'অপরিচিতা' গল্পে বিয়ের অনুষ্ঠানে গয়না মাপার মধ্যে দিয়ে কী প্রকাশ পেয়েছে?
A.
সংকীর্ণতা
B.
চতুরতা
C.
হীনম্মন্যতা
D.
বিশ্বাসহীনতা
সঠিক উত্তরঃ
C.
হীনম্মন্যতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- বিয়ে ভাঙার পর অনুপম কেবল কী কামনা করতে লাগল?
- 'এটা আপনাদের জিনিস, আপনাদের কাছেই থাক।'-এরূপ মন্তব্যের কারণ কী?
- ’অতিকায় হন্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে। কার উক্তি?
- ম্রো জনগােষ্ঠি কোন্ জেলায় বসবাস করে?
- শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- ‘অপরিচিতা’ গল্পের চরিত্র কোনগুলো?
- The rain started immediately after we had finished our reading- বাক্যটির সঠিক অনুবাদ কোনটি?
- ‘চুনিয়া' আমার আর্কেডিয়া কবিতায় ‘চুনিয়া' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- অনুপমের কাছে চিরকাল বড়ো সত্য কী?
- বিভুতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গদ্যের ধরণ কেমন?
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম শীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।"উদ্দীপকের বিক্রম শীল এবং 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার মতো মানুষের হীনমানসিকতার কারণেই তৎকালীন সমাজে যৌতুক প্রথা মারাত্মক রূপ ধারণ করেছিল।"- আলোচনা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি কোথায় ছিল?
- উচ্চশিক্ষিত ও আধুনিক জীবনবোধসম্পন্ন মেয়ে অরুনিমা। সে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তার কয়েকবার বিয়ের সম্বন্ধ এলেও পাত্রপক্ষের বিভিন্ন শর্ত শুনে বিয়েতে রাজি হয়নি অরুনিমা। একদিন অরুনিমার বাবা তাকে বিয়ের জন্য একজন ভালো পাত্রের কথা জানালেন। তখন অরুনিমা বলল, 'আমি সমাজের নারীদের জন্য কিছু করতে চাই, এখন বিয়ে নিয়ে ভাবছি না।'উদ্দীপকের অরুনিমা আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন নারীসমাজের 'স্বপ্নদ্রষ্টা- 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর ব্যক্তিত্বের আলোকে' মন্তব্যটির সার্থকতা বিচার করো।
- ‘অপরিচিতা' কোন পুরুষের জবানিতে লেখা গল্প?
- 'অপরিচিতা' গল্পটি প্রথম প্রকাশ পায় কোন পত্রিকায়?
- 'রেইনকোট' গল্পে 'আন অথারাইজড কনস্ট্রাকশন'বলতে বুঝানো হয়েছে—
- অনুপমের বিয়ে সম্বন্ধে মামা আর কথা তোলেননি কেন?
- ’অপরিচিতা’ গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'এইটে একবার পরখ করিয়া দেখো।'- ব্যাখ্যা করো।
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতি স্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনায়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পুরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে যে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয় মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়ে যায়।'মাতৃস্নেহের আধিক্যে পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়ে যায়।'- এই মন্তব্যের সাদৃশ্যমূলক প্রভাব রয়েছে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রে।- বুঝিয়ে লেখো।
- "অনেক কষ্ট করে অনেক আশা নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসেছি।”- কোন ধরনের বাক্য?
- 'মামা বিবাহ-বাড়িতে ঢুকিয়া খুশি হইলেন না।'-কেন?
- 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের বর্ণনায় কল্যাণীকে কীভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে?
- ঔপনিবেশিক শাসন আমলে বেগম রোকেয়া কলকাতায় শাখাওয়াৎ মোমোরিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য। তার লক্ষ্য ছিল শিক্ষার মাধ্যমে নারীকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে গড়ে তোলা। নারীর কল্যাণ ও মঙ্গল নারীর আত্মমর্যাদার সঙ্গে জড়িত।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে দর্শন প্রতিফলিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা করো।