বর্তমানে মানবকল্যাণের অন্যতম অন্তরায় কোনটি?
A.
অবিচ্ছিন্ন মানবচেতনা
B.
একীভূত-মানবচেতনা
C.
সমষ্টিচেতনা
D.
বিচ্ছিন্ন মানবচেতনা
সঠিক উত্তরঃ
D.
বিচ্ছিন্ন মানবচেতনা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'মানুষ- ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম।' উক্তিটি কোন প্রবন্ধিকের-
- মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে বেশি ভালো হলো-
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রাজবন্দীর জবানবন্দী’ হল-
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'গান্ধীজি আছেন' কথাটির। মর্মার্থ কী?
- ‘বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সাথে কোন নামটি যুক্ত?
- স্পষ্ট কথা বলায় নিশ্চিতভাবে যা থাকে তা হলো-
- দেশের মঙ্গলের জন্য কাজী নজরুল ইসলাম কী নিয়ে পথে বের হয়েছিলেন?
- 'অভিশাপ-রথের সারথি' কথাটি দ্বারা কী রোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'আমার ??থ' আমাকে কী দেখাবে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত তারিখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন?
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন?
- 'ও রকম বিনয়ের চেয়ে অহংকারের পৌরুষ অনেক-অনেক ভালো।'- প্রাবন্ধিকের এ উক্তির কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ভুলের মধ্যে সত্যকে পাওয়ার উপায় হলো - বিনয়ী হওয়া ভুল থেকে শিক্ষা পাওয়া আত্নসচেতন হওয়া নিচের কোনটি সঠিক?
- রফিকুল ইসলাম একজন সাদা মনের মানুষ। শিক্ষকতা পেশায় থেকে গড়েছেন আলোকিত মানুষ। নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান "কালান্তর"। জনকল্যাণের পাশাপাশি তিনি এলাকার মাতব্বরদের ভণ্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও নতজানুতার বিরুদ্ধে তিনি সদা সোচ্চার। ফলে অনেকেরই শত্রুতে পরিণত হন তিনি। তবে তিনি দমে যান না, তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ পথ।''আমার পথ' প্রবন্ধের যে দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত নয়, তা আলোচনা কর।
- নিজেকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সক্রেটিস বলেছেন, 'নিজেকে জানো।' এ কথা সকলেই জানে যে, আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে নির্মিত হয় ব্যক্তিত্ববোধ। আর প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরাধীনতার জাল থেকে বের করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সুতরাং, ইচ্ছাশক্তি ও সত্য পথকে ধারণ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।উদ্দীপকের 'নিজেকে জানো' এই কথাটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে কি না তা নিজের ভাষায় তুলে ধরো।
- রক্তের অক্ষরে দেখিলামআপনার রূপচিনিলাম আপনাকেআঘাতে আঘাতে;সত্য যে কঠিনকঠিনেরে ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উল্লেখ আছে?
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা উপন্যাস?
- "মানুষ মাত্রই ভুল করে। জীবনের চলার পথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলেতাকে স্বীকার করে নেওয়ার মধ্যে কোনো লজ্জা নেই।' ভুল থেকেই মানুষ সঠিক শিক্ষা পেতে পারে। উদ্দীপকের বক্তব্য অনুযায়ী লেখকের যে মতামত ব্যক্ত হয়েছে?মানুষ সব সময় নিখুঁত কাজ করতে পারে নাভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা উচিতভুলটাকে স্বীকারে আত্মশক্তি লোপ পায়নিচের কোনটি সঠিক?
- সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মায় আর কটি লোক। শতকরা প্রায় নিরানব্বই জন মানুষকেই চেষ্টা করতে হয়, জয় করে নিতে হয় জগৎকে। বাঁচে সে লড়াই করে প্রতিকূলতার সঙ্গে। পলাতকের স্থান এই জগতের নেই। চেষ্টা ছাড়া আত্মপ্রতিষ্ঠা অসম্ভব। সুখ চেষ্টারই ফল-দেবতার দান নয়। কথায় আছে, ঈশ্বর তাকেই সাহায্য করেন যে নিজেকে সাহায্য করে। নির্ভীক সত্য সাধক, দৃঢ় আত্মবিশ্বাসী এবং পরমতসহিষ্ণু ব্যক্তিমাত্রই চেষ্টার মাধ্যমে তৈরি করে নিতে পারে নিজের পথ।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে 'বিশ্বাস' অর্থাৎ 'আত্মবিশ্বাস' শব্দটি মানবমনের এম শক্তির প্রতী???, যার কোনো যৌক্তিক সীমানা নেই। তবুও আত্মবিশ্বাসের ভালো উদাহরণ হিসেবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ নাট্যকার 'জর্জ বার্নার্ডশ' এর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি মাত্র ৫ বছর স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১৫ (পনেরো) বছর বয়সে মাসে ৪০ টাকা বেতনে কেরানির কাজ নেন। কিন্তু তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন একদিন বড়ো লেখক হবেন। তাই' তিনি নিয়মিত লেখা শুরু করেন। লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁর নয় বছর সময় লেগেছিল। লেখক জীবনের প্রথম নয় বছরে তাঁর লেখা থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৩০০ টাকা। কিন্তু তাঁর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। লেখক হিসেবেই পরবর্তীতে উপার্জন করেছেন প্রচুর টাকা।'আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করাই উদ্দীপক আর 'আমার পথ' প্রবন্ধের সারকথা।'- মূল্যায়ন করো।
- আত্মবিশ্বাসী মানুষই সাফল্যের পথে এগিয়ে যান। তিনি অন্যের মত ও পথের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রেখেও নিজের সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। অন্যের উপর নির্ভরতা তার লক্ষ্য নয়। নিজেকে চিনে এবং নিজের বিশ্বাসকে বড় মনে করার মধ্য দিয়েই তিনি কল্যাণকর কিছু করতে পারেন।উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।"উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবিম্ব নয়।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- মানুষ-ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয় কেন?
- কাজী নজরুল ইলামের 'বিদ্রোহী' কবিতার ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি ঠিক?