ভারতবাসীকে নিজের উপর অটুট বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিলেন কে?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- রক্তের অক্ষরে দেখিলামআপনার রূপচিনিলাম আপনাকেআঘাতে আঘাতে;সত্য যে কঠিনকঠিনেরে ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।'সত্য যে কঠিন; কঠিনেরে ভালোবাসিলাম' এই চরণ দুটির আলোকে 'আমার পথ' প্রবন্ধটি বিশ্লেষণ করো।
- রহমান গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব দবির সাহেব রাশভারী মানুষ। আনুগত্যের ভাব দেখিয়ে সকলে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল শাকিল সাহেব তা করেন না; যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। এ কারণে সহকর্মীরা শাকিল সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। কিছুদিন পর প্রতিষ্ঠানে একটি 'ম্যানেজার'-এর পদ শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে নানাভাবে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সকলে বিস্মিত হয়ে যায়। কারণ, সেই পদের নিয়োগপত্র পান শাকিল সাহেব।উদ্দীপকের শাকিল সাহেবের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- 'বিষের বাঁশি' উপন্যাসটি লিখেছেন কে?
- বিষয় সম্পর্কে পূর্বধারণা নিয়ে যে সকল শিক্ষার্থী এসেছিলকেবল তারাই শ্রেণিকক্ষের পাঠদান বুঝতে পারল। বোঝানোরজন্য শিক্ষক তো আছেনই, এই ভরসায় যারা শ্রেণিকক্ষেগিয়েছিল তাদের অর্জন শূন্য । উদ্দীপক 'আমার পথ প্রবন্ধের যে অনুষঙ্গ ধারণ করে তাহলো—দাসত্বস্বাবলম্বনপরাবলম্বননিচের কোনটি সঠিক?
- “আমি আছি এই কথা না বলে সবাই বলতে লাগলাম 'গান্ধীজি আছেন" । এই পরাবলম্বনই আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেললো । একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব” এ কথ???গুলো কার লেখা প্রবন্ধের অংশ?
- 'সুপরিকল্পিত পথে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে জীবন পরিচালনা করতে না পারলে সে জীবন ব্যর্থ হয়ে যায়- এ বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যে চরণে প্রকাশিত হয়েছে-
- মামুন, মার্টিন এবং শম্ভু তিন সহপাঠী। ঈদ উপলক্ষেমার্টিন মামুনের বাড়িতে অসঙ্কোচে যেতে পারলেও শম্ভুযেতে পারে না। তার রয়েছে পারিবারিক বাধা।উদ্দীপকের শম্ভুর সাথে আমার পথ' প্রবন্ধের লেখকেরস্বাতন্ত্র্য কীসে?
- ‘আমার পথ’ গল্পটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
- আশফাক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজসচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজে বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছেন, যারা ছাত্র অবস্থায় তাঁর সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এর পরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা তাঁর সমালোচনা করে। এসব শুনে আশফাক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'উদ্দীপকের আশফাক সাহেব 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- নজরুলের কোন কাব্য চট্টগ্রামের স্মৃতি বিজড়িত?
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রাজবন্দীর জবানবন্দী’ হল-
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- কে মিথ্যাকে ভয় করে?
- 'আগুনের সম্মার্জনা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- স্বামী বিবেকানন্দ আত্মবিশ্বাসকে একটি অতীব জরুরি গুণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস। নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে তবেই অন্তরে দেবত্ব জাগ্রত হয়। তাই তিনি বলেন, 'তেত্রিশ কোটি দেব-দেবীতে বিশ্বাস থাকলেও কারো যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে, তবে সে মুক্তি পাবে না।''বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস।' মন্তব্যটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে 'বিশ্বাস' অর্থাৎ 'আত্মবিশ্বাস' শব্দটি মানবমনের এম শক্তির প্রতী???, যার কোনো যৌক্তিক সীমানা নেই। তবুও আত্মবিশ্বাসের ভালো উদাহরণ হিসেবে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ নাট্যকার 'জর্জ বার্নার্ডশ' এর নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। তিনি মাত্র ৫ বছর স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১৫ (পনেরো) বছর বয়সে মাসে ৪০ টাকা বেতনে কেরানির কাজ নেন। কিন্তু তিনি লেখক হতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতেন একদিন বড়ো লেখক হবেন। তাই' তিনি নিয়মিত লেখা শুরু করেন। লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে তাঁর নয় বছর সময় লেগেছিল। লেখক জীবনের প্রথম নয় বছরে তাঁর লেখা থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৩০০ টাকা। কিন্তু তাঁর বিশ্বাসই তাঁকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। লেখক হিসেবেই পরবর্তীতে উপার্জন করেছেন প্রচুর টাকা।'আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করাই উদ্দীপক আর 'আমার পথ' প্রবন্ধের সারকথা।'- মূল্যায়ন করো।
- গোটা মানব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার মূলে কী রয়েছে?
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম আত্মাকে চিনতে বলেছেন কোন প্রয়োজনে?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
- কারা বাইরের গোলামি থেকে রক্ষা পায় না?
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।'মতিন সাহেবের আমিত্ব তাঁকে উক্ত পদের সম্মানে ভূষিত করে'- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে আমিত্বের স্বরূপ বিশ্লেষণ করো
- বিষয় সম্পর্কে পূর্বধারণা নিয়ে যে সকল শিক্ষার্থী এসেছিলকেবল তারাই শ্রেণিকক্ষের পাঠদান বুঝতে পারল। বোঝানোরজন্য শিক্ষক তো আছেনই, এই ভরসায় যারা শ্রেণিকক্ষেগিয়েছিল তাদের অর্জন শূন্য । উদ্দীপকের শিক্ষক 'আমার পথ' প্রবন্ধের কার সাথেসাদৃশ্যপূর্ণ?