'সোনার তরী' কবিতায় “গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে”- কে বলতে কবি কাকে বোঝাতে চেয়েছেন?
A. বাউল মাঝি
B. কবির নিজ সত্তা
C. কৃষক
D. মহাকাল
সঠিক উত্তরঃ
D.
মহাকাল
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- সোনার তরী' কবিতায় কোন ঋতুর কথা আছে ?
- 'সোনার তরী' কবিতায় ঠাই নাই, ঠাঁই নাই'— কথাটিতেমাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে?
- নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত কাব্যনাট্য?
- 'ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোট সে সে তরীআমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।'- ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থ কোথায় বসে রচনা করেন?
- 'সোনার তরী' কবিতায় নিরুপায় কে?
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।'সময়ে সব হারিয়ে যায়' কথাটি 'সোনার তরী' কবিতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিশ্লেষণ কর।
- 'আমি একেলা'- এখানে আমি কে?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।"কাজী নজরুল ইসলামের পরিণতিই 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কি
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- এখন আমারে লহো করুণা করে'- চরণটিতে কৃষকের কী অভিলাষ ব্যস্ত হয়েছে?
- ' যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনাবু তরী।" এখানে কী ব্যক্ত হয়েছে?
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার 'সোনার তরী' কবিতাটি যে স্থানে রচনা করেন-
- 'বাঁকা জল' মূলত কীসের প্রতীক?
- "সােনার তরী” কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- মানুষ মরণশীল এ সত্য 'চিরন্তন' কিন্তু মানুষের মানুষের কর্ম অমর। কর্ম দিয়ে কালে কালে মানুষ জগতের মধ্যে চিরন্তন হয়ে আছে। শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে অসংখ্য শিল্পী-সাহিত্যিক, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসংখ্য বিজ্ঞানী, চিন্তার ক্ষেত্রে অসংখ্য চিন্তক-দার্শনিক তাঁদের জ্ঞান- বুদ্ধি-শক্তি-শ্রম সর্বোপরি মহৎ কর্ম দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করে গেছেন। শারীরিকভাবে তাঁদের দেহাবসান হলেও কর্ম টিকে আছে। প্রতিনিয়ত তাঁদের কর্মের দানে সমৃদ্ধ হচ্ছেপৃথিবীর মানুষ। কালের গহ্বরে কেবল কর্মী হারায়, কর্ম হারায় না।'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবের কোন অংশের সাথে উদ্দীপকের বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যনাট্য কোনটি?
- 'চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা'- ব্যাখ্যা করো।
- সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-এই নদী নক্ষত্রের তলে।সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন-সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!আমি চলে যাব বলেচালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলেনরম গন্ধের ঢেউয়ে?লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটির তরে?সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- 'সোনার তরী' কবিতায় 'সোনার ধান' কীসের প্রতীক?
- কবি 'সোনার ধান'- প্রতীকে মানুষের সৃষ্টকর্মকে নির্দেশ করেছেন কারণ-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার সোনার তরী কবিতা লিখেছেন কোথায় বসে?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কবি ক্ষণিক হেসে কী নিয়ে যেতে বলেছেন?