে আমরা পেলাম কথা বলবার অধিকার। চুয়ান্ন, ছেষট্টি, 'উনসত্তর পেরিয়ে একান্তরে আমরা পেলাম লাল-সবুজের পতাকা, পবিত্র মানচিত্র আর প্রিয় স্বদেশ।উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সঙ্গে কোন কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ- তুলে ধরো।
- বুকের অধীর ফিনকির ক্ষুরধারশহিদের ক্ষুর লেগেকিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।উক্ত ভাবটি হলো-আত্মত্যাগআত্মজাগরণআত্ম অহমিকানিচের কোনটি সঠিক?
- বায়ান্নর একদিন জেগেছিলো সব। আবার আসেনি কি মহাজাগরণসমহান একাত্তরে?ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কারমানুষের অগ্রযাত্রা বন্ধ করে শক্তি আছে কার।'ইতিহাসের প্রগতি রুদ্ধ করে শক্তি আছে কার' উদ্দীপকের এই উক্তিটিই 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মূলভাব- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- "শাবাশ বাংলাদেশএ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়জ্বলে পুড়ে মরে ছারখারতবু মাথা নোয়াবার নয়।""উদ্দীপকটি 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মর্মবাণীকে পুরোপুরি ধারণ করে না"- মন্তব্যটি নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করো।
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কার চোখে আজআলোচিত ঢাকা?
- বাঙালি চেতনার বীজ অঙ্কুরিত হয়েছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের পরবর্তী সব আন্দোলন ও চেতনা থেকে প্রেরণা পেয়েছে।উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষা আন্দোলন 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত কোন আন্দোলনকে প্রেরণা জুগিয়েছিল?
- “মাগো ওরা বলে,সবা কথা কেড়ে নেবেতোমার কোলে শুয়েগল্প শুনতে দেবে না।'উদ্দীপকে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন ভাবপ্রকাশিত হয়েছে?
- শামসুর রাহমান রচিত 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় 'মানবিক বাগান' বলতে কী বুঝিয়েছেন?
- আঠারো বছর বয়স " কবিতা টি কোন ছন্দে রচিত ?
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতায় কোন কোন কবির নাম বলা হয়েছে ?
- রেডিওতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে রূপনগর গ্রামের ছেলে রাসেল ও ফরিদ যুদ্ধে যাবার প্রস্তুতি নেয়। তারা বুঝতে পারে পাকিস্তানিদের দমন করতে না পারলে বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। মাতৃভূমিকে স্বৈরাচারী শাসকদের কবল থেকে রক্ষার জন্য রাতের আঁধারে তারা পাড়ি জমায় ভারতে। প্রশিক্ষণ নেয়। প্রাণপণে লড়াই করতে করতে দুজনেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে শত্রুদের গুলির আঘাতে।উদ্দীপকে উল্লিখিত চরিত্রদ্বয় 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?উদ্দীপক এবং 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রামী চেতনার এক অসাধারণ শিল্পভাষ্য- বিশ্লেষণ কর।
- ফেব্রুয়ারি একুশ তারিখ দুপুর বেলার অন্তবৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় বরকতেরই রক্ত।হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে,সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে।প্রভাতফেরির মিছিল যাবে ছড়াও ফুলের বন্যা,বিষাদ গীতি গাইছে পথে তিতুমীরের কন্যা।উদ্দীপকের 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কোন দিকের সমর্থন মেলে? ব্যাখ্যা করো।
- কোন ভাষা শহীদের হাত থেকে 'নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা'?
- ‘তার পিঠে রক্ত জবার মতো ক্ষত ছিল – এ চরণটিতেকার পিঠের ক্ষতকে নির্দেশ করা হয়েছে?
- "ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় বর্ণমালাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সালামের হাত থেকে কী ঝরে?
- ঘাতকের থাবার সম্মুখে কে বুক পেতে দেয়?
- ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি কবি শামসুর রাহমানেরকোন কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে?
- এ রঙের বিপরীত আছে অন্য রং'- চরণটিতে 'অন্য রং' দ্বারা বোঝানো হয়েছে-
- 'দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো / ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা।' - এখানে নক্ষত্রের সাথে বর্ণমালার তুলনা হলো-
- সালামের হাত থেকে কিসের মতাে অবিনাশী বর্ণমালা ঝরে?