নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়।
উদ্দীপকের গণশিক্ষার বিষয়টি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
A.
মসজিদ প্রতিষ্ঠা
B.
মাদরাসা প্রতিষ্ঠা
C.
মাজার প্রতিষ্ঠা
D.
স্কুল প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তরঃ
D.
স্কুল প্রতিষ্ঠা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- নারিশা গ্রামের একটা ভাঙা রাস্তা মেরামতের জন্য জনপ্রতিনিধিদের নিকট ধর্ণা দিতে দিতে গ্রামের মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। গ্রামেরই ছেলে বুলবুল একদিন গ্রামের ছেলেদের নিয়ে খাল থেকে মাটি তুলে রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করে দিল। চেয়ারম্যান এসে ধমকের সুরে বুলবুলকে বললেন, 'তুমি কার মাটি কার রাস্তায় ফেলছ? অনুমতি নিয়েছ? খালের পাড় ভেঙে জমিজমা ঘরবাড়ি নষ্ট হবে না? এমন পাপের কাজে ছেলেদের জড়ালে কেন, ওদের মা-বাবার অনুমতি নিয়েছ? শিশুশ্রম নিষিদ্ধ জানো না? ভুল স্বীকার করে এ কাজে বিরত না হলে তোমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খেতে এসেছ?''উদ্দীপকের বুলবুলের কার্যক্রম আইনবিরোধী নয়, কর্তৃত্ববাদীদের জন্য অশনিসংকেত।'- 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
- উম্মত মিয়া অনেক বছর আগেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপান্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- 'প্রশ্নটি এইরকম যে মজিদের ইচ্ছা হয় একটা হুঙ্কার ছাড়ে।' মজিদের এই ক্ষোভ যার আচরণের প্রতিক্রিয়ায়-
- উত্তরাঞ্চলকে অনেকেই বলেন, 'বাহেরমুল্লুক'। সেই 'বাহেরমুল্লুকের' অনেক স্থানই ফি-বছর তিস্তা-ব্রহ্মপুত্রের ভয়াল ভাঙনের কবলে পড়ে। এই ভাঙন কবলিত গৃহহীন মনসুর মিয়া সপরিবারে চলে যান সুদূর দক্ষিণের দ্বীপাঞ্চলে। সেখানে ভেষজ চিকিৎসকের পেশায় তাঁর অল্পদিনেই সুনাম হয়। জটিল রোগীর আগমন ঘটলে সরাসরি হাসপাতালে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন। উপার্জনের পয়সায় দ্বিপাঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়ানোর জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠার কথাও ভাবেন।"উদ্দীপকের মনসুর মিয়ার উদ্বাস্তু জীবনের সাথে উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের বৈসাদৃশ্যই অধিক"- মতামতসহ ব্যাখ্যা কর।
- খোদার এলেমে বুক ভরে না কেন?
- বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।উদ্দীপকে উল্লিখিত চেয়ারম্যান ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের ভূমিকা 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ঘটনাংশের সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য? আলোচনা করো।
- মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম কী?
- 'ব্যাপারটা ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়ার মতো।'- কোন ব্যাপারটা এবং কেন?
- 'পাথর এবার হঠাৎ নড়ে।'- এখানে 'পাথর' কে?
- তাহেরের বাপ নিরুদ্দেশ হয়ে যায় কেন?
- আওয়ালপুরের পির সাহেবের প্রধান মুরিদ কে?
- "সজ্ঞানে না জানলেও তারা একাট্টা, পথ তাদের এক।"-ব্যাখ্যা করো।
- কদম আলি একসময় 'মাল্টিপারপাস জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। চটকদার বিজ্ঞাপন আর লোভাতুর প্রচারণায় অল্প সময়ে সে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অধিক মুনাফা লাভেল আশায় এলাকার অশিক্ষিত-অল্পশিক্ষিত খেটে খাওয়া মানুষ তার প্রতিষ্ঠানে অর্থলগ্নি করতে থাকে বছরের পর বছর যায়; কিন্তু জমাকারীরা লাভের মুখ দেখে না। নিকট অতীতে কদম আলির আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকলেও এখন সে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক। এলাকার এক শিক্ষিত তরুণ সাগর এক যুগ পর গ্রামে এসে দেখে কদম আলি সহজ- সরল মানুষকে কীভাবে প্রতারিত করে যাচ্ছে। সে দেরি না করে এলাকার উদীয়মান তরুণদের সুসংগঠিত করে কদম আলির প্রচারণা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনে। প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে' কদম আলিকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।"উদ্দীপকের কদম আলি ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একই মুদ্রার এপিঠ- ওপিঠ।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে সাত ছেলের বাপের নাম কী?
- মুরাদপুর একটি অবহেলিত গ্রাম। গ্রামটি যোগাযোগব্যবস্থায় যেমন পিছিয়ে তার চেয়ে বেশি শিক্ষায়। নারী শিক্ষায় পিছিয়ে থাকায় গ্রামে বাল্য বিয়ে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। গ্রামের ছেলে মনির হোসেন এমএসসি পাশ করে সরকারি চাকরির সুযোগ পেয়ে গ্রহণ করেননি। তিনি গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন একটি বালিকা বিদ্যালয়। এখানে সেলাই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন।উদ্দীপকের মুরাদপুর গ্রামের সমাজবাস্তবতার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের সমাজবাস্তবতার তুলনা করো।
- দেশে দেশে পিরদের সফর শুরু হয় কখন ?
- 'বিশ্বাসের পাথরে যেন খোদাই সে চোখ'- ব্যাখ্যা করো।
- দিন কাটিয়া যায়। জীবন অতিবাহিত হয়। ঋতু চক্রে পাক খায়। পদ্মার ভাঙন ধরা তীরে মাটি ধসিতে থাকে, পদ্মার বুকে জল ভেদ করিয়া জাগিয়া উঠে চর। অর্ধ শতাব্দীর বিস্তীর্ণ চর পদ্মার জলে আবার বিলীন হইয়া যায়। জেলেপাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনদিন বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণার দেবতা, হাসি-কান্নার দেবতা,অন্ধকার আত্মার দেবতা ইহাদের পুজো কোনদিন সাঙ্গ হয় না।উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন ভৌগোলিক অঞ্চলের কীরূপ সাদৃশ্য রয়েছে?
- বটতলী গ্রামের অধিকাংশ মানুষ অশিক্ষিত, ধর্মান্ধ ও কুংসংস্কারাচ্ছন্ন। সেই গ্রামের ছেলে মুনির কলেজে লেখাপড়া করে। গ্রামের অশিক্ষিত মানুষকে শিক্ষিত করতে সে গ্রামে একটি নৈশবিদ্যালয় করতে চায়। এ বিষয়ে গ্রামে সভা বসলে, গ্রামের মাতব্বর এ প্রস্তাবে খুশি হয়ে মুনিরকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দেন।উদ্দীপকের মাতব্বর 'লালসালু' উপন্যাসের মাতব্বর চরিত্রের বিপরীত ভূমিকা পালন করেছে- তোমার যুক্তিসহ উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- খেয়াঘাটের ইজারাদারদের প্রবল ষড়যন্ত্রের মুখে গ্রামেপ্রভাবশালীদের পরামর্শে নদীতে সাঁকো তৈরির উদ্যোগথামিয়ে দিতে বাধ্য হয় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সৌরভ!উদ্দীপকের গ্রামের প্রভাবশালীরা 'লালসালু' উপন্যাসেরকোন চরিত্রকে মনে করিয়ে দেয়?
- মজিদের আবিষ্কৃত পিরের নাম কী?
- মজিদকে দেখে প্রথম জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- রফিক মিয়া অনেক বছর আগেই তার জন্মভূমি ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে এই জয়নগর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায় সম্বলহীন অবস্থা থেকে রফিক মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। আজ যেমন তার সুহায়-সম্পত্তি হয়েছে, তেমনি সমাজের সকল মানুষ তাকে সম্মানও করে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসের প্রেক্ষাপটের সাদৃশ্য কোথায় ? আলোচনা করো।
- বাল্যবিবাহবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলতে গিয়ে শিক্ষিতযুবক রিয়াজ গ্রাম্য মাতব্বরের কাছে লাঞ্ছনার শিকারহলো। কেউ তার সাহায্যে এগিয়ে এলো না।রিয়াজ ও উপন্যাসের সেই চরিত্রের লাঞ্ছনার কারণকী?