রোহিনী-বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?
A. বিষবৃক্ষ-চতুরঙ্গ-চরিত্রহীন
B. কৃষ্ণকান্তের উইল-যোগাযোগ-পথের দাবি
C. দুর্গেশনন্দিনী-চোখের বালি-গৃহদাহ
D. কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
সঠিক উত্তরঃ
D.
কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন
Explanation: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো ভ্রমর, রোহিণী, হরলাল ও গোবিন্দলাল; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘চোখের বালি’র প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র ও বিনোদিনী; শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘চরিত্রহীন’ এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো সতীশ, সাবেত্রী, কিরণময়ী ও দিবাকর।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
- শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা কোনটি?
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক কে?
- মৃত্যুঞ্জয়ের জন্য বিলাসীর ভালোবাসার প্রমাণ হলো-সাপ ধরার বায়না ফিরিয়ে দেয়ামৃত্যুঞ্জয়ের শোকে আত্মহত্যা করামৃত্যুঞ্জয়কে সেবাযত্নের মাধ্যমে সুস্থ করানিচের কোনটি সঠিক?
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'"উদ্দীপকের সালেহা বেগমের ক্ষেত্রে 'বিলাসী' গল্পে 'ইহা আর এক শক্তি' উক্তিটি প্রযোজ্য হয়নি।"- বিশ্লেষণ করো।
- ‘গ্রামের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ের ছিল এমনি সুনাম।' 'সুনাম'কথাটা কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- নার্গিস বিদেশে গৃহকর্মীর কাজ করে। বিদেশে কাজকরার বিষয়টি তার এলাকার মানুষ পছন্দ করে না। তিনবছর পর নার্গিস বাড়ি ফিরে এলে গ্রামবাসী তার নামেবিচার বসায় এবং তাকে গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়।নার্গিস প্রতিবাদী কণ্ঠে বলে ‘অসুস্থ মাকে রেখে কিছুতেইআমি কোথাও যাব না ।' উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের যে বিষয়ের সাদৃশ্যরয়েছে—নারীর প্রতি নির্যাতনকুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজগ্রামীণ বিচারব্যবস্থানিচের কোনটি সঠিক?
- 'বিলাসী' গল্পের নায়ক কত ক্রোশ পথ হেটে স্কুলে যেতো?
- মৃত্যুঞ্জয়ের বাগানের আয়তন ছিল কত?
- 'সব লোকে কয় কী জাত সংসারে' এ গানে লালন ফকির মানুষের। জাত পরিচয় নিয়ে প্রশ্নউত্থাপন করেছেন। নিজে কোন ধর্মের বা জাতের, লালন সম্পর্কে এমন প্রশ্ন আগেও ছিল, এখনো আছে। জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। জন্ম-মৃত্যুর সময় সব মানুষ তো একইভাবে আসে কিংবা যায়। তাই মানুষ জাত ও ধর্ম ভেদে যে। ডিন্নতার কথা বলে, লালন তা বিশ্বাস করেন না। লালনের মতে, ধর্মই তথ্য তথা মনুষত্ববে সুবোধই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। সেজন্য জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।উদ্দীপকের বিষয়টি 'বিলাসী' গল্পের সাম??্রিক প্রতিচ্ছবি কি না তা বিচার করো।
- ‘শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- অসুস্থ সুমন মিয়ার দুর্দিনে তার সব আত্মীয়স্বজন দূরে চলে যায়। তার স্ত্রী নিজের গয়না বিক্রি করে এবং সমস্ত সঞ্চয় নষ্ট করে সুমন মিয়ার ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। স্ত্রী সেবা ও ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় সুমন মিয়া সুস্থ হয়ে তার সব সম্পত্তি স্ত্রীর নামে লিখে দেয়। এতে তার আত্মীয়স্বজনেরা সুমন মিয়াকে কটাক্ষ করে বিভিন্ন অপবাদ প্রচার করতে থাকলে সুমন মিয়া তার স্ত্রীর ত্যাগ আর দয়ার্দ্র আচরণের কথা মনে করিয়ে দেয়।"উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের একটি মাত্র দিক প্রকাশিত হয়েছে, মূল গল্পের বিষয়বস্তু বিস্তৃত বর্ণনায় সমৃদ্ধ।"- যুক্তিসহ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’ গল্পে মৃত্যুঞ্জয়ের জাতপরিচয়-
- ‘চার ক্রোশ পথ ভেঙে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়।’-- এক ক্রোশে কত মাইল?
- শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের 'বিলাসী' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছে?
- এডন কীসের জন্য বিখ্যাত?
- ’বিলাসী’ গল্পটি কার জবানিতে রচিত-
- ভূদেব বাবু হলেন-
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'উদ্দীপকের আলেয়া খাতুনের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- 'সব লোকে কয় কী জাত সংসারে' এ গানে লালন ফকির মানুষের। জাত পরিচয় নিয়ে প্রশ্নউত্থাপন করেছেন। নিজে কোন ধর্মের বা জাতের, লালন সম্পর্কে এমন প্রশ্ন আগেও ছিল, এখনো আছে। জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি। জন্ম-মৃত্যুর সময় সব মানুষ তো একইভাবে আসে কিংবা যায়। তাই মানুষ জাত ও ধর্ম ভেদে যে। ডিন্নতার কথা বলে, লালন তা বিশ্বাস করেন না। লালনের মতে, ধর্মই তথ্য তথা মনুষত্ববে সুবোধই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। সেজন্য জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।উদ্দীপকের জাত পরিচয়ের বিষয়টি 'বিলাসী' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- "বিলাসী" গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
- 'বিলাসী' গল্পটি' প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- মুখে দেয় জল, সুধায় কুশল, শিরে দেয় মোর হাত,দাঁড়ায়ে নিঝুম, চোখে নাই ঘুম, মুখে নাই তার ভাত।বলে বার বার, 'কর্তা, তোমার কোনো ভয় নাই, শুন-যাবে দেশে ফিরে, মা ঠাকুরাণীরে দেখিতে পাইবে পুন।'লভিয়া আরাম আমি উঠিলাম, তাহারে ধরিল জ্বরে,নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ'পরে।"উদ্দীপকের পরিণতি থেকে 'বিলাসী' গল্পের পরিণতি ভয়াবহ।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'বিলাসী' গল্পটি প্রথমে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- ‘পথের দাবি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে ?