কোন প্রজাতি অসমোরেগুলেশনে অক্ষম?
JUUnit-DSet-3জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসননকর্ডাটা প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
Aurelia aurita
Explanation: Aurelia aurita (জেলিফিশ) অসমোরেগুলেশনে অক্ষম, কারণ এটি সমুদ্রের জলজ পরিবেশের সাথে নিজেকে সামঞ্জস্য রাখতে পারে না। A: ভুল, Tania solium প্লাটিহেলমিন্থসের সদস্য। B: ভুল, Lycosa lenta একটি মাকড়সা। D: ভুল, Cucumaria planci একটি সামুদ্রিক প্রাণী।
Another Explanation (5):
অসমোরেগুলেশনে অক্ষম প্রজাতি: Aurelia aurita 🌊
অসমোরেগুলেশন হল জীবের অভ্যন্তরীণ তরল পদার্থের লবণ এবং জলের ভারসাম্য বজায় রাখার প্রক্রিয়া। কিছু প্রজাতি এই প্রক্রিয়াটি দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করতে পারে, আবার কিছু প্রজাতিতে এই ক্ষমতা কম থাকে বা একেবারেই থাকে না। Aurelia aurita (সাধারণ জেলিফিশ) তাদের মধ্যে অন্যতম, যারা অসমোরেগুলেশনে তুলনামূলকভাবে দুর্বল।
Aurelia aurita কেন অসমোরেগুলেশনে দুর্বল? 🤔
- দেহের গঠন: Aurelia aurita-র দেহে প্রায় ৯৬-৯৮% জল থাকে। এদের কোষগুলো খুব সহজে বাইরের পরিবেশের সঙ্গে জলের আদান প্রদানে লিপ্ত হতে পারে। 💧
- বিশেষ অঙ্গের অভাব: এদের বিশেষ কোনো অঙ্গ নেই যা অতিরিক্ত জল বা লবণ শরীর থেকে বের করে দিতে পারে।
- চাপ সহ্য করার ক্ষমতা: Aurelia aurita শুধুমাত্র সামুদ্রিক পরিবেশেই (যেখানে লবণের মাত্রা স্থিতিশীল) বেঁচে থাকতে পারে। লবণের তারতম্য হলে এরা বাঁচতে পারে না।
অসমোরেগুলেশনের গুরুত্ব 🌟
অসমোরেগুলেশন জীবের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। এটি নিম্নলিখিত কারণগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কোষের সঠিক কার্যক্রম বজায় রাখা।
- শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলোর সুষ্ঠু পরিচালনা।
- এনজাইমের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ।
বিভিন্ন প্রাণীর অসমোরেগুলেশন প্রক্রিয়া 🐠🦀
| প্রাণীর ধরন | অসমোরেগুলেশন প্রক্রিয়া | উদাহরণ |
|---|---|---|
| মিষ্টি জলের মাছ | অতিরিক্ত জল ত্যাগ করে এবং লবণ গ্রহণ করে। | রুই, কাতলা 🐟 |
| লোনা জলের মাছ | কম জল ত্যাগ করে এবং লবণ ত্যাগ করে। | হাঙ্গর, টুনা 🦈 |
| স্থলজ স্তন্যপায়ী | বৃক্কের মাধ্যমে জলের ভারসাম্য রক্ষা করে। | মানুষ, গরু 🐄 |
Aurelia aurita-র দুর্বল অসমোরেগুলেশনের প্রভাব 😥
Aurelia aurita-র দুর্বল অসমোরেগুলেশনের কারণে এরা:
- নোনা জলের পরিবেশের উপর নির্ভরশীল।
- লবণাক্ততার পরিবর্তনে দ্রুত মারা যায়।
- অভ্যন্তরীণ পরিবেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারে না।
পরিশেষে, Aurelia aurita-র অসমোরেগুলেশন ক্ষমতা কম থাকায় এরা পরিবেশের পরিবর্তনে খুব সংবেদনশীল এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতেই বেঁচে থাকতে সক্ষম। 🌍
আরও জানতে বিভিন্ন জীববিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট দেখুন।📚
Option A Explanation:
- Tania solium হলো একটি পরজীবী টেপওয়ার্ম, যা সাধারণত মানুষের অন্ত্রের মধ্যে বাস করে।
- এটি মূলত গ্যাস্টোইন্টেস্টাইনাল ট্র্যাক্টে জীবিত থাকে এবং পরজীবী হিসেবে কাজ করে।
- প্রজনন ও বিকাশের জন্য এটি হোস্টের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিবেশে জীবনযাপন করে, তবে এটি সরাসরি অক্ষম নয়।
- তবে, এটি নিজে স্বতন্ত্রভাবে চলাচল বা শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো স্বতন্ত্র কার্য সম্পাদন করতে পারে না।
Option B Explanation:
- নাম: Lycosa lenta
- জেনেরিক নাম: Lycosa lenta
- প্রজাতি: একপ্রকার ঝিরি ঝিঁঝিঁ পোকার (Wolf spider)
- পরিবার: Lycosidae
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: দ্রুত চলাফেরা করে এবং সাধারণত গাছের উপর বা মাটির নীচে বাস করে।
- অবস্থান: মূলত উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের কিছু অংশে পাওয়া যায়।
Option C Explanation:
- অর্থ: Aurelia aurita হলো একটি সাগরজনিত জেলি ফিস বা জেলি মাছ।
- পরিবার: এটি Scyphozoa শৈবাল গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- প্রাণীর বৈশিষ্ট্য: এই প্রাণীটি একটি দেহের মতো জেলি বা জেলির মতো গঠনযুক্ত, যা নদী বা সমুদ্রে পানির মধ্যে সাঁতার কাটে।
- প্রজনন: এটি সাধারণত জলজ পরিবেশে গর্ভধারণের মাধ্যমে প্রজনন করে এবং এর মধ্যে বিভিন্ন ধরণের রূপান্তর দেখা যায়।
- বিশিষ্ট বৈশিষ্ট্য: এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর জেলি মতো দেহ এবং ঘুর্ণনশীল অঙ্গের উপস্থিতি।
Option D Explanation:
- প্রজাতি: Cucumaria planci
- অমেরোগুলেশনের ক্ষমতা: এই প্রজাতিটি অমেরোগুলেশনে অক্ষম।
- প্রকারভেদ: এটি একটি মরুভূমি (sea cucumber) প্রজাতি, যা সাধারণত স্থিরভাবেই থাকে এবং এর জীবনের ধরণ মূলত রেপ্রোডাকটিভ (প্রজনন) পদ্ধতিতে নির্ভরশীল।
- অন্য বৈশিষ্ট্য: Cucumaria planci সাধারণত অমেরোগুলেশনের মাধ্যমে প্রজনন করে না, বরং এটি প্রজননের জন্য পরস্পর মিলিত হয়।