রেইনকোট গল্পে নিচের প্লাটে থাকে কে?
A. সরকারি কর্মকর্তা
B. বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
C. ওয়ার্কশপের মালিক
D. ইসহাক
সঠিক উত্তরঃ
C.
ওয়ার্কশপের মালিক
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি-আক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুল মাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে কন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে, 'মুক্তি কিধার হায় বোলো।' এক উত্তর, ওরা জানে না।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের খণ্ডাংশ মাত্র।"-এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'রেইনকোট' গল্পটি কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একটি ছাত্রাবাস থেকে মিলিটারিরা সাজ্জাদকে তুলে নিয়ে যায়। অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে তারা তার পিতার সন্ধান চায়। ক্ষত-বিক্ষত হয়েও সাজ্জাদ নীরর থাকে। মনে পড়ে বাবার শেষ উপদেশ, 'জীবনের চেয়ে দেশ অনেক বড়ো।' নিজেকে একজন দেশপ্রেমী মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মনে করায় তার বুক ফুলে ওঠে।উদ্দীপকের সাজ্জাদ 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে তুলনীয়? তুলনার যৌক্তিকতা তুলে ধরো।
- ‘রেইনকোট’ গল্পে বর্ণিত জেনারেল উইন্টার কোন দেশের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য?
- 'এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- পিতৃহীন সরল প্রকৃতির মৃদুলকে প্রভাবশালী মীর সাহেবেরলোকেরা ধরে নিয়ে যায় এবং একটা মিথ্যা দলিলে স্বাক্ষরকরতে বলে। মৃদুলের মনে পড়ে যায় বাবার শেষ উপদেশেরকথা— 'অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করো না।'বিপদের সম্ভাবনা জেনেও মৃদুল তার সিদ্ধান্তে অটল থাকে। উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের সাদৃশ্য কোথায়?
- বৃত্তাকারে দাঁড়ানো মিলিটারির মাঝখানে হাত-পা বাঁধা কালামকে টানতে টানতে এনে দাঁড় করানো হলো। কালামের নাক-মুখ থেকে রক্ত ঝরছে। তাকে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে, মুক্তিবাহিনী কোথায় পালিয়ে গেছে? তিনি ঠিক করলেন, কিছুই বলবেন না। বন্দুকের নলটা কপালের ঠিক মাঝখানটায় ধরা হলো। তিনি বললেন, 'আমার মতো সাধারণ কালামের মৃত্যুতে কিছু এসে যায় না। কিন্তু মুক্তিফৌজদের জীবনের দাম আছে। মুক্তিফৌজ না বাঁচলে তোমাদের মারবে কে?' গুলিটা কপাল ভেদ করে বেরিয়ে যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত মিলিটারির নিপীড়নের দৃশ্যটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে তুলনা করো।
- 'ভালোই হলো। তোমার গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকা পড়েছে। পায়েও বৃষ্টি লাগবে না।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- "চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি কার লেখা ?
- কার জন্য নুরুল হুদাকে তটস্থ থাকতে হয়?
- সন্তানকে রক্ষা করতে নিজের বুকে গুলি পর্যন্ত খেলেন লিপি মণ্ডল। এরপরও শেষ রক্ষা হলো না। ছয় বছরের শিশু পুত্র পরাগ মন্ডলকে দিন দুপুরে অপহরণ করে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা। শিশুটির এখনো কোনো খোঁজ নেই। এ ধরনের একটি ঘটনা তখনই ঘটে যখন আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে জনমনে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে।উদ্দীপকের লিপি মণ্ডলের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
- নুরুল হুদা কোন বিষয়ের লেকচারার ছিলেন?
- নুরুল হুদার সমস্ত ভালো লাগাটা চিড় খায় কখন?
- "উও আপ হি কহ সকতা।"- উক্তিটি কার?
- ’পামর’ শব্দটির বিপরীতার্থক কী হবে?
- 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার চিত্র ফুটে উঠেছে। ওই সময়ে পাকিস্তানি মিলিটারি ঢাকা শহরকে পুরো নিয়ন্ত্রনে রেখেছিল। সময়ে- অসময়ে কারফিউ জারি করে মানুষকে ঘরে থাকতে বাধ্য করত। কখনো মানুষকে ধরে কিংবা বাস থেকে নামিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মেরে ফেলত। সেই পরিস্থিতিতেই বদিউল আলম তাঁর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা দল নিয়ে ঢাকায় ঢুকে বিভিন্ন অপারেশন চালাত। এভাবেই একদিন গুলিবিদ্ধ হন এবং মারা যান।"উদ্দীপকের বদিউল ও 'রেইনকোট' গল্পের নূরুল হুদা দুজনের মধ্যেই বাঙালির জাতীয় চেতনার স্ফুরণ ঘটেছে বিশ্লেষণ কর।
- 'রেইনকোট' গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- ‘শ্বাপদ’ শব্দের অর্থ-
- ১৯ শে অক্টোবর ১৯৭১ সালে ঢাকার মতিঝিল এলাকায় একটি ব্যাংকের সম্মুখে পাকিস্তানি জঙ্গী সরকারের তাঁবেদারদের একটি মোটরগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দুঃসাহসিক বীর তরুণরা প্রকাশ্যে টহলরত হানাদার সৈন্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে উক্ত গাড়ির আসনের নিচে একটা 'টাইম বোমা' বসিয়ে দেয়। এরপর তাঁবেদাররা ব্যাংক লুট করে মোটরে আসনে গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত করে বোমাটি বিস্ফোরিত হলে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য গাড়িও একসঙ্গে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ফলে ঘটনাস্থলে ৫ জন তাঁবেদার খতম এবং কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়। গেরিলা যোদ্ধাদের এরকম কর্মকাণ্ড অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তোলে এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগায়।'মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা আক্রমণের সফলতা আমাদের অনেক সাধারণ ভীরু মানুষকে সাহসী করে তুলেছিল।"- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে তোমার যুক্তি উপস্থাপন করো।
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলে।কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,বন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতেযত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে। – মোহিনী চৌধুরী।উদ্দীপকে উল্লিখিত "তাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে" পঙক্তিটি 'রেইনকোট' গল্পের সমাপ্তিচিত্রের ইঙ্গিত বহনকারী। কীভাবে? আলোচনা কর।
- তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাসাকিনা বিবির কপাল ভাঙলো;সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো।দানবের মতো চিৎকার করতে করতেতুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো। রিকয়েললেস রাইফেলআর মেশিনগান খই ফোটালো যত্রতত্র।উদ্দীপকে বর্ণিত বিশেষ সময়ের ভয়াবহতা 'রেইনকোট' গল্পের সাথে সাদৃশ্যযুক্ত।- মন্তব্যটি বুঝিয়ে দাও।
- পিতৃহীন সরল প্রকৃতির মৃদুলকে প্রভাবশালী মীর সাহেবেরলোকেরা ধরে নিয়ে যায় এবং একটা মিথ্যা দলিলে স্বাক্ষরকরতে বলে। মৃদুলের মনে পড়ে যায় বাবার শেষ উপদেশেরকথা— 'অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করো না।'বিপদের সম্ভাবনা জেনেও মৃদুল তার সিদ্ধান্তে অটল থাকে। উদ্দীপকের মৃদুল 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রেরপ্রতিনিধিত্ব করে?
- “রেইনকোট' গল্পের পটভূমি কী?
- 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা কোন বিষয়ের শিক্ষক?
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূণ ব্যাখ্যা করো।