গ্লাস পরিষ্কারক উপাদান হল-
- অ্যামোনিয়ার জলীয় দ্রবণ
- আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল
- সোডিয়াম লরাইল সালফেট
নিচের কোনটি সঠিক?
রসায়ন প্রথম পত্রল্যাবরেটরির নিরাপদ ব্যবহারল্যাবরেটরি, যন্ত্রপাতি ও গ্লাসসামগ্রী পরিষ্কার কৌশল (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
D.
i,ii ও iii
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
গ্লাস ক্লিনারের উপাদানসমূহ 🧪🧽
গ্লাস ক্লিনার তৈরিতে সাধারণত যে উপাদানগুলো ব্যবহার করা হয়, তাদের মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নিচে উল্লেখ করা হলো:
উপাদান তালিকা 📝
- অ্যামোনিয়ার জলীয় দ্রবণ (Ammonia Solution): এটি গ্লাসের উপর থাকা ময়লা এবং তেল দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে। 💪
- আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল (Isopropyl Alcohol): এটি দ্রুত বাষ্পীভূত হয়ে যায়, তাই গ্লাসে দাগ তৈরি হতে দেয় না। ✨
- সোডিয়াম লরাইল সালফেট (Sodium Lauryl Sulfate): এটি একটি সারফ্যাক্ট্যান্ট, যা ময়লাকে সহজে সরিয়ে দিতে সাহায্য করে। 🫧
উপাদানসমূহের বিস্তারিত 📊
| উপাদান | রাসায়নিক সংকেত | কার্যকারিতা | ব্যবহারের সুবিধা 👍 | ব্যবহারের অসুবিধা 👎 |
|---|---|---|---|---|
| অ্যামোনিয়ার জলীয় দ্রবণ | NH4OH | ময়লা ও তেল দ্রবীভূত করে | কার্যকরী এবং সহজলভ্য | তীক্ষ্ণ গন্ধযুক্ত 👃 |
| আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল | C3H8O | দ্রুত বাষ্পীভূত হয় | দাগমুক্ত পরিষ্কার নিশ্চিত করে | অগ্নিসংযোগের সম্ভাবনা 🔥 |
| সোডিয়াম লরাইল সালফেট | CH3(CH2)11OSO3Na | সারফ্যাক্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করে | কম ঘনত্বে ব্যবহার করা যায় | ত্বকের জন্য সংবেদনশীল হতে পারে 🤕 |
সতর্কতা ⚠️
- গ্লাস ক্লিনার ব্যবহারের সময় হাতে গ্লাভস পরুন। 🧤
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। 👶🚫
- চোখে লাগলে দ্রুত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 👁️🗨️
আশা করি এই তথ্যগুলো গ্লাস ক্লিনার সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊
```