মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।
উদ্দীপকের মালিহার সাথে 'সোনার তরী' কবিতার মাঝির সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- পার্থিব ও ক্ষণস্থায়ী জীবনের জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভালোমন্দ ভুলে দিয়ে নানান কাজে জড়িয়ে পড়ছি। এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক হবে, সুন্দর এ পৃথিবী ছেড়ে একদিন, চলে যেতে হবে'। আমরা আমাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে এ ক্ষণস্থায়ী জীবনের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে যাই। টাকাকড়ি সুন্দর বাড়ি সবই পড়ে রবে, তোমার করা কৃতকর্মই তোমাকে স্মরণ নেবে যখন তুমি আর থাকবে না এই জনাকীর্ণ ভবে। উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।
- কৃষক সব ধান সোনার তরিতে তুলে দেয় কেন?
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতা অবলম্বনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গভীর জীবনদর্শন বিশ্লেষণ করো।
- 'সোনার তরী' কবিতায় 'সোনার ধান' কীসের প্রতীক?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার সোনার তরী কবিতা লিখেছেন কোথায় বসে?
- সোনার তরী' কবিতায় ধান কাটা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে কী প্রকাশ পেয়েছে-
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- মানুষের বেঁচে ছিলেন মাত্র একুশ বছর। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি শুকতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছেন।উদ্দীপকের প্রথম বাক্যটি 'সোনার তরী' কবিতার কোন প্রেক্ষিতে সম্পর্কিত? যুক্তি দেখাও।
- 'বাঁকা জল' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- রূপক কবিতা হিসেবে 'সোনার তরী' কতটা সার্থক? ব্যাখ্যা করো।
- সোনার ধান কীসের প্রতীক?
- “মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।” এই লাইনগুলো যেই কবিতার অংশ, সেই কবিতাটি কে লিখেছেন ?
- তুমুল তুঙ্গে তীর-তিরন্দাজ ছুটবে বিজয় রথে সত্য-সপথ সমুন্নত ন্যায়-সংগ্রাম শান্তি পথেশোষণ স্তব্ধ হবে, বিজয় বলয় ছড়িয়ে যাবেদিকে দিকে মুক্তি এলেই প্রভাত ফেরি পাবে।জয় জনতার লাল পতাকার, বিজয় রক্ত পথে শান্তি-সাম্য-মুক্তি আসে জাতীয় ঐক্য ব্রতে।'উদ্দীপকটি কীভাবে জাতীয় ঐক্যের চেতনাকে 'বিদ্রোহী' কবিতার আলোকে ধারণ করেছে? বিস্তারিত লেখো।
- 'পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়া মসী-মাখা।'- এখানে'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- আধুনিক বাংলা কবিতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন কবি মাইকেল মধূসুদন দত্ত। অমিত্রাক্ষরের ছন্দ ব্যবহার করে তিনি বাংলা কবিতাকে মুক্তি দিয়েছেন। আজ তিনি নেই কিন্তু তাঁর সৃষ্টিকর্ম আছে ও থাকবে।উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার সাদৃশ্যসূত্র চিহ্নিত করো।।
- কোনটি একই সঙ্গে বিশেষ্যকে নির্দিষ্ট করে অ বিশেষনের মতো কাজ করে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ”চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।” ‘বাঁকা জল’ কিসের প্রতীক?
- শ্রাবণগগন ঘিরে কী ঘুরে?
- সোনার তরী কবিতার পংক্তিসংখ্যা -
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বনফুল' প্রকাশিত হয় কত সালে?
- আমায় নহে গো ভালোবাসো, শুধু ভালোবাসো মোর গান।বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান।চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে।'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সঙ্গে উদ্দীপকের বনের পাখির তুলনামূলক আলোচনা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।"কাজী নজরুল ইসলামের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কি
- 'সোনার তরী' কবিতার ছন্দ-