শাহীন গ্রামে প্রতিবেশীর বাড়িতে চুরি করে ধরা পড়ে। মা-বাবা সম্মান বাঁচাতে ছেলেকে মামাবাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সেখানে কিছুদিন থাকার পর নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। মামার ঘরের ছোট ছোট দামি জিনিসপত্র হারাতে থাকে। প্রথমত তারা কাজের মেয়েকেই সন্দেহ করে। কিন্তু মেয়ের জন্মদিনের উপহার হারিয়ে গেলে তা পাওয়া যায় শাহীনের ঘরের আলমারির মধ্যে তালাবদ্ধ অবস্থায়। তখন মুখোশ খুলে যায় শাহীনের। মামাবাড়ি থেকে সে বিতাড়িত হয়।
শাহীন চরিত্র 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কোন কবি নবাব সিরাজউদৌলার চরিত্রনির্ভর নাটক রচনা করেন ?
- যুদ্ধক্ষেত্রে সাদা নিশান ওড়ানো হয় কেন?
- কে নবাব সিরাজউদ্দৌলা'র আত্মীয় ছিলেন?
- এ দেশে থেকে এ দেশকে ভালোবেসেছি'- চরণটিতে কার অনুভূতি ব্যস্ত হয়েছে?
- শহিদ ক্যাপ্টেন বাশার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে ক্যাপ্টেন বাশার সেনানিবাস পরিত্যাগ করে হালি শহরে অবস্থান নেন এবং পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পাকিস্তানি বাহিনী এদেশীয় দালাল মারফত তাঁর অবস্থান শনাক্ত করলে তিনি ধৃত হন। তাঁকে ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয় এবং অমানুষিক নির্যাতন করে তথ্য আদায়ে ব্যর্থ হয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ রকম নির্যাতনেও দমে যায়নি মুক্তিপাগল বাংলার মানুষ। মুক্তিকামী জনতার সম্মিলিত সংগ্রামের ফলে এদেশ স্বাধীন হয়েছে।উদ্দীপকের এদেশীয় দালাল 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে। এই উক্তির তাৎপর্য কী?
- তুমিও আমার বিচার করতে বসলে? ব্যাখ্যা কর।
- হোসেন মিয়া বিশাল সম্পত্তির অধিকারী। তার চার ছেলে সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্বার্থের জন্য কৌশলী, মনোভাবের অধিকারী। হোসেন মিয়া সবকিছু বুঝতে পারলেও সন্তান হিসেবে তাদেরকে বারবার ক্ষমা করে দেন। তার এই অপরিসীম কোমল মনোভাবের কারণে একসময় ছেলেরা গোপনে পুরো সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয় এবং শেষ পরিণতিতে হোসেন মিয়া রাস্তায় নেমে আসেন।"সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো?" বক্তব্যটি উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজের বিরুদ্ধে ঘসেটি বেগমের আক্রোশের কারণ—
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- দেশের স্বার্থের জন্য নিজেদের স্বার্থ তুচ্ছ করে আমরা নবাবের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকব।'- এ উক্তিটি কে করেছিল?
- 'আসামির সে অধিকার থাকে নাকি?'- কে, কাকে, কখন বলেছিল? বর্ণনা করো।
- মিরজাফর কোন দেশ হতে ভারতে আসেন?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপ কার?
- কোম্পানি ঘুষখোর ডাক্তার কে?
- ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি সারা দেশ ব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বল্প বিনিয়োগে মোটা অংকের মুনাফা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের নিকট হতে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ হতে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির নিকট দেশের সাধারণ মানুষগুলো তাদের সর্বস্ব খুইয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।উদ্দীপকের কোম্পানির উদ্দেশ্যে এবং 'সিরাজউদ্দৌলা ' নাটকে বর্ণিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্য একই সূত্রে গাঁথা'- তোমার মতামত দাও।
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীআমাদের দেশে ব্যাপক নির্যাতন চালায়। অসংখ্য মানুষেরবাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। মা-বোনদের সম্মানহানি করে এবংব্যাপক গণহত্যা চালায়। হানাদার বাহিনীর অত্যাচার 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ?
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়" কে কী প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
- কোনটা ঠিক?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম সংলাপ কার?
- 'আমি দওলতের পূজারি।'-উক্তিটি কার?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি কতটি অঙ্ক ও দৃশ্যে রচিত হয়?
- "ওর কাছে সব কিছুই যেন বড় রকেরম জুয়ো খেলা'- কার কাছে, কেন?
- 'নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?' উদ্দীপকের 'তস্কর' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোনটিপ্রতিনিধিত্ব করে?
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে?