মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

সক্রিয় প্রোটন চলাচল মতবাদে রক্ষীকোষে কোন মৌল পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ নিয়ন্ত্রণ করে?

A. পটাসিয়াম
B. সোডিয়াম
C. আয়রন
D. ফসফরাস
RUUnit-CSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ শারীরতত্ত্বখনিজ লবণ পরিশোষণ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. পটাসিয়াম
Explanation:

Another Explanation (5):

সক্রিয় প্রোটন চলাচল মতবাদ ও রক্ষীকোষে পত্ররন্ধ্র নিয়ন্ত্রণ 🌿

সক্রিয় প্রোটন চলাচল মতবাদ পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। রক্ষীকোষে পটাসিয়ামের (K+) ভূমিকা এখানে অপরিহার্য। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

পত্ররন্ধ্র খোলা হওয়ার প্রক্রিয়া 🔓

  1. প্রোটন পাম্প (H+-ATPase): রক্ষীকোষের কোষঝিল্লিতে অবস্থিত এই পাম্প ATP ব্যবহার করে কোষের ভেতর থেকে বাইরে প্রোটন (H+) পরিবহন করে। এর ফলে কোষের অভ্যন্তরে একটি ঋণাত্মক তড়িৎ রাসায়নিক গ্রেডিয়েন্ট তৈরি হয়।
  2. পটাসিয়াম আয়ন প্রবেশ (K+ influx): ঋণাত্মক চার্জের আকর্ষণে পটাসিয়াম আয়ন (K+) কোষের ভেতরে প্রবেশ করে। এই কাজটি K+ চ্যানেল নামক প্রোটিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
  3. ক্লোরাইড আয়নের প্রবেশ (Cl- influx): পটাসিয়াম আয়নের পাশাপাশি ক্লোরাইড আয়নও (Cl-) ক??ষের ভেতরে প্রবেশ করে বৈদ্যুতিক ভারসাম্য বজায় রাখে।
  4. অস্মোটিক চাপ বৃদ্ধি: কোষের ভেতরে K+ এবং Cl- আয়নের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্রবণীয় পদার্থের পরিমাণ বাড়ে এবং এর কারণে অস্মোটিক চাপ বেড়ে যায়।
  5. পানি প্রবেশ: অস্মোটিক চাপের কারণে পার্শ্ববর্তী কোষ থেকে পানি রক্ষীকোষে প্রবেশ করে।💦
  6. স্ফীতি ও পত্ররন্ধ্র খোলা: পানি প্রবেশ করার ফলে রক্ষীকোষ স্ফীত (turgid) হয়ে যায় এবং পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।🌷

পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া 🔒

  1. অ্যাবসিসিক অ্যাসিড (ABA): খরার সময় ABA হরমোন উৎপন্ন হয়, যা রক্ষীকোষে K+ চ্যানেলগুলোকে বন্ধ করে দেয়।
  2. পটাসিয়াম আয়নের নির্গমন (K+ efflux): K+ চ্যানেল বন্ধ হয়ে গেলে পটাসিয়াম আয়ন কোষ থেকে বাইরে নির্গত হতে শুরু করে।
  3. ক্লোরাইড আয়নের নির্গমন (Cl- efflux): ক্লোরাইড আয়নও কোষ থেকে বাইরে নির্গত হয়।
  4. অস্মোটিক চাপ হ্রাস: কোষের ভেতরে K+ এবং Cl- আয়নের ঘনত্ব কমে যাওয়ায় দ্রবণীয় পদার্থের পরিমাণ কমে যায় এবং অস্মোটিক চাপ কমে যায়।
  5. পানি নির্গমন: অস্মোটিক চাপ কমে যাওয়ায় রক্ষীকোষ থেকে পানি পার্শ্ববর্তী কোষে চলে যায়।💧
  6. শিথিলতা ও পত্ররন্ধ্র বন্ধ: পানি বেরিয়ে যাওয়ার ফলে রক্ষীকোষ শিথিল (flaccid) হয়ে যায় এবং পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়। 🌵

পটাসিয়ামের গুরুত্ব 🔑

  • অস্মোরেগুলেশন: পটাসিয়াম আয়ন রক্ষীকোষের অস্মোটিক চাপ নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
  • তড়িৎ রাসায়নিক ভারসাম্য: K+ আয়নের পরিবহন কোষের ভেতরের তড়িৎ রাসায়নিক ভারসাম্য বজায় রাখে।
  • এনজাইম সক্রিয়করণ: পটাসিয়াম আয়ন অনেক এনজাইমের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।

সংক্ষেপে পটাসিয়ামের ভূমিকা 👇

বৈশিষ্ট্য পত্ররন্ধ্র খোলা পত্ররন্ধ্র বন্ধ
K+ এর ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় ⬆️ হ্রাস পায় ⬇️
অস্মোটিক চাপ বৃদ্ধি পায় ⬆️ হ্রাস পায় ⬇️
রক্ষীকোষের অবস্থা স্ফীত 🎈 শিথিল 🥀

সুতরাং, সক্রিয় প্রোটন চলাচল মতবাদ অনুসারে পটাসিয়াম আয়ন রক্ষীকোষের স্ফীতি এবং শিথিলতা নিয়ন্ত্রণ করে পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।☀️

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি পত্ররন্ধ্র নিয়ন্ত্রণে পটাসিয়ামের ভূমিকা বুঝতে সহায়ক হবে। 😊

Option A Explanation:
  • পটাসিয়াম (Potassium): পটাসিয়াম একটি মৌল পদার্থ যা সক্রিয় প্রোটন চলাচল মতবাদে রক্ষীকোষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • রক্ষীকোষে পটাসিয়াম এর ভূমিকা: এটি রক্ষীকোষের অভ্যন্তরীণ পরিবেশে আয়ন সমতুল্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা প্রোটন চলাচলের নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
  • নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া: পটাসিয়াম আয়ন রক্ষীকোষের মধ্যে উপস্থিত থাকায়, এটি সোডিয়াম-পটাসিয়াম পাম্পের মাধ্যমে আয়ন সমতুল্য বজায় রাখতে সহায়ক হয়, ফলে প্রোটন চলাচলের সঞ্চালন নিয়ন্ত্রিত হয়।
Option B Explanation:
  • সোডিয়াম (Sodium): সোডিয়াম আয়ন পত্ররন্ধ্রের খোলা ও বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি সক্রিয়ভাবে পত্ররন্ধ্রের ঝিল্লিতে প্রবেশ করে, যা পত্ররন্ধ্রের পৃষ্ঠতলে নিঃসরণ ও প্রতিরোধের পরিবর্তন ঘটায়।
  • প্রভাব: সোডিয়াম আয়নের পরিবর্তন পত্ররন্ধ্রের আয়ন পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে পত্ররন্ধ্র খোলা বা বন্ধ হয়।
  • উপকারিতা: এই প্রক্রিয়া চোখের চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, যা বিভিন্ন চোখের রোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
  • আয়রন (Iron): উদ্ভিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাক্রো মৌল, যা মূলত ক্লোরোফিলের গঠন ও শ্বসন প্রক্রিয়ায় সহায়ক।
  • অন্য ম্যাক্রো মৌলগুলির মধ্যে অন্যতম, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:

ফসফরাসের ভূমিকা ও গুরুত্ব

  • উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়ক: ফসফরাস উদ্ভিদের কোষের মূল উপাদান, বিশেষ করে ডিএনএ, আরএনএ এবং এ্যাডেনাইন ট্রাইফসফোসল (ATP) এর গঠনীয় উপাদান। এটি উদ্ভিদের জৈবিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • মূল্যবান ফল ও শস্যের উন্নতি: পর্যাপ্ত ফসফরাসের উপস্থিতি ফল ও শস্যের মান উন্নত করে এবং দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
  • জলাবদ্ধতা ও শস্যের ক্ষতি: ফসফরাসের অভাবে উদ্ভিদের পাতা ও ফল ঝরে পড়ে, কারণ পাতা ও ফলের স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি বাধা পায়। এটি উদ্ভিদের দুর্বলতা ও অপ্রতুল বিকাশের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
  • প্রতিকার: পর্যাপ্ত ফসফরাস সরবরাহের মাধ্যমে উদ্ভিদের সুস্থতা বজায় রাখা যায় এবং ঝরে পড়ার সমস্যা কমে আসে।

একাউন্টে প্রবেশ করুন

Logo

স্টাডি ট্র্যাকার এবং অন্যান্য প্রিমিয়াম ফিচার ব্যবহার করতে আপনার গুগল একাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।