এক মুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকে আমরা কী মনে করে থাকি?
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ভেলরি টেইলর, বাংলাদেশের এক অকৃত্রিম বন্ধুর নাম। ৭২ বছর বয়সি মহান ব্যক্তি কর্মজীবনে লাভ করেছেন নানা স্বীকৃতিসহ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী। স্বেচ্ছাসেবা এবং এবং সম্পূর্ণ আপন প্রচেষ্টায় সিআরপি প্রতিষ্ঠা করে। তিনি দুস্থ, নিঃসহায় মানুষের জন্য বিশ্বে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে পঙ্গুত্বের শিকার হাজার হাজার মানুষকে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরিয়ে আনতে তার গড়া সিআরপি নজিরবিহীন ভূমিকা পালন করছে।উদ্দীপকের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক তুলে ধরো।
- নিচের কোনটি অপিনিহিতির উদাহরণ?
- মানব-কল্যাণ অলৌকিক কিছু নয় কেন তা বুঝিয়ে দাও।
- একটি রাষ্ট্রের বৃহত্তর দায়িত্ব কোনটি?
- 'ওপরের হাত সব সময় নিচের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ।'- ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোনটি আরবি শব্দ?
- 'সত্যিকার মানব-কল্যাণ মহৎ চিন্তা-ভাবনারই ফসল।'- এ বাক্যের মর্মার্থ লেখো।
- জাতিকে কী-হিসেবে গড়ে তুলতে হবে?
- গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পানকাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্ন দান।প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে যে বক্তব্য ফুটে উঠেছে, তা হচ্ছে-মানবসেবা মনুষ্যত্ববোধ জীবে প্রেম নিচের কোনটি সঠিক?
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?
- ণত্ব ও ষত্ব - বিধান কোন শ্রেনীর শব্দের অনুসৃত হয়?
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
- মাদার তেরেসা অশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারি সংঘে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরও অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। একসময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারা জীবনের তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে তা আলোচনা করো।
- কোন ঐতিহসিক ঘটনা সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়?
- পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও, তার মতো সুখ কোথায় কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যা।উদ্দীপকটি তোমার পঠিত কোন রচনার ভাবের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- আমাদের দেশে মানব-কল্যাণ আজ কী হিসেবে দৃশ্যমান?
- 'মানব-কল্যাণ স্বয়ম্ভু, বিচ্ছিন্ন ও সম্পর্ক রহিত হতে পারে না'- উক্তিটির ব্যাখ্যা করো।
- 'আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- সন্ধি ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
- জাকির ও জীবন দুই ভাই। লেখাপড়ায় ভালো, সমাজের উন্নয়নমূলক কাজেও তারা অংশগ্রহণ করে। তাদের পাশের গ্রামে পাহাড় ধসে অনেক বাড়ি-ঘর পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে। সেখানে বহু মানুষ আটকা পড়ে। দুই ভাই, সেখানে ছুটে যায় কিন্তু জাকির উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করলেও জীবন দাঁড়িয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে এবং কিছু আর্থিক সাহায্য করে। পাশাপাশি জাকির উদ্ধার কাজ শেষে তাদের সার্বিক পুনর্বাসনের চেষ্টা করে।'জীবন' চরিত্রের মধ্যে মানব-কল্যাণের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- বিজ্ঞানের অভাবনীয় আবিষ্কারকে ধ্বংসের পরিবর্তেসৃজনশীল মানবিক কর্মে নিয়োগ করা যায়- একমাত্রকার সাহায্যে?
- মাদার তেরেসা অশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারি সংঘে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরও অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। একসময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারা জীবনের তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে।'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সমগ্র ভাবনার বিষয় কী উদ্দীপকটিতে ফুটে উঠেছে? যে যে বিষয়গুলো অনুপস্থিত তার প্রাসঙ্গিকতা বিশ্লেষণ করো।
- নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল;গাভি কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান।স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত,বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত।শস্য জন্মাইয়া, নাহি খায় জলধরেসাধুর ঐশ্বর্য শুধু পরিহিত তরে।কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।