গঠনরীতির দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কী ধরনের রচনা?
A. স্মৃতিনির্ভর
B. সংলাপনির্ভর
C. বর্ণনামূলক
D. উপদেশমূলক
সঠিক উত্তরঃ
B.
সংলাপনির্ভর
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- . 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন বিষয়টিপ্রাধান্য পেয়েছে?
- তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'অর্ঘ্য বিরচন' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- একুশের বইমেলায় প্রতিবছর সবুজ সাহেবের কবিতার নতুন বই প্রকাশিত হয়। এ বছর তা হয়নি। গত ঈদে গ্রামের বাড়ির পুকুরে ডুরে সবুজ সাহেবের একমাত্র পুত্র ফয়সাল মারা যায়। কবি পুত্রশোকে শোকগ্রস্ত। বইমেলা উপলক্ষ্যে নতুন বই প্রকাশে কয়েকজন প্রকাশক কবি সবুজ সাহেবের কাছে পাণ্ডুলিপি চেয়েছেন। কিন্তু কবি কারো কথা রাখতে পারেননি।"উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় বিষণ্ণতার সুর স্পষ্ট হয়েছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?
- 'হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে রাঙিয়াউঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনসুর ধ্বনিত হয়েছে?
- বেগম সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতা প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন মাসের উল্লেখ আছে ?
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও গালিব ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো
- নববর্ষ পয়লা বৈশাখকে ঘিরে চারদিকে উৎসবের আমেজ। কিছুদিন আগে মাকে হারানো ফারিয়াকে কিছুই স্পর্শ করে না। মায়ের স্মৃতিতেই সে আচ্ছন্ন।উদ্দীপকের ফারিয়ার সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির আচরণে প্রকাশ পেয়েছে-বৈপরীত্যস্মৃতি কাতরতা মানবমনের রহস্যময়তা নিচের কোনটি সঠিক?
- 'মাঘের সন্ন্যাসীর' সাথে কবি নিজেকে তুলনা করেছেন মাঘের যে বৈশিষ্ট্যের কারণে-
- নিচের কোন বইটি সুফিয়া কামাল রচিত?
- 'হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়'— এচরণটিতে ‘নীরব কেন' বলতে কবির কেমন অবস্থাবোঝায়?
- 'আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে রয়েছে তার জন্য।' উদ্দীপকের ‘তার' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন বিষয়কে স্মরণ করায়?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রকাশিত হয়—
- ‘হিম কুহেলির অন্তর তলে আজিকে পুলক জাগে,রাঙিয়া উঠেছে পলাশ কলিকা মধুর রঙিন রাগে।'অনুচ্ছেদটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোনসুর ধ্বনিত হয়েছে?
- ‘কহিল সে সুদূরে চাহিয়া’ এর পরের অংশটি-
- "নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছো নয়নে নয়নে হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে রয়েছো হৃদয়ে গোপনে" উদ্দীপকটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার যে বৈশিষ্ট্য প্রকটিত তা হলো-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কী ধরনের কবিতা?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কে গন্ধে অধীরআকুল হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছে?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি/দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?" - কোন কবিতার চরণ?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটির গঠনরীতি কোনবৈশিষ্ট্যের?
- জাতীয় দলের খেলোয়াড় মুন্না তিন বছরের শিশুপুত্রকেহারিয়ে শোকে মোহ্যমান। না ফেরার দেশে চলে যাওয়াপুত্রের শোক সামলাতে না পেরে সে খেলাধুলা ছেড়েদিয়েছে। তাইতো সে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ানগেমসে ফুটবল খেলায় অংশতো নেয়ই নি, এমনকি খেলাদেখতেও যায় নি।উদ্দীপকের মুন্না 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়?
- বাঙালি নারীর আত্মজাগরণে যে নারীর অবদান বেশি, তিনি হলেন রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বিবাহের পর উদার মানসিকতার অধিকারী স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের, পরম মমতায়। ও সহযোগিতায় এবং নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তিনি স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন। আত্মশুদ্ধি ও নিজের জানার জগৎকে পরিশুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে, তিনি সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর সাহিত্য সাধনায় বাঙালি মুসলিম নারী সমাজই মুখ্য হয়ে ওঠেন। সাহিত্য সাধনায় যখন তিনি নিয়োজিত তখন হঠাৎ করে • তাঁর প্রাণপ্রিয় স্বামী পরপারে যাত্রা করেন। এতে তিনি মর্মাহত হন। বিষাদপূর্ণ অন্তরে আপন কর্ম সম্পাদনের জন্য কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গালর্স স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে আজ বাঙালি নারী সমাজ মুক্ত-স্বাধীনভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করছেন।তুমি কি মনে করো যে উদ্দীপকের স্বামী বিয়োগের হাহাকার এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির অন্তরের হাহাকার একই সূত্রে গাঁথা? পক্ষে বা বিপক্ষে যুক্তি দেখাও।
- 'কুহেলি উত্তরী' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।' উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তু ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।' বুঝিয়ে লেখো।