ট্রানজিস্টর সাধারণত ব্যবহার করা হয় _
- রেক্টিফায়ার হিসেবে
- এমপ্লিফায়ার হিসেবে
- সুইচ হিসেবে
নিচের কোনটা সঠিক?
A.
i, ii
B.
ii, iii
C.
i, iii
D.
i, ii, iii
সঠিক উত্তরঃ
B.
ii, iii
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরটি হলো: ii, iii অর্থাৎ ট্রানজিস্টর সাধারণত ব্যবহৃত হয় এমপ্লিফায়ার এবং সুইচ হিসেবে।
বিশ্লেষণ:
- রেক্টিফায়ার হিসেবে ট্রানজিস্টর সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। রেক্টিফায়ার হিসেবে সাধারণত ডায়োড ব্যবহৃত হয়, কারণ ডায়োড একমুখী পরিবাহিতা নিশ্চিত করে।
- এমপ্লিফায়ার হিসেবে ট্রানজিস্টর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি ছোট ইনপুট সিগন্যালকে বড় আউটপুটে রূপান্তর করে, যার মাধ্যমে শক্তি বা সিগন্যাল বৃদ্ধি পায়।
- সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহার হয় ট্রানজিস্টরকে অন-অফ বা অনুপ্রবেশের জন্য, যা ডিজিটাল সার্কিটে খুবই মৌলিক। এটি দ্রুত চালু ও বন্ধ করতে পারে, ফলে স্বাভাবিকভাবে স্বিচিং অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- X-NOR গেটের আউটপুট 1 হবে যখন ইনপুট দুটি হবে?
- একটি ট্রানজিস্টারের α=0.98 এবং IE=1.5mA হলে IB এর মান কত?
- একটি (pnp) ট্রানজিস্টরে 10-8 sec সময়ে 100 টি হোল এমিটার অঞ্চল হতে নির্গত হয় যার মধ্যে 97% পীঠ অঞ্চল অতিক্রম করে সংগ্রাহক অঞ্চলে পৌঁছে।উদ্দীপকের আলোকে ɑ=β/(1+β) এর সত্যতা যাচাই করো।
- কোনো p-n জাংশনে 0.2 V বিভব পার্থক্য পরিবর্তনের জন্য 5mA বিদ্যুত প্রবাহের পরিবর্তন পাওয়া গেল। জাংশনের রোধ কত হবে?
- আলোকীয় সংকেত নিরূপণে যে যন্ত্র ব্যবহৃত হয় সেটা হলো -
- ট্রানজিস্টর সিগন্যালকে কয়ভাবে বৃদ্ধি করতে পারে?
- একটি ট্রানজিস্টরে সবচেয়ে কম ডোপায়িত অঞ্চল হল-
- p-n-p ট্রাঞ্জিস্টর অপেক্ষা n-p-n ট্রানজিস্টর অধিক কার্যকর কেন? ব্যাখ্যা করো
- প্রবাহ বিবর্ধক গুণক, \(\alpha=?\)
- চিত্র -১ এর CE সংযোগ ব্যবস্থাই সংগ্রাহক ভোল্টেজ 8V। লোড রোধ RL =800Ω এবং দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 0.8V। বর্তনীর ইনপুটরোধ 200Ω এবং ɑ=25/26 ।চিত্র -১ এর বর্তনীর ভোল্টেজ বিবর্ধন এবং ক্ষমতা বিবর্ধন নির্ণয় করো।
- সাহিল ও শাকিল দোকান থেকে দুটি n-p-n ট্রানজিস্টর কিনে আনে। সাহিলের ট্রানজিস্টরে ইনপুট ভোল্টেজ, ইনপুট রোধ ভার রোধ এবং সংগ্রাহক প্রবাহ যথাক্রমে 2V, 4Ω, 50Ω এবং 3A। অপরদিকে শাকিলের ট্রানজিস্টরে প্রবাহ লাভ,ইনপুট রোধ এবং ভার রোধ যথাক্রমে 80,40Ω এবং 60 Ω। সাহিলের ট্রানজিস্টরের ভোল্টেজ গেইন নির্ণয় করো।
- কোনো ট্রানজিস্টরে সাধারণ পীঠ সংযোগ রয়েছে। এর সংগ্রাহক প্রবাহ 0.95 mA এবং পীঠ প্রবাহ 0.05 mA । নিঃসারক প্রবাহ কত ?
- উদ্দীপকের বর্তনীটি সুইচ হিসাবেও কাজ করানো সম্ভব- বিশ্লেষণ করো
- এ???টি ট্রানজিস্টরের কমন বেস সার্কিট এমিটর কারেন্ট 100 μA থেকে 150μA এ উন্নিত করায় কালেক্টরের কারেন্ট 98 μA থেকে 147 μA উন্নীত করা হল। কারেন্ট গেইন নির্ণয় কর।
- n-p-n ট্রানজিস্টার p-n-p ট্রানজিস্টরের চেয়ে বেশি কার্যকর-ব্যাখ্যা কর।
- তিনটি টার্মিনাল বিশিষ্ট যে ট্রানজিস্টরে শুধু একটি বাহক (ইলেক্ট্রন বা হোল) দ্বারা পরিবর্তন ঘটে, তার নাম কী?
- ট্রানজিস্টর অ্যামপ্লিফায়ার ব্যবহার করা হয় না কোথায়?
- For a transistor, α=0.95 and IE=1 mA, so the value of IC is-
- সম্পৃক্ত অঞ্চলে ট্রানজিস্টরের এমিটার-বেস জাংশন ও কালেক্টর-বেস জাংশন যথাক্রমে-
- একটি অ্যাম্পিয়ার বর্তনীর ভার রোধ 4500Ω। এই বর্তনীতে ট্রানজিস্টরের সাধারণ নিঃসারক সংযোগ ব্যবহার করা হয়েছে। বায়াসিং ভোল্টেজ 15mV হলে পীঠ প্রবাহের পরিবর্তন 30µA এবং সংগ্রাহক প্রবাহের পরিবর্তন 3mA পাওয়া যায়।উদ্দীপকের তথ্য থেকে ভোল্টেজ লাভ নির্ণয় করা সম্ভব হবে কি? গাণিতিক মতামত দাও।
- আউটপুট ভোল্টেজ ও ইনপুট ভোল্টেজের অনুপাতকে কী বলে?
- (b) কোন ট্রানজিস্টারের সংগ্রাহক প্রবাহ 0.75 mA এবং নিঃসারক প্রবাহ 0.766 mA ট্রানজিস্টারটির ɑ ও β নির্ণয় কর।
- কোন ট্রানজিস্টরের সাধারণ এমিটার সার্কিট ইনপুট ভোল্টেজ 1.3V বাড়িয়ে 1.8V করায় পীঠ প্রবাহ 9 mA থেকে বৃদ্ধি পেয়ে 30 mA হয়। ফলে ট্রানজিস্টরটির এমিটার কারেন্ট এবং কালেক্টর কারেন্টের পরিবর্ত?? হয়। এতে আউটপুট লোড রোধ 150 Ω হলে কারেন্ট গেইন 80 পাওয়া যায়।ইনপুট ভোল্টেজের পরিবর্তন করে ট্রানজিস্টরকে বিবর্ধক এবং সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে কিনা? বিশ্লেষণ করো।
- n-p-n transistor এ, IB=? [β=75]