১৯৬১ সালে আলজেরিয়ায় যখন স্বাধীনতা সংগ্রামের ঢেউ তুঙ্গে, তখন রাজপথে • প্রতিবাদকারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ফরাসি পুলিশ- চালিয়েছিল নির্মম গণহত্যা। প্রায়ই জঙ্গলে, নদীতে, খালেবিলে পাওয়া যেত প্রতিবাদকারীদের লাশ। পনেরো বছরের কিশোরী ফাতিমা বেদার ওই সংগ্রামে জীবন দিয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ফাতিমাকে হত্যা করায় আন্দোলন আরো তীব্র হয়। দলে দলে নারী ও শিশুরা জড়ো হয় প্রতিবাদ সমাবেশে। ফাতিমা বেদারদের রক্তের বিনিময়ে আলজেরিয়া ফ্রান্সের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হয়।
"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় মূলত দখলদার শাসক শ্রেণির নির্মম দমন-নিপীড়নের ইতিহাসই বর্ণিত হয়েছে।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী'তে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থে কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধে কখন বঙ্গবন্ধুর ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না?
- 'মুক্তি দিলে খাব, না দিলে খাব না।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- বঙ্গবন্ধুকে ডাবের পানি খাইয়ে অনশন ভাঙান কে?
- জেলখানায় বঙ্গবন্ধুর অনশন ভাঙালেন কে?
- অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে কত সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের ঘটনাবলি স্থান পেয়েছে?
- এই উদ্ধৃতাংশটুকু যে গদ্য হতে নেওয়া হয়েছে তার লেখক কে?
- মুক্তির মন্দির সোপানতলেকত প্রাণ হলো বলিদান,লেখা আছে অশ্রুজলে।কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে-রাঙাবন্দিশালার ওই শিকল ভাঙাতাঁরা কি ফিরিবে আজ সুপ্রভাতে,যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।"উদ্দীপকটিতে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।'মহাত্মা গান্ধী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমান উভয়েই দেশ ও দেশের মানুষের মুক্তিকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়েছেন।'- উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- মিছিলটা তখন মেডিকেলের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের কাছাকাছি এসে গেছে। তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিলো। আর তপুর হাতে ছিলো একটা মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপর লালকালিতে লেখা ছিলো, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছুতে অকস্মাৎ আমাদের সামনের লোকগুলো চিৎকার করে পালাতে লাগলো চারপাশে। ব্যাপারটা কী বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।উদ্দীপকের সাথে পাঠ্যবইয়ের 'বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক রচনার পটভূমিগত অভিন্নতা রয়েছে। মন্তব্যটি যাচাই কর।
- বিভক্তিহীন নাম শব্দকে কী বলে?
- “আওয়ামী লীগের কোনো কর্মীই বোধ হয় আর বাইরেনাই।”— উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে আওয়ামী লীগ কর্মীদের-
- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবন?? কে লিখেছেন?
- শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে মুক্তির কয়দিনপরে বাড়ি পৌঁছেছিলিন?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষাসৈনিকদের শহিদ হওয়ার খবর কিভাবে পেয়েছিলেন?
- ‘বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনাটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- 'দৈনিক পাকিস্তান' পত্রিকাটি পরবর্তীকালে কী নামেপ্রকাশিত হয়?
- শব্দের শেষে কোনটি যুক্ত হওয়ার পরে আর কিছু যুক্ত হয় না?
- ১৯৭১ সাল, জুন-জুলাই মাসে প্রচণ্ড বর্ষা হচ্ছে। বৃষ্টিরপানিতে রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। এই বর্ষায় রাস্তার মধ্যে খাদবুঝতে না পেরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি জিপ উলটে যায়।উদ্দীপকের প্রাকৃতিক অবস্থাকে 'রেইনকোট' গল্পেকী নামে উপস্থাপন করা হয়েছে?
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছুআশা করে।”— বায়ান্নর দিনগুলো'তে এই উক্তির'অনেক কিছু' হলো—
- ফরিদপুর জেল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক'খানা চিঠি লিখেছিলেন?
- " অসমাপ্ত আত্মজীবনী " কার রচিত ?
- ’আহত’ বিশেষণ পদের বিশেষ্য রূপ-
- বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস কোনটি?